x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

মঙ্গলবার, মে ০৯, ২০১৭

তাসমিন আফরোজ

sobdermichil | মে ০৯, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
তাসমিন আফরোজ
 পরিযায়ী নক্ষত্র ও একলা ডাহুক 

দাঁড়িয়ে আছো একলা ডাহুক
সারারাত স্পর্শ গন্ধরাজ লেবুর একতরফা আমেজি ঘ্রাণ
                   
দূরে পরে থাকে ক্ষীণ হওয়া নদী
                     প্রখর রৌদ্র ছাপা আদিবাসী গ্রাম

বুঝতে পারিনি আকাশের বুক থেকে
নক্ষত্র এসেছিলো কাল
বুঝতে পারিনি আগামীর দামে
পাণ্ডুলিপি তে এসেছিলো প্রশ্রয় শ্বাসে
               
          পাশে বসে ছিলো  নৈসর্গিক ব্যাকুলতা
          অন্ধকার ফিকে করে  গুলমোহর বেনামে      

                         ধারে দিয়েছিলো অগুচ্ছ প্রেম
                         স্বপ্নিল পরিচর্য়ার আবেদন
                              চাঁদ ঘুমিয়ে যাবার দেওয়ালে
                               মুক্তো দানায় রেখেছিলো
                                      অলিখিত অক্ষরে ফোঁটা ফোঁটা উপবাসি হেম

          অন্ধ পরিণামি বাড়িয়েছিলো সখ্যতা
            ক্ষীণ নদীর সৌরমণ্ডল জুড়ে
             সালাম প্রণামে অসমাপ্ত গল্প
                 ডাহুকের নিঃশ্বাস পুড়ে যায় অল্প
               আলপথে পড়ে থাকে এলোমেলো লাইনে
                                     কৃষ্ণকায়া মেয়ের অচেনা কবিতা    

           খড়ের ছাউনিতে আদিবাসী গ্রাম
                             ভাত ফুটিয়েছিলো চৈত্রের ধানে
                                     সর্বনাশ বিকিয়ে পৌষের প্রাণ
                               আসন্ন শ্রাবণের বৃষ্টির গানে

মরুতৃষ্ণা আমার সর্বাঙ্গ ছুঁয়ে
বললো ডেকে এসো ঠিকানা লিখি
সেক্টর চার এলিগেন্ট রিজেন্ট হাওয়ার উপরে বসবাস
মেঘালয়ের মেঘ দূরত্ব বেশী নয়
দিগন্তের সবুজ মেখে ধরে থাকা নীল আকাশ

                          বুঝতে পারিনি ডাহুকের ঠোঁটের লালে
                             আদিবাসী গ্রামে হয়েছিলো পুষ্প বকুল
                            এক আত্মা টকপাতা তেলাকুচার অঙ্গ
                             মুখরে রেখেছিলো আনন্দ মুকুল
                                     হলুদ জবাতে উঠিয়েছিলো ঝড়
                                              নক্ষত্রের গোপন আসার কালে

  কণ্ঠছেঁড়া আর্তনাদে কি করে বলি পরিযায়ী থাকে
                 মেঘের পরতে ধরা ছোঁয়ার বাইরে নীরব ধুসর বেদনাতে ............।                          
                       

Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.