x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৭

পাপড়ি গুহ নিয়োগী

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৭ |
সন্তান
রীনাদির স্বামী হঠাৎই চলে গেলেন। অগত্যা রীনাদিকে সেলাই এর কাজ, টিউশনি, আচার বানানো এইগুলো কাজও করতে শুরু করতে হলো। প্রাণপাত করে ছেলে-মেয়েকে বড় করেছে রীনাদি। ছেলেটা চাকরি পেয়েছে কলকাতায়, মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেছে।

হঠাৎ একদিন ছেলে মেয়ে একসঙ্গে এসে হাজির। রীনাদি অবাক হয়ে বললো, ”কী রে, তোরা দু’ভাই বোন একসাথে? খবর দিস নি কেন?”

মেয়ে বললো, “তোমাকে দেখতে এলাম, মা।”

রীনাদি কিছু বুঝে উঠতে পারলো না, হঠাৎ ওরা দু’জন একসাথে এসেছে, শুধু মা’কে দেখতে? রীনাদির একটু খটকা লাগলো, জীবনের এবড়ো খেবড়ো রাস্তায় চলতে চলতে পায়ের তলা রক্তাক্ত হয়েছে তার । সে এটাও জানে যে, সবকিছুই সময়ের হাতে ছেড়ে দিতে হয়। রীনাদি যেন অপ্রাসঙ্গিক ভাবেই বললো, “রোদ পড়ে যাচ্ছে, আমার ছায়াটাও কেমন দীর্ঘ হচ্ছে। ক্রমশঃ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর।”


অনেক রাতে রীনাদি একটা ফিস ফিস কথার আওয়াজ শুনতে পেল । ছেলে আর মেয়ে আলোচনা করছে,“বাড়িটা বিক্রি করে আমরা টাকা ভাগ করে নিই। মা তোর আর আমার কাছে পালা করে থাকবে।”  রীনাদি কিছুক্ষণ স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো, তারপর ধীরে ধীরে চলে এলো নিজের ঘরে। 

পরদিন রীনাদির আর কোন খোঁজ পাওয়া গেল না। মেয়ে মায়ের ঘরে গিয়ে টেবিলের ওপর একটা ছোট্ট চিঠি পেল, রীনাদি লিখেছে– “আমি যেভাবে তোমাদের বড় করেছি, সেভাবে তোমরা তোমাদের ছেলেমেয়েদের বড় কর না। ভালো থেকো। ইতি তোমাদের মা।”









Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.