x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৭

পাপড়ি গুহ নিয়োগী

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
সন্তান
রীনাদির স্বামী হঠাৎই চলে গেলেন। অগত্যা রীনাদিকে সেলাই এর কাজ, টিউশনি, আচার বানানো এইগুলো কাজও করতে শুরু করতে হলো। প্রাণপাত করে ছেলে-মেয়েকে বড় করেছে রীনাদি। ছেলেটা চাকরি পেয়েছে কলকাতায়, মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেছে।

হঠাৎ একদিন ছেলে মেয়ে একসঙ্গে এসে হাজির। রীনাদি অবাক হয়ে বললো, ”কী রে, তোরা দু’ভাই বোন একসাথে? খবর দিস নি কেন?”

মেয়ে বললো, “তোমাকে দেখতে এলাম, মা।”

রীনাদি কিছু বুঝে উঠতে পারলো না, হঠাৎ ওরা দু’জন একসাথে এসেছে, শুধু মা’কে দেখতে? রীনাদির একটু খটকা লাগলো, জীবনের এবড়ো খেবড়ো রাস্তায় চলতে চলতে পায়ের তলা রক্তাক্ত হয়েছে তার । সে এটাও জানে যে, সবকিছুই সময়ের হাতে ছেড়ে দিতে হয়। রীনাদি যেন অপ্রাসঙ্গিক ভাবেই বললো, “রোদ পড়ে যাচ্ছে, আমার ছায়াটাও কেমন দীর্ঘ হচ্ছে। ক্রমশঃ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর।”


অনেক রাতে রীনাদি একটা ফিস ফিস কথার আওয়াজ শুনতে পেল । ছেলে আর মেয়ে আলোচনা করছে,“বাড়িটা বিক্রি করে আমরা টাকা ভাগ করে নিই। মা তোর আর আমার কাছে পালা করে থাকবে।”  রীনাদি কিছুক্ষণ স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো, তারপর ধীরে ধীরে চলে এলো নিজের ঘরে। 

পরদিন রীনাদির আর কোন খোঁজ পাওয়া গেল না। মেয়ে মায়ের ঘরে গিয়ে টেবিলের ওপর একটা ছোট্ট চিঠি পেল, রীনাদি লিখেছে– “আমি যেভাবে তোমাদের বড় করেছি, সেভাবে তোমরা তোমাদের ছেলেমেয়েদের বড় কর না। ভালো থেকো। ইতি তোমাদের মা।”









Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.