x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৭

কবিতা এবং কবিতা প্রকাশ, পীযূষ কবিরাজ স্মরণ সংখ্যা

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
কবিতা এবং কবিতা প্রকাশ, পীযূষ কবিরাজ স্মরণ সংখ্যা


''জল কি তোমার ব্যথা বোঝে ?
তবে কেন ? তবে কেন ?
জলে কেন যেতে চাও নিবিড়ের সজলতা ছেড়ে ?

২০০৭ সালে ২৪শে সেপ্টেম্বর হারিয়ে গিয়েছিলেন এক উদীয়মান শিল্পী পীযুষ কবিরাজ । তাঁর মৃত্যুর দশ বছর পূর্তিতে গত২৫শে ফেব্রুয়ারি বীরভূম জেলার দুবরাজপুরে 'কবিতা এবং কবিতা ' পত্রিকা সেই অসামান্য শিল্পীকে স্মরণ করে তাঁদের কবিতা সংখ্যাটি প্রকাশ করলেন প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কবি ফজলুল হক, সম্পাদক ফাল্গুনী দে এবং অগণিত কবি ও শিল্পী। বইটি সমৃদ্ধ হয়েছে পীযুষের শিল্প ভাবনায়, তাঁর রঙ তুলির যাদুস্পর্শে আঁকা অসামান্য ছবিতে এবং নানা কবি , শিল্পী গুণীজনের প্রবন্ধ,কবিতা, স্মরণগাথায় ।

''তোমার মূর্তির থেকে বেরিয়ে বিমূর্ত
কতখানি আছ
ভাবলে সমুদ্র জল
ছোট এক কুম্ভ পাত্র
চকিতে ছুঁয়েছ তারপর যে আকাশ
মহাবিশ্বে উড়ে যায়
তুমি সেই ওড়া
গতি সেই তুমি । ''

চৌদ্দ পাতা জুড়ে শিল্পীকে শিল্পী, কবি অনুপম দত্ত তাঁর স্মরণগাথায় বরণ করে নিয়েছেন অপূর্ব বোধে ,ভাবনায় । 

কবি ফজলুল হক লিখেছেন - তার ছবি দেখলে মনে হত শিল্পী এমনটাই হয় যার জাত নিয়ে কোন সংশয় থাকবে না । রেখাটানে একটু ভিন্ন ধরনের আধুনিকতা আনার চেষ্টায় মগ্নতা দেখেছি ....। সব সম্ভাবনা ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে সে চলে গেল মহাসমুদ্রের গভীরে মণি মুক্তোর সন্ধানে না কি ভিন্নতর কোন ছবির খোঁজে ।

''মৃত্যু ও ভালোবাসার অনন্ত মহাসাগর '' এক প্রতীকধর্মী রচনায় সম্পাদক ফাল্গুনী দে দক্ষ হাতে এঁকেছেন যেখানে --'' মহাসাগরের অনন্ত পরিসরে পীযুষের বেঁচে রইল আমাদের মৃত্যু শোককে পরোয়া না করে ।''

শিল্পীর আশা আর স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলেন তাঁর শিক্ষক অনুস্প দত্তগুপ্ত । সার্থক সমালোচনা করলেন কবি মানস ভাণ্ডারী '' সম্মিলিত সমুদ্র এবং একজন পীযুষ '' যা তাঁর অন্তর্দৃষ্টির আলোকে প্রতিভাত ।

কবিতা এবং কবিতার এই প্রকাশটি স্মরণীয় করে রাখলেন তার অনুরাগী কবি, শিল্পী, ছাত্র ছাত্রী যারা আজ অনেক দূর এগিয়েছে । স্রষ্টা বেঁচে থাকলেন তাঁর সৃষ্টিতে । বইটি থেকে পীযুষের কিছু ছবি দেওয়া রইল পাঠকের উদ্দেশ্যে।  যেন ভুলে না যাই, যেন মর্যাদা দিয়ে ছবিগুলি সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা হয় তার আবেদন করি । আশারাখি তাঁর রঙ -তুলি, তাঁর সিমেন্ট বালির ভাস্কর্য পরবর্তী প্রজন্ম বাঁচিয়ে রাখবে যথাযোগ্য মর্যদায়।


উপস্থিত বক্তা, সুধীবৃন্দ




 শিল্পী পীযুষ কবিরাজের আঁকা, ভাস্কর্য  



সিমেন্টের ভাস্কর্য 








দেওয়ালে সিমেন্টের ভাস্কর্য







প্রতিবেদক-
 কোয়েলী ঘোষ 
কলকাতা



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.