x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭

রাবেয়া রাহীম

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
রাবেয়া রাহীম
 শেখালে তুমি 

শেখালে তুমি কেমন করে পেতে হয় কষ্টের নীল উৎসব
শঙ্খচিল উড়ে যাওয়া দেখে নীরবে কেঁদে
রাজ হংসের মত স্রোতে ভাসতে হয়,
আরও শেখালে অবাধ্য ইচ্ছে গুলো সঙ্গী করে
নিয়মের উঠোন ডিঙিয়ে
কি করে এক মুঠো জোছনা পেতে হয়
শিখিয়েছো, অবিনশ্বর আত্মা জ্বালিয়ে
কি করে পবিত্র করতে হয়
তাই বুঝি অন্ধের মতো তোমার অনুগত হয়েছি।


 কোথাও নেই যেন কেউ 

পৃথিবীর প্রতি সব আকর্ষণ যখন অকার্যকর
 ঈশ্বরীয় শূন্যতা সঙ্গী করে উড়তে থাকি ফানুসের মত
ওজোনস্তর ডিঙিয়ে চলে যাই নিমিষে অচেনা আরেক পৃথিবীতে
আদরে- প্রেমে,আকর্ষণে।।
সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত, মাস থেকে বছর, বছর থেকে যুগ
ভ্রান্তির ঘেরা কারাগারে ভাষাহীন, আদিম এক বোবা গর্জন
ঝরা পাতাদের মাড়িয়ে নিশাচর বিড়ালের ছন্দ
নিস্তব্ধ মাঝ রাতে দেয়াল ঘড়ির টিক্ টিক্
গুমোট বাতাসে ছুটে চলা ট্রেনের শব্দ
আহ! সময় কেটে যায়- কি নিদারুণ নিশ্চুপ !
স্থির দাঁড়িয়ে চলমান পরিবর্তনের সাক্ষী
চমকে ওঠা স্পর্শিত শিহরনে উথাল পাথাল ঢেউ
ডুবিয়ে মনের বালিয়াড়ি থৈ থৈ গোপন নদীর জল
কোথাও নেই যেন কেউ !!


 আহত দর্শক 

 জিরোগ্রাউন্ডে দাঁড়িয়ে শুনেছি স্বজনের শোকাতুর কান্ন
দেখেছি যুদ্ধ বিদ্ধস্ত সকল জনপদের বয়ে যাওয়া রক্ত স্রোত
পলকহীন চোখে তাকিয়ে রয়েছি নিভৃত মাতমে জর্জরিত
শোকাতুর প্রিয়তমার ধুসর ক্লান্ত দুটি চোখে
চাপা কান্নায় স্তব্দ ক্ষত বিক্ষত রক্তাক্ত শরীর দেখেছি
পাথরে খোদাই করা নামের উপর।।
শান্ত নিরিবিলি সুনসান নিরবতায়
সুরক্ষিত নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতর
টকটকে লাল গোলাপ ছিল দুঃস্বপ্নের রক্তঝরা অাতঙ্ক
আর আমি ছিলাম শুধুই আহত দর্শক ।।


 অশরীরী 

নিদ্রাহীন নিশুতি রাতের প্রেমকাব্য রূপে
সমর্পিত হয়েছি অন্ধ বিশ্বাসে তোমার--
স্নিগ্ধ ভোরের আদরমাখা পরশে
সকল ভ্রান্তি বিলীন হয়েছে
নিখাদ ভালোবাসায়
নিঃস্ব হবার ইচ্ছেতে অপার্থিব আবেশে
এক হয়েছি তোমাতে !
গভীর রাতে স্বপ্নহীন এই আমাকে
ভালোবাসার বাহুডোরে আঁকড়ে--
তোমার শর্তহীন এতটা ভালোবাসা দাও
শূন্যতার পূর্ণতা যেন পাই-!
পৌরাণিক চুম্বনের -অভিন্ন আত্মা হয়ে আদি-অন্তহীন --
ভালবাসার মহাসমুদ্র মন্থনে মাতম তুলো হৃদয়ে আমার
শরীরি বা অশরীরী !!





Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.