x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৩, ২০১৭

অনুপম চ্যাটার্জী

sobdermichil | মার্চ ২৩, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
দেওয়াল গুলি - রঙ্গোলী
এই যে অবস্থানবর্গের সমন্বয় , তার দুরাত্মা প্রয়াস কোন পথে নিয়ে যায় দেখা যাক । কেননা মাতৃত্বসুলভ মনস্ত্বত্ব ছাড়া আর কোন দূরত্ব প্রয়াস চোখে পড়ে না প্রগলভ । সীমারেখা রৈখিক নিয়মে যন্ত্রণাত্মক সস্তা তরোয়াল । পচা বাস্তব ধূর্ত স্বেচ্ছাচারে লগ্ন কণ্ঠের জয়গানে মুখরিত ভেড়ার দল । ভুক্তির পর্যায়ে আছে সব । যুক্তির পর্যায়ে জ্ঞানশূন্য ভাঁড়ার । চেতনার মূল্যবোধ থেকে বহুদূরে থাকেন সামাজিক । অবস্থানকে বিগত পর্যায়ে চালনা করে চলচ্ছক্তির ব্যক্তিগত সীমা ______ সীমানার মধ্যবর্তী সীমান্ত প্রযুক্তির প্রয়াসে ডুব মেরে আড়চোখে লজ্জার প্রতিবাদ ঢাকা রাখে যন্ত্রণায় মশগুল আসক্তিতে । যেদিকেই তাকাও দেখবে কারাগার-কারামুক্তি পৌনঃপুনিক । পুনরায় অবস্থান আর বিশ্রাম সমানুপাতিক মতামত লভ্য সভ্যের অন্তর্গত । গতির তাড়নাকে মন্ত্রনা দেয় যে সব ক্রিয়াকলাপ-অনুভূতিময়-জাগতিক-পার্শ্বচক্র তার সম্ভাবনায় লুকিয়ে থাকে আগামীর মানানসই উদ্বর্তন । আবহাওয়া এত গতিশীল যে ছিটকে গেলেই অবসাদ । টিকে থাকার লড়াই এখন ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বযুদ্ধ । আহ্বানে থাকে ট্র্যাজেডির ছিদ্র ... বলা যায় অজ্ঞানশীলতা । মূঢ় দার্শনিকতার ভাঁড়ার মাতৃত্বকে অবজ্ঞা করলেই সেই সব সৎ প্রদর্শন সন্ধিসূত্র মাৎস্যন্যায়কে টিটকিরি করে ; লবডঙ্কা দেখায় অন্বেষণ । যদিও সূত্রকে মূল্যবোধের পর্যায়ে উন্নীত করলে চেতনায় দেখা দেয় নতুন সুফল । তবু , সে সব সময় কথা চলতি গতির ভাঁড়ার ফুরিয়ে আসে । কেশবাস সন্দিগ্ধ হলে বন্ধনীর অবস্থা যেমন হয় তেমনই বাঞ্চালকে বস্তুবাদী করে তুলতে মুখরিত জয়গান স্বেচ্ছাচারে লগ্ন কণ্ঠের জয়গানকে চুম্বন করে গালে, রং ছেপে যায় দেওয়ালে দেওয়ালে ... 

রামধনু নয় , রংধনু হব , 
সব রং মেখে নিয়ে । 
কামধেনু নয় , সঙধনু হব , 
সব সঙ শিখে নিয়ে । 

বাকধনু নয় , আঁকধনু হব , 
সব বাঁকে বেঁকে গিয়ে ।






Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.