x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শুক্রবার, জুন ৩০, ২০১৭

শর্মিষ্ঠা ঘোষ

sobdermichil | জুন ৩০, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
শর্মিষ্ঠা ঘোষ
 বিরোধী 

জানি, দেখেছ
তোমার ভিন্নমত
দেখেছি আমিও
মন্তব্য করিনি
মত অমত পাশাপাশি চলে
বুকে করে বওয়া এসবই মৃত্যুতক
মতে মতে কাটাকাটি চলে
ফাটাফাটি লাভ করে নেপো
আমার কথাগুলি সবসময়ই বিরোধীপক্ষের মত শোনায়
উন্নয়নের বন্দুকে সোনালী দিনের স্বপ্ন কুড়োতো যাওয়া কৃষক
ভগবানের এজলাসে ফসলের ন্যায্য দামের সওয়াল করছে
জাতপাত নিপাত যাক বলা ভেমুলাও এখন সেখানেই
পিটিয়ে ছাল ছাড়ানো দলিত হাম্বারব শুনছে ভয়াবহ সিম্ফনিতে
বাছুরের লেজ ধরে বৈতরণী পেরনো হয় নি তাদের
নবান্নের ঘ্রাণ বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়া লড়াকু মানুষটি
অধিকার চাইতে গিয়ে উন্নয়নে ধাঁধিয়ে যাওয়া মানুষের মত কেউ
বুটে বেয়নেটে ছিন্নভিন্ন মানুষগুলি ধর্ষনের মুখে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো মেয়েগুলো
ভয়্যারগুলোর সামনে চামড়া মেলে দেয় চোখ দিয়ে চাটার জন্য
কত খাবি খা , এত অজস্র আছে,  ছুঁচোয় খেয়ে ফুরোতে পারে না
তীব্র দাবদাহে মরে যেতে যেতে দেখে ভগবান সপারিষদ শৈলাবাসে নিদ্রা গেছেন
মেয়ের বিয়ে ছেলের কেরিয়ার কৃষকের ভর্তুকি শ্রমিকের পি এফ
দিনমজুরের পাওনা তোয়ালের তলায় ডিল করে দিয়েছেন
বিষপাত্র তুলে নিতে নিতে দড়িতে গলা পেঁচাতে পেঁচাতে দেখে গেছে ওরা
ভগবান হাসছেন ঘাতকের পাশে বসে পিশাচের কোলে গড়িয়ে পড়ছেন আহ্লাদিত
ওরাও কেউ কেউ ভগবানের নিজের লোক ছিল
ওরাও কেউ কেউ আমায় বিরোধী বলে জেনে গেছে


 বিকেল 

খুব হাই পিচে মন লাগাতে ভয় করে
পতনের সময় বয়ে যেতে থাকে পাকে পাকে
আর ঘুরতে ঘুরতে নীচে নামতে থাকি হেটমুন্ড
সরে যেতে থাকে প্রিয় বলে ভাবতে থাকা পালক
তখন কেবল বিবশ শূন্যতা হ্যালুসিনেশান
তার মত কেউ এসে হেসে দাঁড়ায় সামনে
তার হাতের আয়নায় দেখতে পাই
আমি বলে যাকে ভাবছিলাম সে আসলে
একটি নিঃস্পন্দ একা লাগা মলিন বিকেল


Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.