x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, জুন ৩০, ২০১৭

সীমিতা মুখোপাধ্যায়

sobdermichil | জুন ৩০, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
সীমিতা মুখোপাধ্যায়
 অভিজ্ঞান 

১।

আঙুলে জড়িয়ে আছো অভিজ্ঞান,
তিলে তিলে আমি ঢলে পড়ছি চিরন্তন ব্রতকথায়:
বিস্মরণের স্মরণ হয়;

আমাকে মনে করো, পাহাড়-পুত্র-
পাঠাও তোমার বারিষনামা!

যুগে যুগে ফলবতী হয় কণ্ব-তপোবন,
সুগন্ধ হয় এই মৃগনাভী,
জাল ফেলে ধীবর কন্যা তুলে আনে তোমায়-

ফিরে এসো দুর্বাসা-অভিশাপে,
ছুঁয়ে যাও মিথ্যে অভিলাষে-

তোমার নাম কাউকে বলবো না!

২।

এই যে রাংচিতার বেড়া, বর্ষা-হলুদ বিকেল-
এ তো সবই তোমার মতো খাম-খেয়ালি মায়া;

যেখানে "দম ঘুটকু", হরিয়াল ডাকে, ঘুঘু কাঁদে,
মৃত্যু-ঘোড়ায় চড়ে তুমি পেরিয়ে যাও
সমস্ত আদর...

আমিও অপেক্ষা-নীল মাদকতায়
হেঁটে হেঁটে ফিরি এক পদ্মপাতা থেকে জলে-মুক্তায়,

খুলে ফেলে দিই অভিজ্ঞান-অঙ্গুরী:
না-মুহূর্ত হয়ে যাও...


 উল্কাদের চিঠি-খেলা 

তোমার নন্দন-কাননে যে সকল উল্কারা
খেলা করে, শাশ্বতী-নক্ষত্রেরা- 

তুমি দেখতে চাও তাদের হংসিনী-গ্রীবা,
ক্ষীণ-কটি, সুহাসিনী আঁখ;

একে একে ডেকে নাও তাদের, জড়িয়ে থাকো বহুক্ষণ, 
তোমার আড়-বাঁশি, চিঠি-চিঠি খেলা,
পাখি-ওড়ানো যত স্বপ্ন-

আমার আকাশ ভর্তি ফটিক-জল,
ছোট্ট একটা কাগজের নৌকা
ভাসিয়ে দিলাম চাঁদের আলোয়-

সুখে থেকো!


 চুপ-বারান্দার গল্প 

শাঁখের করাতে কেটে কেটে যাচ্ছে পাঁজরের হাড়-

খিলখিল করছে চুপ-বারান্দা,
রোদের সাথে কানামাছি খেলছে চিলেকোঠা
আর ওই ঠা ঠা পাঁচিল, শ্যাওলা গায়ে, দেখতে দেখতে
কেমন বুড়ো হয়ে গেল...

আমিও তোমার জন্মভূমির নাম দিলাম- সাতক্ষীরা,
নদী হল কীর্তনখোলা, তুমি হলে মুর্শিদ আমার!

আমাকে তোমার ঘ্রাণে ডুবিয়ে নাও,
চোর-পুলিশ খেলুক আমাদের ছোটবেলা-

হেরে যাবো, কথা দিলাম, বন্ধু আমার...



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.