x

প্রকাশিত বর্ষপূর্তি সঙ্কলন

দেখতে-দেখতে ১০ বছর! শব্দের মিছিলের বর্ষপূর্তি সংকলন প্রকাশের সময় এ খুব অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু অজস্র লেখক, পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে এসেছি এই দশটি বছর, উপস্থিত হয়েছি এই ৯৫ তম সংকলনে।

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

sobdermichil | মার্চ ২৩, ২০১৭ |
ঠুলি খুলে দেখ
হাসপাতালগুলি মানবিক হোক :

কথাটা যদি হঠাৎ কেউ শোনেন তাহলে তাঁর মনে হবে, যিনি এই আবেদন রাখছেন তিনি মঙ্গল গ্রহের মানুষ। কারণ প্রতিষ্ঠানটি সেবামূলক। বাণিজ্য যার উদ্দেশ্য নয়। তাই এই কথা বলা মানে নিজেকে প্রমাণ করা তিনি এই পৃথিবীর মানুষ তো ননই, সাধারণ জ্ঞানটা পর্যন্ত নেই। একটা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে মানবিক হতে বলা মানে নিজের অজ্ঞতাকে লোকসমক্ষে প্রমাণ করা। 

কিন্তু এটাই বাস্তব। বেসরকারি হাসপাতাল তো বটেই সরকারি হাসপাতালগুলিও প্রতিমুহূর্তে অমানবিকতার পরিচয় দিচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগী গেলেই তারা হিসেব কষছে টাকার। রোগীটিকে কত তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তোলা যাবে তা নিয়ে তারা বিন্দুমাত্র ভাবিত না হয়ে তাদের কাছ থেকে কী পরিমাণ টাকা হাতানো যাবে সেই ভাবনায় বিভোর থাকে। আর রোগীর বাড়ির মানুষজন যেহেতু তাদের রোগীর জন্য মানসিকভাবে দুর্বল থাকেন তাই এই সুযোগটাই তারা কাজে লাগায়। যে চিকিৎসা রোগীর ওপর প্রয়োগ করে নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার টাকাও অসৎভাবে হাতিয়ে নেয়। সেইজন্য বিল হয় আকাশছোঁয়া। রোগী হয়ত বাঁচল কিন্তু বাড়ি ফিরে সে কী খাবে সেই ভাবনা ভাবতে ভাবতে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর রোগী যদি মারা যায় তাহলে তো সব গেল। টাকা পুরোপুরি না পেলে মৃতদেহ আটকে রাখা, টাকা দিতে না পারলে জমি, বাড়ির দলিল জমা রাখতে চাপ দেওয়া ইত্যাদি নানা অসৎ কাজকর্মের মধ্যে জড়িত থাকে হাসপাতালের মতো সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলি। সরকারি হাসপাতালগুলিতেও একটা অসাধু চক্র ভীষণভাবে সক্রিয়। পয়সা দিলেই তবে কাজ হয়। আমাদের রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে পরপর এমন কিছু ঘটনা ঘটল যেখান থেকে আমাদের চোখের সামনে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে গেল। কিডনি পাচার চক্র, শিশু পাচার চক্র হাসপাতালগুলিতে কাজ করছে। সরকার বর্তমানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। এটা বিশেষভাবে মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে। সরকার আরও কঠোর হোক। হাসপাতালে মানুষ সেবা পাক। রাজ্যের হাসপাতালগুলি অশক্ত অসহায় মানুষের অবলম্বন হোক ----- এ আমাদের একান্ত চাওয়া।


Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.