x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৩, ২০১৭

হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

sobdermichil | মার্চ ২৩, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
ঠুলি খুলে দেখ
হাসপাতালগুলি মানবিক হোক :

কথাটা যদি হঠাৎ কেউ শোনেন তাহলে তাঁর মনে হবে, যিনি এই আবেদন রাখছেন তিনি মঙ্গল গ্রহের মানুষ। কারণ প্রতিষ্ঠানটি সেবামূলক। বাণিজ্য যার উদ্দেশ্য নয়। তাই এই কথা বলা মানে নিজেকে প্রমাণ করা তিনি এই পৃথিবীর মানুষ তো ননই, সাধারণ জ্ঞানটা পর্যন্ত নেই। একটা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে মানবিক হতে বলা মানে নিজের অজ্ঞতাকে লোকসমক্ষে প্রমাণ করা। 

কিন্তু এটাই বাস্তব। বেসরকারি হাসপাতাল তো বটেই সরকারি হাসপাতালগুলিও প্রতিমুহূর্তে অমানবিকতার পরিচয় দিচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগী গেলেই তারা হিসেব কষছে টাকার। রোগীটিকে কত তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তোলা যাবে তা নিয়ে তারা বিন্দুমাত্র ভাবিত না হয়ে তাদের কাছ থেকে কী পরিমাণ টাকা হাতানো যাবে সেই ভাবনায় বিভোর থাকে। আর রোগীর বাড়ির মানুষজন যেহেতু তাদের রোগীর জন্য মানসিকভাবে দুর্বল থাকেন তাই এই সুযোগটাই তারা কাজে লাগায়। যে চিকিৎসা রোগীর ওপর প্রয়োগ করে নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার টাকাও অসৎভাবে হাতিয়ে নেয়। সেইজন্য বিল হয় আকাশছোঁয়া। রোগী হয়ত বাঁচল কিন্তু বাড়ি ফিরে সে কী খাবে সেই ভাবনা ভাবতে ভাবতে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর রোগী যদি মারা যায় তাহলে তো সব গেল। টাকা পুরোপুরি না পেলে মৃতদেহ আটকে রাখা, টাকা দিতে না পারলে জমি, বাড়ির দলিল জমা রাখতে চাপ দেওয়া ইত্যাদি নানা অসৎ কাজকর্মের মধ্যে জড়িত থাকে হাসপাতালের মতো সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলি। সরকারি হাসপাতালগুলিতেও একটা অসাধু চক্র ভীষণভাবে সক্রিয়। পয়সা দিলেই তবে কাজ হয়। আমাদের রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে পরপর এমন কিছু ঘটনা ঘটল যেখান থেকে আমাদের চোখের সামনে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে গেল। কিডনি পাচার চক্র, শিশু পাচার চক্র হাসপাতালগুলিতে কাজ করছে। সরকার বর্তমানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। এটা বিশেষভাবে মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে। সরকার আরও কঠোর হোক। হাসপাতালে মানুষ সেবা পাক। রাজ্যের হাসপাতালগুলি অশক্ত অসহায় মানুষের অবলম্বন হোক ----- এ আমাদের একান্ত চাওয়া।


Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.