x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭

হোয়াটসঅ্যাপ ডিজিটাল জোকস

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
হোয়াটসঅ্যাপ ডিজিটাল জোকস


👦🏻ছাত্র: স্যার, আমি কি একটা প্রশ্ন করতে পারি?
👴🏾শিক্ষক: কর!
👦🏻 ছাত্র: একটা আস্ত হাতিকে কিভাবে ফ্রিজে রাখবেন?
👴🏾 শিক্ষক: জানি না তো!
👦🏻 ছাত্র: খুব সহজ, আগে ফ্রিজটা খুলবেন, তারপর হাতিটাকে সাবধানে ঢোকাবেন, ব্যস। আরেকটা প্রশ্ন..
👴🏾 শিক্ষক: কি?
👦🏻 ছাত্র: একটা গাধাকে কিভাবে
ফ্রিজের ভিতর রাখবেন?
👴🏾 শিক্ষক: খুব সহজ, ফ্রিজটা খুলবো, তারপর গাধাটাকে রেখে দেব, ব্যস।
👦🏻 ছাত্র: হয়নি স্যার, আগে হাতিটাকে বের করতে হবে তারপর.. !!
👴🏾 শিক্ষক: ওহহহো...তাইতো!!
👦🏻 ছাত্র: স্যার আরেকটা প্রশ্ন.. বনের সমস্ত পশুপাখি সিংহমামার জন্মদিনে নিমন্ত্রণ খেতে গেছে কিন্তু একজন ছাড়া। সেটা কে?
👴🏾 শিক্ষক: মনে হয় বাঘ! কারন একজন আরেকজন কে দেখতে পারে না।
👦🏻 ছাত্র: হয়নি স্যার, এটা হবে গাধা কারন সে তো এখনো ফ্রিজের ভিতর।
👴🏾 শিক্ষক: আমার সাথে মজা করা...না!
👦🏻 ছাত্র: না স্যার, আরেকটা শেষ প্রশ্ন... প্লীজ স্যার।
👴🏾 শিক্ষক: আচ্ছা বল..।
👦🏻 ছাত্র: জঙ্গলের ভেতর একটা নদী, যাতে অসংখ্য কুমীর থাকে, সেটা আপনাকে পার হতে হবে, কিন্তু কিভাবে?
👴🏾 শিক্ষক: কোন অবস্থাতেই সম্ভব না তবে একটি বড় নৌকা দিয়ে পার হওয়া যাবে।
👦🏻 ছাত্র: এটাও হয়নি স্যার, আপনি সাঁতরে সহজেই নদী পার হতে পারবেন, কারন কুমীর গুলোও সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে।😝
👴🏾 শিক্ষক: হতচ্ছাড়া, তোর জন্মদিন ভুলিয়ে দেব 😡

😂😂😂😂😂😂😂😂


২।

একজন রাম মন্দিরে গিয়ে কাঁদছে আর বলছে আমার বৌ হারিয়ে গেছে , আমার বৌকে খুঁজে দাওগো ! রামচন্দ্রের খুব দয়া হলো  তিনি লোকটিকে দেখা দিয়ে বললেন পাশে হনুমানের মন্দির আছে সেখানে যাও ,বৌ হারানোর case গুলো ওই দেখে ,আমারটাও ওই খুঁজে দিয়েছিল !!!!!



৩।

পুরুলিয়া স্টেশন.. বিকেল তখন প্রায় সাড়ে পাঁচটা।
.
.
.
.
.
.
.
হঠাৎ এক হকারের চিৎকারে ফিরে তাকাতে বাধ্য হলাম।
.
.
.
.
.
.
.
.
আসুন দাদা নিয়ে যান কেউটের খাঁচা.. কেউটের খাঁচা..
রঙবেরঙের কেউটের খাঁচা..
.
.
.
.
.
.
.
সবচেয়ে সস্তা.. একবার ভেতরে পুরে দিলে আপনি না বের করা পর্যন্ত মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না..
.
.
.
.
.
.
.
মনে বেশ কৌতুহল নিয়ে ভিড় ঠেলে এগিয়ে যা দেখলাম তা রহস্যময়।
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
লোকটা জাঙ্গিয়া বিক্রি করছে !! 😜


৪। 

*দাদা কেমন আছেন?*

*--- আর কেমন থাকব বলুন, চারিদিকে এই facebook আর whatsapp এর ন্যাকামো দেখে ঘেন্না ধরে গেল মশাই! ভালো কথা, ন্যাকা বলতেই মনে পড়ে গেল.. আপনার মেয়ে কি করছে এখন?*

*— আর বলবেন না, পড়ছে তো একটা কলেজে  কিন্তু কিছু খচ্চর ছেলে এমন জ্বালাচ্ছে যে কি বলব..!! ভালোকথা খচ্চরের কথায় মনে পড়ল... আপনার বাবা এখন কেমন আছেন?*

*— বাবার কথা আর বলবেন না! কানে শোনে না, বাতের ব্যাথা, হার্টের সমস্যা...পুরো গাধার খাটনি খেটে যাচ্ছি !!  গাধার কথায় মনে পড়ল, আপনার ছেলে এখন কি করছে?*

*— ওর কথা আর বলবেন না, পুরো কুলাঙ্গার হয়েছে। ভালো কথা কুলাঙ্গারের কথায় মনে পড়ল.. আপনার ভাই এখন কি করছে ?*

*— ওর কথা আর বলবেন না, ঐ শয়তানের কথা আলোচনা করতেও লজ্জা করে ! ভালো কথা, শয়তানের কথায় মনে পড়ল, আপনার মিসেস কেমন আছেন?*
😡👊👊🔨💣💥🐐🐕🌵😕💤👊👊🐖🐖

..... এরপর কি হয়েছিল তা দেখা বা শোনার জন্য আর দাঁড়াইনি !!


৫।


"পঞ্চাশতম বিবাহ বার্ষিকী পালন করছেন দুই বৃদ্ধ দম্পতি। বৃদ্ধ আবার খুব রোমান্টিক, স্ত্রীকে নাম ধরে না ডেকে ডাকছেন 'জানু' 'জান' 'সুইটু' 'সোনা' ইত্যাদি। এটা দেখে বাকি কাপলদের অবস্থা দফা রফা। স্ত্রীরা তাঁদের স্বামীদের বলছেন, 'শিখো! এই বয়সেও স্ত্রীকে জান, জানু নামে ডাকেন। আর তুমি! আনরোমান্টিক কোথাকার!'

সব পুরুষেরা এসে বৃদ্ধকে ধরলেন।
'কি ব্যপার দাদু! এত বছর পরেও আপনি এত রোমান্টিক! রহস্যটা কী?'

বৃদ্ধ বললেন, 'রহস্য টহস্য কিছু না রে বাবা, গত দুই বছর ধরে আমি বুড়ির নাম মনে করতে পারছিনা, তাই এইসব নামে ডাকছি।"

সংগ্রহ -
 রিয়া চক্রবর্তী 
মালদা

Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.