x

প্রকাশিত বর্ষপূর্তি সঙ্কলন

দেখতে-দেখতে ১০ বছর! শব্দের মিছিলের বর্ষপূর্তি সংকলন প্রকাশের সময় এ খুব অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু অজস্র লেখক, পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে এসেছি এই দশটি বছর, উপস্থিত হয়েছি এই ৯৫ তম সংকলনে।

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

রূপক সান্যাল

sobdermichil | মার্চ ২৩, ২০১৭ |
 রূপক সান্যাল
 সবাই লিখছে প্রেমেরই কবিতা      

তুমি আমার হাতের ওপর থেকে
তুলে নিয়েছ হাত
আমার যখন বিচার চলছিল
তুমি মিথ্যে স্বাক্ষী দিয়েছিলে

তাই ব’লে আর কেউ প্রেমের কবিতা লিখবে না?

খুকুদি’র প্রেমিক গোপনে বিয়ে করেছিল
তার এক দূর সম্পর্কের কাকাতো বোনকে,
খুকুদি কেঁদেছিল খুব,সে আর বিয়েই করেনি

তাই ব’লে আর কেউ প্রেমের কবিতা লেখে না?

তনুশ্রী অমলকে বলেছিল—
‘আমার তো অসংখ্য বয়ফ্রেণ্ড,
কাকে বাদ দিই বলোতো, তার চেয়ে
তুমিই বাদ হয়ে যাও...’
অমল একটা খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে
ভিজেছিল একটা গোটা বর্ষাকাল

তাই ব’লে কেউ কী আর প্রেমের কবিতা লিখছে না?

তুমি ভালোবাসার কেউ নও –
তোমার ডানহাতের তালু বিশ্বাস করে না বাঁহাতকে
প্রখর গ্রীষ্মে তুমি কখনো জল ঢালনি গাছের গোড়ায়
শরীরী সুগন্ধ যতই থাকুক,
শুকনো ডালে একটা কুঁড়িও ফোটাতে পারনি
তবু তাকিয়ে দেখ,সবাই লিখছে প্রেমেরই কবিতা –
তোমার অপেক্ষায় কেউ হাত গুটিয়ে ব’সে নেই



 অসুখ 

অসুখ থেকে সেরে ওঠার পর
প্রেসক্রিপশনের সাথে আড়ি ক’রে দিই,
হাসপাতালের দেয়াল খিলান গোম্বুজে
মোষের শিং-এর মত টাঙিয়ে রাখি
এক একটি ডাক্তারী চোয়াল,
অসুখ থেকে সেরে উঠলে
খুব স্পষ্ট হ্য় সেবিকার স্তন ঠোঁট
চোখে চোখ ফেলে বলতে ইচ্ছে হ্য় –
‘কাল সারারাত বৃষ্টি হ’লো খুব’,
অসুখ থেকে সেরে উঠে, আমি
সারা মুখে মেখে রাখি
আমার সবক’টি ডাকনাম
                     
বুকের ভেতরে দড়ি বেঁধে বালতি নামালে
আজও উঠে আসে ঘাসের শেকড়,পচা শাড়ি
আথবা একটি দুটি শামুকশিশু –
বালুর ওপরে জল দিয়ে ঢেকে রাখি
বালুর নিজস্ব শুষ্কতা ...

অসুখ কখনো সারে?





Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.