x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৭

পাপড়ি গুহ নিয়োগী

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
সন্তান
রীনাদির স্বামী হঠাৎই চলে গেলেন। অগত্যা রীনাদিকে সেলাই এর কাজ, টিউশনি, আচার বানানো এইগুলো কাজও করতে শুরু করতে হলো। প্রাণপাত করে ছেলে-মেয়েকে বড় করেছে রীনাদি। ছেলেটা চাকরি পেয়েছে কলকাতায়, মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেছে।

হঠাৎ একদিন ছেলে মেয়ে একসঙ্গে এসে হাজির। রীনাদি অবাক হয়ে বললো, ”কী রে, তোরা দু’ভাই বোন একসাথে? খবর দিস নি কেন?”

মেয়ে বললো, “তোমাকে দেখতে এলাম, মা।”

রীনাদি কিছু বুঝে উঠতে পারলো না, হঠাৎ ওরা দু’জন একসাথে এসেছে, শুধু মা’কে দেখতে? রীনাদির একটু খটকা লাগলো, জীবনের এবড়ো খেবড়ো রাস্তায় চলতে চলতে পায়ের তলা রক্তাক্ত হয়েছে তার । সে এটাও জানে যে, সবকিছুই সময়ের হাতে ছেড়ে দিতে হয়। রীনাদি যেন অপ্রাসঙ্গিক ভাবেই বললো, “রোদ পড়ে যাচ্ছে, আমার ছায়াটাও কেমন দীর্ঘ হচ্ছে। ক্রমশঃ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর।”


অনেক রাতে রীনাদি একটা ফিস ফিস কথার আওয়াজ শুনতে পেল । ছেলে আর মেয়ে আলোচনা করছে,“বাড়িটা বিক্রি করে আমরা টাকা ভাগ করে নিই। মা তোর আর আমার কাছে পালা করে থাকবে।”  রীনাদি কিছুক্ষণ স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো, তারপর ধীরে ধীরে চলে এলো নিজের ঘরে। 

পরদিন রীনাদির আর কোন খোঁজ পাওয়া গেল না। মেয়ে মায়ের ঘরে গিয়ে টেবিলের ওপর একটা ছোট্ট চিঠি পেল, রীনাদি লিখেছে– “আমি যেভাবে তোমাদের বড় করেছি, সেভাবে তোমরা তোমাদের ছেলেমেয়েদের বড় কর না। ভালো থেকো। ইতি তোমাদের মা।”









Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.