x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৬, ২০১৭

শুক্লা মালাকার

sobdermichil | জানুয়ারী ২৬, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
 শুক্লা মালাকার একবার প্রাণখুলে হাসতে চাই জীবন- 

নিজেকে গুটিয়ে রাখতে রাখতে
স্বপ্নেরা জামা খুলে রাখে হাইরাইজে-
একথা কতযুগ আগে বলেছিল কেউ
কে বলেছিল? আজ মনে নেই
প্রেম থেকে অভিমান, অভিমান থেকে দূরত্ত্বে জাড়িত হতে হতে
বোতলবন্দী রঙিন স্পঞ্জবল – ‘কিছু না’ হয়ে আছি।

টিভিতে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলে
শব্দগুলো বড়ো চেনা মনে হয়
মাথার পোকারা নড়েচড়ে এঁকে রেখে যায়
চাহিদা যোগানের গ্রাফ- অমনি
পাটুলির ঝিল থেকে একঝাঁক হাওয়া এসে ভিজিয়ে যায় মন,
আমি মন নামিয়ে রাখি কাঁচের টেবিলে,
শরীর ডুবে যাওয়া সোফায়, মডিউলার কিচেনে।

সকলেরই গন্তব্য থাকে, কিছু গন্তব্য কলকাতার রাস্তায়
পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি উষ্ণতায় পুড়ে যায়
বাকিরা পৌঁছে যায় নিরুদ্বেগে
গ্যাস বেলুন হতে হতে বাহবা কুড়োয়
পুড়ে যাওয়ারা ছাই পেতে রাখে বিছানায়, কার্পেটে।

যারা এসেছিল তারা কারা?
আমার  কেউ তো নয়!
এই পাঁচতারা হসপিটালের কাঁচের জানালার বাইরে
মেঘেদের ছায়াশরীর, বব ডিলানের আধভাঙা গান হয়ে
ভেসে চলেছে নক্ষত্রপাড়ার দিকে
একটু পরে, মাঝরাতে, শত শত শূন্য স্তর পেরিয়ে
পরীরা জেগে উঠবে জানালায়
আমি কচিমেয়েটি হয়ে ম্যাজিক ওয়াণ্ড ঘোরাব।

পরীদের সাথে মহাশূন্যে উড়ে যাবার আগে
একবার প্রাণখুলে হাসতে চাই জীবন-

                         

 ভালোবাসার গল্প   

উজল চোখের হাসি
বলছে ভালোবাসি

ভালোইবাসো যদি
হতেই পারি নদী

নদীর জলের ধারা
দেখে আকাশ তারা

তারার ঘরের কাছে
চুপটি শুয়ে আছে

সবুজ সবুজ মন
গভীর গহীন বন    

বনের পথে চলি
কেমন করে বলি

ও মেয়ে তুই শোন্
যেন খুঁজিস নারে কোন

কোনের কাছাকাছি
খেলবি কানামাছি?

কানামাছির ঘোর
কাটবে যেদিন তোর

স্বপন ছেঁড়া ক্ষন
আর, মুঠোয় ধরা ফোন

ফোন বাসরের কথা
জ্বালবে নিরবতা

নিরব কোথায় পাবি
চাঁদ কুড়োতে যাবি?

চাঁদ কুড়োনো রাত
গভীর অবসাদ

অবসাদের বেলায়
ভালোবাসার খেলায়

পুড়লি পোড়ারমুখী
তখন কালবোশেখি।




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.