Header Ads

Breaking News
recent

শুভাশিস সিংহ, পারমিতা চক্রবর্তী

 আলতামাস এবং বৃষ্টি.. 

চোখে চোখ লাগলে সেলফি মোড অন।

ডাকহরকরা সূর্য প্রশ্ন করে সেই সব মেঘেদের যাদের অ্যাডোলেসনস নেই. ওদের মুখের ভেতর যা ছিল, সেই সব উচ্ছিষ্ট ইতিহাস সৃষ্টি করে৷ যে ইতিহাসে ছোট্ট এক প্রশ্নের মহতী সম্ভাবনায় উত্তর দেবার সময় নেই মহুয়া সকালের. অতঃপর ঘুম ভাঙে. ভাঙা চোখে ব্যাবিলনের উদ্যান. উদ্যানের কোণে জালিয়ানওয়ালা বাগ. শত্রু ছিল বলে গোলাপ আজও কাঁটার বরমে পরিবেষ্টিত. সংযমিত জীবন নিয়ে যাদের পূর্বপুরুষেরা আজও বই এর পাতায় বৃষ্টির আশ্বাসে ভীষ্মের মতন শুয়ে।

অমাবস্যার করপুটে চন্দ্রকলায় প্রতীক্ষার উঠোন আগলাতে আগলাতে পুটুও এক সময় শুয়ে পড়ে. ওদের ভাতের হাঁড়িতে মৌসুমির ডেরা. খিদের অদম্য হজম শক্তিতে শান দিতে দিতে ওদের চোখ ক্রমশ চকচকে হয়ে উঠেছে. অথচ ধারের ভারে ঝুঁকে পড়ছে একচালা. এরকমই এক ঝুঁকে পড়া দিনে বৃষ্টির আপত্তি কে পাত্তা না দিয়ে ঘরে ফেরা পুটুর. ভরসা বলতে চাঁদের নরম আদর. অন্ধকার হুঁকে আটকে গেলে গোঁসাই বাগানের জোনাকিদের নজর খোলে. তারপর ঊরু বেয়ে চলে কুমারী নদী।

জল নয়; নদী এমন একটা বিষয় যাতে নিমজ্জিত হতে গেলে নিমগ্নতা লাগে. সেটা নাজিমের চেয়ে কে বেশি জানত. অথচ মৌনতার গভীরে যত না নীরবতা তারচেয়ে বেশি অসহায় চিত্কারের অণুরনন. স্পষ্ট শুনতে পাই চিকুর দগদগে ঘা তে বৃষ্টির নুন হয়ে ফোটা, শ্রাবণের পূর্বপাঠ চুকিয়ে বাইশের অবেলায় ঠাম্মার শেষ কথোপকথন, আর এপ্রিলের বিকেলে জেম্মার বাবলা কাঠের বিছানায় টুকটুকের ফোঁপানো কান্না।

কি আছে আলতামাস এই দু আনার জীবনে? তারচেয়ে বরং এসো, বৃষ্টি ভিজি. দেখ সন্ধ্যে হল. দরজায় ভীড় বাড়ছে. কাল এসো - বুকে কিছু বৃষ্টি নিয়ে।



কোন মন্তব্য নেই:

সুচিন্তিত মতামত দিন

Blogger দ্বারা পরিচালিত.