x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭

নাসির ওয়াদেন

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭ | | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
 একটি ভাষার আত্মানুসন্ধান ও তার দীপ্তিময়তা


অপসৃত সূর্যরশ্মি যেমন পশ্চিম দিগন্তে কমলালেবুর রঙ ধারণ করে হৃদয়কে রঞ্জিত করে, এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্ধ্যানীশ অন্ধকার ধীরে ধীরে বেলাভূমিতে সাদা চাদর বিছিয়ে চাঁদকে আহ্বান জানায়, তেমনি ভগ্ন বৃক্ষের ডালে শোকাহত বলাকার অগ্নি রং ধবল জোৎস্নার মিলিত সৌন্দর্যের রূপে প্রতিভাত হয়ে ওঠে । নির্জন অরণ্যে শুকনো পাতার মর্মর ধ্বনি নীল দিগন্তে তির ছুঁড়ে মারে অদৃশ্য আকাঙ্খা । নিবিড় অন্ধকার গুহা গুম্ফাতে জ্বলন্ত কাষ্ঠের অগ্নি উত্তাপে বিকীর্ণ আভাগুলো পর্বত গাত্রে বিম্বিত হয়ে বর্ণচ্ছটার রূপ ধারণ করে । আকীর্ণ পর্বত গুহাঘরে নৈঃশব্দের মধ্যে কিছু সচল প্রাণের চলাফেরাকে কেন্দ্র করেই বেজে ওঠে ধ্বনি ---শৃঙ্খলিত ধ্বনির বাহ্যিক রূপ কল্পনার রূপ সায়রে ভাসতে ভাসতে জেগে ওঠে স্থলভূমিতে ---নভোশ্চরের প্রতিভাস ধ্বনি কৈবল্য তন্ত্রের আবহে ঝংকৃত হয়ে অনুরণন তোলে মস্তিষ্কের তন্ত্রী নালিকাতে ---অস্ফুট আকুতি বিমিশ্রিত হৃদযন্ত্রে উথিত স্বর --কণ্ঠ -তালব্য-মুর্ধ্যা-দন্তের অগ্র পশ্চাৎ মধ্য প্রান্তে ঘাত-প্রতিঘাতে নব ঝংকারের পরিস্ফুটন ঘটায় ।

এক নবজাতক মাথা তুলে অসীম জগতে এর বাহ্যিক রূপ নিরীক্ষণ, বীক্ষণ ও প্রত্যাদর্শনের মধ্যে জানতে চায় সবকিছু, জেগে ওঠে ফিসফিসানি --নতুন স্বরবৃত্তীয় শ্বাসযন্ত্রের কণ্ঠ-ধ্বনি, ভাষা --এক মাধুরী মিশ্রিত জীবনের আনন্দ উপভোগ্য কোমল কান্তি চেহারা --ভাষা ভাবের বাহন --মনের স্পষ্টতা, আকাঙ্খা, লিপ্সা, আদর-অনাদর, চাহিদা-বঞ্চনার স্পষ্টতঃ অংশ্য-মান। চিত্রকল্প বা রূপক ধ্বনির সাহায্যে প্রকাশ্যে ও সর্বজনের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বপন করে, অসংখ্য হৃদ কক্ষে বিস্তার ঘটানোর প্রয়াসে জেগে ওঠে, লালিত পালিত হয়ে বৃক্ষের রূপ ধারণ করে ।

ভাষার ইতিহাস আলোচনা প্রসঙ্গে আমাদের জানা ও বোঝা পড়া হয়েই থাকে যে, প্রাচীন কাল তথা সৃষ্টির যুগ থেকে প্রাণের উৎপত্তি হওয়ার মধ্য দিয়ে জীবকুলের বৈচিত্র্যময় বহুরূপতা ভেদ করে নানা প্রান্তে নানান ধ্বনির সৃষ্টি । বর্ণমালার সৃজনে গুচ্ছ গুচ্ছ ফুল সম্মিলিত ভাবে বাক্য বিন্যাসের ভেতর দিয়ে নতুন ভাষার উৎপত্তি । ভাষা সৃষ্টির মূলে ধ্বনির আভিজাত্য । ধ্বনিবাদীরা ধ্বনিকে দু'ভাগে বিভক্ত করে-অবিবক্ষিত বাচ্যধ্বনি ও বিবক্ষিতান্যপর বাচ্যধ্বনির রূপ দেওয়ার প্রয়াস করেছেন । অর্থ বা শব্দ নিজেদের প্রাধ্যান্য পরিত্যাগ করে ব্যজ্ঞিত অর্থই অভিপ্রেত বাচ্যে রূপ পায়, অপরদিকে বাচ্যার্থের অর্থকে উদ্দিষ্ট করেও অন্য একটি অর্থকে ব্যজ্ঞিত করে বিবক্ষিতান্যপর বাচ্যধ্বনির রূপ চিত্রিত হয় ।

বাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় রূপকে প্রকৃষ্ট ভাবে মনের ইচ্ছা, ভাব, ভঙ্গি, মূর্ত কল্পে প্রাণ প্রতিষ্ঠার মধ্যেই ভাষার স্রোত প্রবাহিত হতে থাকে । বাক্যের শুদ্ধতা, বহুরূপতা, চিত্রময়তা, ধ্বনি সাদৃশ্যতাকে নিরীক্ষণ করে ত্রি সূত্রের ভেতর দিয়ে ভাষা-প্রবাহে গতি সঞ্চারমান।-যোগ্যতা, আকাঙ্খা,ও আসক্তির প্রসঙ্গে আচার্য বিশ্বনাথ বলেছেন --বাক্যং স্যাৎ যোগ্যতা --আকাঙ্খা --আসক্তি -যুক্তঃ পদোচ্চয়ঃ।সরল,যৌগিক ও জটিল বা মিশ্র গঠনিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে নিরন্তর সাঁতার কেটে শৈবাল দাম অপসরনের মধ্য দিয়ে গতিময়তা ছুঁয়ে এগিয়ে চলেছে ভাষা । 

প্রাচীন ভাষা বিবর্তনের পথ ধরে ঘাত-প্রতিঘাতে গড়াতে গড়াতে বিভিন্ন ভাষা -বিভাষা ও উপভাষার ভেতর দিয়ে মনের ইচ্ছার প্রকাশ বা উদ্রেক ঘটায় । আদিম সংকেতধর্মী, চিত্রধর্মী ভাষার রূপ ও রীতি পাল্টে পাল্টে শব্দার্থ তত্ত্ব বা semantics সৃষ্টি হয়েছে । আধুনিক বাংলা ভাষার আবির্ভাব কোন পথে --এ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক থাকতেই পারে । তবে প্রাচীন ভাষার ক্ষেত্রভূমি হতে উৎপন্ন হয়ে তৎসম, তদ্ভব, প্রাকৃত, মৈথিলী, অপভ্রংশ-অবহটঠ্ নানা চক্রের সাথে ঘর, সংসার করে বাংলার উঠোনে আগত হয়েছে বলা অমূলক নহে । আঞ্চলিকতার আবহে জল হাওয়ার সাথে মৃত্তিকার রূপ, রস, গন্ধের সৌন্দর্যের ছোঁয়ায় আবর্তিত রূপ প্রাধান্য পেয়েছে । সাদৃশ্য, সংস্কার, আরাম-আয়াস, আলংকারিক পরিমণ্ডলে রূপান্তরিত হয়ে অর্থবিস্তার,কিংবা সঙ্কোচনের কোপে সংক্রামিকতা লাভ শব্দের ভাণ্ডার । বাংলাধ্বনির নানা পরিবর্তন ও পরিবর্জন ঘটেছে, পরিবর্ধিত হয়েছে কথকতার মধ্যে ।আনুমানিক ১৫০০ বছর আগে আর্যগোষ্ঠী এসে আর্য ভাষার সৃষ্টি করে, পরবর্তীতে ভৌগোলিক বর্গীকরণের মধ্য দিয়ে আনুমানিক ৯০০--১০০০ খ্রীষ্টাব্দে বাংলা ভাষার সৃষ্টি । কেউ কেউ বলেন, বাংলা ভাষার উৎপত্তি স্থল মাগধী অপভ্রংশ অবহটঠ্; আবার কারও মতে আদর্শ কথ্য প্রাকৃত থেকে ।

ভাষা প্রসঙ্গে চর্চা বা চর্বণ কালে আমরা বাংলা ভাষাকে প্রাধ্যান্য দিতে গিয়ে বলতে পারি যে, বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার মধ্যে বাংলা ভাষা বিশিষ্ট স্থান দখল করে নিয়েছে । যে ভাষার জন্য রক্তস্রোত বয়ে গেছে, জীবনের মূল্য দিতে হয়েছে, জীবন উৎসর্গ করে অমল জ্যোতি কিরণ দিয়ে পুষ্ট হয়েছে তার অবয়ব, সেই ভাষার আন্তর্জাতিকীকরণে, সমস্ত ভাষার মাতৃ হৃদয়ে মাতৃ হৃদয়ে উথিত ভাষাকেই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। এ শুধু গৌরবের নয়, আত্ম নিবেদন, আত্ম বলিদানের স্বীকৃতি ।

        ভাষার হাত দিয়ে কবির কাব্য জগতের আবির্ভাব । সাধারণের ভাষা থেকে কাব্যের ভাষার গুণগত পার্থক্য যথেষ্ট লক্ষিত হচ্ছে । এ প্রসঙ্গে প্রাগের নন্দন তাত্ত্বিক ইয়ান মুকারভস্কি বলেছেন, Poetic language is a different from of language. মূলতঃ লেখক, কবি, সাহিত্যিকগণ নিজের মসী স্খলনের ভেতর দিয়ে ভাষার শরীরে নানা আলংকারিক রূপ সজ্জিত ছন্দের মাধুর্য ও শিষ্টাচার উন্নীতকরণে সহজ সরল ভাবে ও ছন্দ বিন্যাসে নতুন নতুন শব্দের সুপ্রয়োগ ঘটিয়ে ভাষার শারীরিক সৌষ্ঠব গুণান্বিত করে তোলা হয়েছে । অস্ট্রেলীয় লেখিকা এলিজাবেথ কস্টেলো এক বিশিষ্ট ভাষার অনুসন্ধানের কথা বলেছেন, যে ভাষার মধ্যে নেই কোন জড়তা, বাগাড়ম্বর বা শব্দের প্রতুল বাহার । মূলতঃ দার্শনিক ভাষা, যে ভাষায় দর্শনের চাষ করে দার্শনিক তত্ত্বের ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে । জলবৎ তরলং, স্বচ্ছ অথচ রূঢ় বাস্তবতায় প্রোথিত এবং দুরূহ, কঠিন, কখনও বা শাণিত ধ্যান ধারণার বাহক । ভাষার মাধ্যমে কেবল জাগতিক রহস্য উন্মোচিত হয় না, তাকে অবচেতন এবং অনুভূতির ধারক ও বাহক করে তোলাও চ্যালেঞ্জের । পরিপার্শ্বিক জগতের বোধকে মানসিক ও মানবিকতার জগতে পৌঁছে দেওয়া far shore এ নিয়ে যাওয়াও ভাষার লক্ষ্য ।সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রয়োজন রূপান্তরের --এক আশ্চর্য ক্ষমতা যা শুধু আঙ্গিকের বদল নয়, মানসিকতা ও মানবিকতাকে রূপান্তরিত করা । ভাষার রূপান্তর নানাভাবে নানা চিন্তার ভেতর --, টমাস নাগেল যে কথাটি বলেছিলেন, What is it like to be a bat? বাদুড়ের মতো নয়, বাদুড় হয়ে যাওয়ার অনুভূতি কী রকম --

             আধুনিক বিশ্বের সমাজের কল্যাণ সাধনে বৃহত্তর রাজনৈতিক মতবাদগুলি দুর্বল হয়ে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয় রাজনৈতিক শক্তির উৎস হয়ে উঠেছে । বিশেষতঃ ভারতে জাতি তত্ত্বের বিরোধ প্রকট ও সুদূর প্রসারী।হিন্দি-অহিন্দি বিতর্ক, মৈথিলী-হিন্দি বিতর্ক, বাংলা-ওড়িয়া দ্বন্দ্ব, দ্রাবিড়িয়ান-আর্য বিতর্ক গুলির ভেতর দিয়ে একদিন ভাষাও জাতিকে পরস্পরের পরিপূরক করে আঞ্চলিক ভাষা ভিত্তিক প্রাদেশিকতাবোধ জাগরিত হয়েছে । ভাষা ব্যক্তির সমাজের বুকে চাপিয়ে দেওয়ার অপকৌশল রুখতে মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছে কালে কালে ।

অধ্যাপক মাইকেল উইটজেল বলেন যে, ভাষাতত্ত্ব. নৃতত্ত্ব. প্রত্ন তাত্ত্বিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক অপরাপর তথ্যের সরবরাহ, ভৃ তাত্বিক অনুসন্ধানলব্ধ ফল বহু বিষয়কে যুক্ত করে আবর্তিত হচ্ছে । ভাষাতত্ত্ব ভাষার কাঠামো ও বিবর্তনের গতি প্রকৃতি লক্ষ্য করে একটা সম্ভাব্য ধারণা উপস্থাপিত করে মাত্র।

           ভাষার বিবর্তিত অবয়ব থেকে নতুন পথের সন্ধান । রবীন্দ্রনাথ বলেছেন : 'কেহ নাহি জানে কার আহ্বানে কত মানুষের ধারা /দুর্বার স্রোতে এল কোথা হতে সমুদ্রে হল হারা '--দার্শনিক চিন্তা, মেটাফরিক ভাবনা. মানুষের নৈতিক চেতনা বৃদ্ধির জন্য ভাষা কালক্রমে রূপান্তরিত হতে থাকে । দার্শনিক হিটগেনস্টাইন জানতে চেয়েছেন যে -Why is there something rather than nothing? ভাষা যেমন তত্ত্ব কথা শেখায়. তেমনি বাস্তব জীবনের কথাও ভাষার মাধ্যমে উপলব্ধিতে আসে । অপার বিস্ময়ের কথা, সৃষ্টি রহস্যের ও জ্ঞান চর্চার কথা যেমন শেখানো হয়ে থাকে. তার সাথে সর্বোপরি অতি প্রয়োজন বাস্তবিক জ্ঞানচর্চা. যা জীবন ধারণে জীবনের অস্তিত্ব রক্ষার্থে. মানুষের শারীরবৃত্তীয় কাজের উপযোগী। মানুষের বোধ জাগ্রত হয় ভাষার সুনিপুণ ব্যবহার্যে --বোধ নাড়িয়ে থাকে সাধারণ ধারণা থেকে, যা cognitions এটি প্রত্যক্ষন (perceiveing)কল্পনা (Imagining)যুক্তি (Reasoning) , ও বিচারাবোধ(Judging)এর ভেতর । যাই হোক, ভাষা আন্দোলন এক ঐতিহাসিক মাইলফলক । ' মুক মুখে দিতে হবে ভাষা '--যার ভেতর দিয়ে সত্বার বিকাশ ঘটবে --তাইতো আজও আমরা ভুলতে পারি না --"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারিকে "। বাংলাভাষা উচ্চারিত হলে হৃদয়ের উঠোনে আলোর বন্যা-স্রোত দ্যুতি ছড়িয়ে আকাশে বিলীন হয় । ''সে সব কষ্টের কথা আজ কেন, বোঝানো যাবে না কোনওদিন ''  -শরৎ কুমার মুখোপাধ্যায় লিখেছেন আমাদের উদ্দেশ্যেই ।আমার প্রতিবাদের ভাষা যদি হারিয়ে যায়, কেড়ে নিতে চায় বাহুবলী শক্তিরা. তাহলে কান্নার ভেতর গুমরে গুমরে মাথা তুলবে দ্রোহের ধ্বজা,লড়াই শেখাবে ইচ্ছাশক্তি । রক্তে মাখা পোশাক পরে বিশ্বাসের রথে চড়ে মুক্তির নিশানা হাতে ভাষা নদী এগিয়ে যাবে হৈ-হট্টগোলের রাস্তায়, সূর্য বলয়ে নৈঃশব্দের ফুল পাপড়ি রূপে । তাই বলতে বোধ বাধ্য করল--একুশ ভেজায় বাংলা মায়ের রক্ত লাগা মাটি / এই একুশেই  নতুন করে গাইব মিলন-গীতি ।

Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.