x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৬, ২০১৭

হোয়াটসঅ্যাপ ডিজিটাল জোকস

sobdermichil | জানুয়ারী ২৬, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
হোয়াটসঅ্যাপ ডিজিটাল জোকস

বৌ : আমি মরে গেলে.
তুমি কি আবার বিয়ে করবে..?

বর : না না...একদম না.
তুমিই আমার সব 👏

বৌ : তাহলে তোমার.
খেয়াল কে রাখবে....?
বিয়ে কোরো প্লিজ 😒

বর : আচ্ছা.
ঠিক আছে করব 😜

বৌ : নতুন বৌ কে.
আমার ঘরে নিয়েই থাকবে...?

বর : না না...এখানে তোমার. স্মৃতি জড়িয়ে আছে 👏

বৌ : ঘর ফাঁকা পড়ে থাকবে নাকি....?
আমার ঘরেই থেকো তোমরা 😒

বর: আচ্ছা 👏

বৌ : ও কি আমার.
জামাগুলো পরবে....?

বর : না না 😱

বৌ : তা ওগুলো কি আলমারির মধ্যে নষ্ট হবে...? পরতে দিও ওকে 😒

বর : হমমম দেবো 😜

বৌ : আচ্ছা ও কি আমার সুন্দর সুন্দর জুতো গুলোও পরবে....?

বর : ধুসস্ 🤗
জুতোগুলো হবে না 🤗
ওর 5 নং লাগে🤗
আর তোমার তো 6নং 🤗

বৌ : ব্যাটা হারামজাদা.
আগেই থেকেই সন্দেহ ছিল



#

ছাত্র: স্যার, আমি কি একটা প্রশ্ন করতে পারি?
শিক্ষক: কর!
ছাত্র: একটা আস্ত হাতিকে কিভাবে ফ্রিজে রাখবেন?
শিক্ষক: জানি না তো!
ছাত্র: খুব সহজ, আগে ফ্রিজটা খুলবেন, তারপর হাতিটাকে সাবধানে ঢোকাবেন, ব্যস। আরেকটা প্রশ্ন..
শিক্ষক: কি?
ছাত্র: একটা গাধাকে কিভাবে ফ্রিজের ভিতর রাখবেন?
শিক্ষক: খুব সহজ, ফ্রিজটা খুলবো, তারপর গাধাটাকে রেখে দেব, ব্যস।
ছাত্র: হয়নি স্যার, আগে হাতিটাকে বের করতে হবে তারপর.. !!
শিক্ষক: ওহহহো...তাইতো!!
ছাত্র: স্যার আরেকটা প্রশ্ন.. বনের সমস্ত পশুপাখি সিংহমামার জন্মদিনে নিমন্ত্রণ খেতে গেছে কিন্তু একজন ছাড়া। সেটা কে?
শিক্ষক: মনে হয় বাঘ! কারন একজন আরেকজন কে দেখতে পারে না।
ছাত্র: হয়নি স্যার, এটা হবে গাধা কারন সে তো এখনো ফ্রিজের ভিতর।
শিক্ষক: আমার সাথে মজা করা...না!
ছাত্র: না স্যার, আরেকটা শেষ প্রশ্ন... প্লীজ স্যার।
শিক্ষক: আচ্ছা বল..।
ছাত্র: জঙ্গলের ভেতর একটা নদী, যাতে অসংখ্য কুমীর থাকে, সেটা আপনাকে পার হতে হবে, কিন্তু কিভাবে?
শিক্ষক: কোন অবস্থাতেই সম্ভব না তবে একটি বড় নৌকা দিয়ে পার হওয়া যাবে।
ছাত্র: এটাও হয়নি স্যার, আপনি সাঁতরে সহজেই নদী পার হতে পারবেন, কারন কুমীর গুলোও সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে।😝
শিক্ষক: হতচ্ছাড়া, তোর জন্মদিন ভুলিয়ে দেব 😡



#


একটি মেয়ের সাথে এক বুড়োর ধাক্কা লেগে গেলো
বুড়োটা বললো-- Sorry
মেয়েটি বিরক্ত হয়ে বললো-- কানা নাকি, দেখতে পান না ?

এরপরই এই মেয়েটির সাথে এক সুন্দর যুবকের ধাক্কা লেগে গেলো

যুবকটি বললো-- Sorry
মেয়েটি বললো- Its Okay

বুড়োটা তখন মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করল, আমার Sorry টা তে কি spelling mistake ছিল ?



সংগ্রহ -
 রিয়া চক্রবর্তী 
মালদা


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.