x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭

বিদিশা সরকার

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
বিদিশা সরকার
৩।
ফাঁকফোঁকরগুলো আসলে গোঁজামিল। চৌকসের মুখে দোকানদারের হাসি। এসবে অভ্যস্ত হতে হতে নিজের মানদণ্ড বিষয়ে সন্দেহ স্বাভাবিক।যাচাই করতে গিয়ে যদি ঈশ্বরই মিথ্যে হয়ে যায়। এক্ষেত্রে প্রমাণপত্র হাতে উভয়ত। ... হারিয়ে গেলে নসীবকে ,চুরি গেলে সন্দেহভাজনকে ক্ষমাই যদি শেষ কথা-- তবে হঠকারিতার দায় নেবে কে ? সন্ধ্যারতির আয়োজন করে তাঁর কাছে দাঁড়াতেই খসে পড়ল একটা একটা করে সব গয়না। যা তাঁরই দেওয়া। প্রসাধন মুছে দেওয়ার তদ্বির দেখে পরবর্তী আয়োজনের শঙ্কায় অনুরাগের পৃষ্ঠাগুলো ছিঁড়ে ফেলতেই আক্ষেপানুরাগ। এভাবেই একটা একটা করে বিক্রিয়ার দহনে পুড়ে গেছে সব সন,তারিখ। তাঁর আসা-যাওয়ার গোপনীয়তা সম্পর্কে একটা কথাও বলব না। আমি তাকে অবিশ্বাস করি বলেই হয়ত আমার প্রতি তাঁর বিশ্বাস ক্রমবর্ধমান । 


৪।

বরাদ্দের বাইরে আসক্তির আহ্লাদ ভেট পাঠিয়েছিল, লজ্জাবস্ত্রের সঙ্কুলান সমর্পণের অজুহাত ছাড়া কিছু নয়। স্থায়ী- অন্তরার আপোষ রেশ ধরে রেখেছিল মধ্যযাম অবধি। মহিমা কি সহজে ধরা দেয়।অন্তর্দৃষ্টির পরখ অভুক্তের দিন গণনায় বসে। তোমার অভয় আমার সঞ্চয়ে মধুক্ষরা। পরাগধানীতে শিশিরবিন্দু আর রুদ্রাক্ষে এক আকাশ সমাজচেতনা। তোমার অবস্থানের এক ধাপ নীচে বসে সুজাতা-প্রত্যয় ! অসার বোধের পরিবেদনায় তোমার দিব্যদৃষ্টি দোয়াত উপুড় করে নীল ফতোয়ায়। পাহাড় ডাকলে তুমি বার বার ফিরে যাও শীতের শহরে , উপেক্ষায় অপ্রস্তুত নই। 


 ৫।

ঈশ্বর আপনি অপেক্ষা করছিলেন, যেমন লাস্ট লোক্যাল ট্রেনের জন্য কর্মজীবী, ধর্মজীবীরা। আমি প্রবেশ করতেই গাত্রোত্থান। বিষয়টা দায়সারা অনুমান করেই দেরিতে আসা। আপনার চর্যায় সন্ন্যাস, আর এই অধমের ... ঐহিকে। 

সারা পাড়া জুড়ে মিষ্টান্নের ঘ্রাণ। গোপন করিনি আপনার বোধিলাভের সুপ্ত ইচ্ছা। কামিনী আতপের বীজ ধান। দুগ্ধ সরবরাহের উৎসমুখে এক চণ্ডাল শাসন করছিল উপর্যুপরি সরবরাহের চাবুকে। ঘনত্বের অপেক্ষায় আপনার অধৈর্যের চোখ থেকে ঠিকরে পড়ছিল অভিসম্পাতের লক্ষণগুলি। উপসংহারে একটা লঙ্গর লাগিয়ে ফিরে যাওয়ার পথে একবার পিছন ফিরেছিলেন। অর্থাৎ প্রত্যয়ে অভ্যাস। বীজ রোপণের দিনক্ষন গর্ভে মাটি ফেলছে, জৈবসার। ক্রমশঃ উর্বরতা অনুমান করে ফিরে যাচ্ছি আঁতুড় ঘরে।


১ম পর্ব ঈশ্বরের সঙ্গে প্রেম


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.