x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৬, ২০১৭

রাবেয়া রাহীম

sobdermichil | জানুয়ারী ২৬, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
রাবেয়া রাহীম


 কোথায় যে হারিয়ে যাও তুমি 

বাঁধবে ঘর আমার সাথে?
খরস্রোতা নদীর গা ঘেঁষে ছোট্ট একটি টিলা উঠে গেছে,
তার উপরেই--
আড়ম্বরহীন একমুঠো ঘর, কুঁড়ে ঘরও হতে পারে,
পাশেই রৌদ্র ছায়ার লুকোচুরিতে এক চিলতে উঠোন
উঠোন বেয়ে ঠিক নীচেই সবুজ ধানের ক্ষেত--
হুহু করে বয়ে যাওয়া বাতাস;
বিকেলে গাঁয়ের হাট থেকে কিনে আনা কচুর শাক,
ছোট মাছ সেই সাথে তোমার প্রিয় মোচার ঘন্ট আর হিং দেয়া ডাল
কোমরে আচঁল পেঁচিয়ে শুকনো পাতায় করবো আটপৌরে রান্না।।

এই বনভুমে থাকবে আমায় নিয়ে?
উদোম পায়ে যখন তুমি নদীটির ওপারে যেতে থাকবে,
পায়ের তলার ছোটছোট নরম পাথরগুলো
নীচের দিকে ডেবে গিয়ে উপরে বুদবুদ উঠে,
তোমার পায়ের তালুতে সুড়সুড়ি দেবে,
সমস্ত বনভুম কাঁপিয়ে তুমি হা-হা করে হেসে উঠবে...
বুনো অরণ্য, থোকা থোকা সবুজের ঝোঁপঝাঁড়ে
অনুরাগের নির্জনতায় কেঁপে উঠবো দুজন এক সাথে,
তুমি চেয়ে দেখোনা---একটা ডিঙিও নেই এ তল্লাটে,
হাঁসের পালকে বোনা সাদা ডানায়
ভেসে যাবো জলের স্রোতের মাঝে।।

হবে আমার সাথে অরণ্যচারী?
রাত মূখর হবে ঝিঁঝিঁ পোকার কোলাহলে
ভেঁজা বাতাসে ভেসে আসবে জ্যোৎস্নার হাতছানী
ঝরা বকুল আর শিউলীরা সারারাত অস্ফুট সৌরভ ছড়াবে
নবীন সৌরভে সুরভিত হবো এক সাথে
জানি, এরপর তোমার মন ঠিক ভালো হয়ে যাবে
হয়তো তুমি ফিরতেই চাইবে না আর
সকাল সন্ধ্যা একটানা বৃষ্টিতে ভেঁজা,
রৌদ্রজ্জ্বল পদ্মপুকুরের পাশে
ঘাসফুলের নাচানাচি দেখবো হাতে হাত রেখে
কেরোসিনের কুপি জ্বালিয়ে সাজাব নিরাভরণ শয্যা;

রোদ বৃষ্টির ছাওনিতে বসে ভালবাসার বীজ বুনবে?
চলোনা একটা সাধারণ জীবন যাপন করি ।

এই দেখো, গল্প করতে করতে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যাই হয়ে গেল,
তোমার দেখা নেই,
কোথায় যে হারিয়ে যাও তুমি!!




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.