x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৩, ২০১৭

স্বপ্ননীল রুদ্র

sobdermichil | মার্চ ২৩, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
স্বপ্ননীল রুদ্র
 রক্তফুল 

ফাগুনের শুরুতে বেশ উষ্ণ হয়ে
উঠেছিল তোমার ব্যক্তিগত ঋতু
ফলন-আধিক্যে তখন শিমূলের
টুপটাপ পতন সারাবেলা,কিন্তু---

পলাশের বাড়ির ঠিকানায় তখনও
লাল ডাকপিওন দেয়নি মনোযোগ,
রক্তাভ চিঠির মহিমা বুঝেছিল
দুই ফুলের মাঝে জমে থাকা বিয়োগ।

বিয়োগ সহ তুমি গত ফাগুন তুলে
উষ্ণ উড়ে গেছো এড়িয়ে শিমূল-ও;
সে জানে না উড়ান,তাই পতিত ফুলে
পলাশপেক্ষায় চৈত্রমাস-ও

বিস্কুটের মতো ছোট ছোট কামড়ে
চিবিয়ে চিবিয়েই ক্যালেন্ডার ফাঁকা---
ক্রমশ দিন খেয়ে এগিয়ে যেতে যেতে
থমকে একদিন দ্যাখে পলাশ শাখা

ন্যুব্জ,ফিকে লাল--!তোমার উড্ডীন
রঙ লুঠ করেছে মাঝ রাস্তা থেকে,
পলাশ-পিওনকে ভয় দেখিয়ে চিঠি
কেড়ে নিয়ে আবার উড়িয়েছে নিজেকে।

তোমার সুতীব্র পদ-প্রক্ষালনে
মাটি ফেটে গর্ত তৈরি হয়েছিল,
আমাকে বুনে জল দিয়েছিল শিমূল
তার পাড়ে এবার তোমার দু'পা দিল

আজ সকালে কেন পা হঠাত,কে জানে !
তোমার ঋতু জুড়ে বাতাস-অঙ্গুলি
কুঁড়োবে বলে ঝুঁকে স্হির,আমি-তলায়
রক্ত-তঞ্চিত ফুল,আমার কলি...



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.