x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

মঙ্গলবার, মে ০৯, ২০১৭

সায়ন্ন্যা দাশদত্ত

sobdermichil | মে ০৯, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
অটিস্টিক শিশু এবং সুস্থ মানুষগুলির জন্যে
ফিরতি নৌকোটির পাশ ঘেঁষে নেমে যাচ্ছে সূর্য । এখনো জল অনেক গভীর !
- জল তুমি চেনো ? তোমার তো মন খানিক অক্ষম !
- উঁচুতারে হেসে ফেলতে পারলেই আনন্দ মানো তোমরা ? গতকাল ব্যাপক বৃষ্টির মধ্যিখানে যখন ফিরে আসছ। চড়লে গাড়ি। ওয়াইপারে জল ভাঙছে। তুমিও ভাঙছ । চাকরি অথবা মায়ের মুখ  !ভাবলে মা নিশ্চই ভারী ? তবুও তো হাসলে । তবুও ফোনে বলে যাচ্ছ সুসংবাদ। কান্না যাদের বারণ তাদের আসলে হাসি বলে কোন জানলা খোলা নেই !

- জানলা ধরে তাকিয়ে আছো তুমি। ঘন্টার পর ঘন্টা ! একইরকম ! ক্লান্ত হওনা ? কি এতো দেখো শূন্যতম চোখে ?
- যাকিছু শূন্য দেখছ তুমি....জানো কি শূন্য থেকেই শুরু ?! সামনে এগোলে এক দুই তিন...সংখ্যা !কিন্তু শূন্যতম অশেষ। সেসব কে আর জানবে ?
- কথা শোননা। বলোও না ভালো । একটি ক্রমাগত অক্ষরে আটকে থেকে যাও। বোবার কোন শত্রু হয়নি যেমন ; বন্ধুও হয়না কোনদিন।
- প্রিয়তম শব্দ বোঝো সুস্থ মানুষ ? যেকোন কান্নায় বলতে হয়ত পারোনি...তবুও বারবার নীরবে ডেকেছ যাকে  !সেও কি তোমায় অসমাপ্ত...জরাগ্রস্ত ভাবে ?

          ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে....এই আত্মা অক্ষয়। এর কোন বিকার নেই । ক্ষয় ,বয় ,লয় কিছুই নেই । সৃষ্টির পূর্বেও মাতার জঠরে যেভাবে মগ্ন ছিলে....সৃষ্টিত্তোর যুগেও কথা ছিল সেইরূপ সমদৃষ্টিমান হবে !কথা ছিল পূর্ণ দেখবে কেবল। কথা ছিল স্বাদ ,শ্রবণ ,স্পর্শের ঊর্ধ্বে সংযোগ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবেনা কোনদিন। সৃষ্টি তোমার। তুমি সৃষ্টির অংশ। তোমার সম্পূর্ণ সত্ত্বা এবং শরীর জাগতিক বোধের বাইরে পরমাত্মার চেতনে সামিল সদা ।

              হে পূর্ণ কর্মক্ষম সুস্থ মানুষ....তুমি কি এইরূপ কর্মে লিপ্ত হতে পেরেছো এযাবৎ ?


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.