x

প্রকাশিত ৯৬তম সংকলন

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

সই মেলা ২০১৭

sobdermichil | মে ০১, ২০১৭ |
সই মেলা ২০১৭
২০১৭ র সই মেলার শিরোনাম ছিল আদিবাসী সাহিত্য, লোক সংস্কৃতি এবং মেয়েরা। সই, উইমেন রাইটার্স আসোসিয়াসান অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল এর উদ্যোগে ও সাহিত্য একাদেমির সহযোগিতায় গত ২৩-২৪ এপ্রিল ২০১৭ য় শিশির মঞ্চে অনুষ্ঠিত হল সই-মেলা। উদ্দেশ্য ছিল আদিবাসী সাহিত্য, লোক সংস্কৃতিতে মেয়েদের অবদান কে তুলে ধরা। সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত আদিবাসী সমাজের মহিলা লেখক, শিল্পীদের পাশিপাশি ভারতবর্ষের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা কিছু অনামি আদিবাসী মহিলা লেখক ও শিল্পীকে এই শহরের মানুষদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। তাঁদের লেখক জীবনের সংগ্রাম ও তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের কাহিনী যে আমাদের তথাকথিত ‘মেন স্ট্রিম’ এর মেয়েদের গল্পের থেকে কত আলাদা কিংবা তা কোথায় গিয়ে মিলে মিশে একাকার সেটা বুঝতে চেষ্টা করা।

সই মেলা ২০১৭
সই য়ের মঞ্চ থেকে উচ্চারিত তাঁদের আনন্দ-বেদনার সংলাপ তুলে ধরা হল সকলের কাছে। ‘ভুমিকন্যা’ এই শিরোনামে এবারের সইমেলা শুরু হয়েছিল ‘সই’ এর প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী নবনীতা দেবসেনের ভাষণ দিয়ে, তারপর দীপ প্রজ্বলন ও অতিথি বরণের পর মূল অনুষ্ঠানের সূচনা হল মনিদীপা নন্দী বিশ্বাসের কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের গান ‘তোমারি মাটির কন্যা’ দিয়ে। সাদ্রি ভাষায় তিনি গাইলেন ‘ফুল বলে ধন্য আমি মাটির পরে’। এবারের সইমেলায় আমন্ত্রিত ছিলেন ছিলেন গারো ভাষার লেখিকা ডঃ ভায়োলা সোনাচি সাংমা, সাঁওতালি ভাষার ডঃ দময়ন্তী বেসরা, সাদ্রি ভাষার শ্রীমতী কাজল দেমতা, মগ ভাষার শ্রীমতী ক্রইরি মগ চৌধুরী, মৈথিলী ভাষার শ্রীমতী বিভা রানী, ককবরক ভাষার শেফালি দেববর্মা। গুজরাট থেকে এসেছিলেন ছাররা সম্প্রদায়ের নাট্যকর্মী বুধন থিয়েটারের কল্পনা গাগডেকার। বলে গেলেন তাঁর প্রেরণা বাংলার মহাশ্বেতা দেবী। তাঁকে প্রনাম জানিয়ে মঞ্চস্থ করলেন নাটক। দুদিনের এই অনুষ্ঠানে কবিতা, আদিবাসী সমাজের প্রবাদ ও প্রবচন, গান, আলোচনা নাটকের মাধ্যমে প্রকাশিত হল ভারতবর্ষের বিভিন্ন আদিবাসী সমাজের জীবন যাপনের বৃত্তান্ত। সাহিত্য একাদেমির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন শ্রী রামকুমার মুখোপাধ্যায়। তাঁর ভাষণ ঋদ্ধ করেছিল শ্রোতাদের। এছাড়া অতিথিদের সম্মান জানাতে সই এর সদস্যরা নিবেদন করেছিলেন আদিবাসী সমাজ নিয়ে লেখা বাংলা ভাষার মহিলা লেখকদের রচনা এবং আদিবাসী লোক গীতি দিয়ে গাঁথা মালার মতো একটি আলেখ্য। প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান যথাক্রমে শেষ হয়েছিল কসবা অর্ঘের ‘পান্ডবানী’ ও ‘মাদল’ ফোক ব্যান্ডের গান দিয়ে। 

 গার্গী রায়চৌধুরী 
সম্পাদক,সই


Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.