x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৬, ২০১৭

মলয় রায়চৌধুরী

sobdermichil | জানুয়ারী ২৬, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
মলয় রায়চৌধুরী

শুনেছি তাঁর মেজাজ মর্জি রাজকীয় । শুনেছি তাঁর প্রতিটি বাক্য কোটেবল । শুনেছি তাঁর কথার ধারে কেটে যায় আপাত নিরীহ জিজ্ঞাসা । দেখলাম তিনি স্ট্রেট ব্যাটে খেলেন । দেখলাম তিনি লোপ্পা ক্যাচ দেন না । দেখলাম তিনি আন্তরিক ডাকে সাড়া দেন স্নেহশীল বর্মের আড়াল থেকেই । দেখলাম তিনি ব্রাত্যজনেরও সখা । তিনি জীবন্ত কিংবদন্তী মলয় রায়চৌধুরী । পড়ুন তাঁর আনএডিটেড সাক্ষাৎকার এবারের শব্দের মিছিল এর ‘একমুঠো প্রলাপ’ এ । শব্দের মিছিল পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর সুস্বাস্থ্য কামনায় এক গবলেট চিয়ার্স । 

রাষ্ট্রের সাথে আপনার সম্পর্ক তো প্লেটোর তত্ত্বকেই প্রামাণ্য দেয় । কিন্তু প্লেটো যেটা জানতেন না তা হল মলয় রায়চৌধুরী রা নিজেরাই প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠেন । আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন ব্যাপারটা ? 




না, না । ভুল ধারণা । নিৎশে বলেছেন যে প্ল্যাটোর দর্শনের কারণেই খ্রিস্টধর্ম ইউরোপে ছড়িয়ে পড়তে পেরেছিল । প্ল্যাটোর শিক্ষক ছিলেন সক্রেটিস এবং ছাত্র ছিলেন অ্যারিস্টটল । সেইন্ট অ্যাকুইনাস খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য প্ল্যাটোর দর্শনের আশ্রয় নিয়ে ছিলেন । প্ল্যাটোই প্রথম প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনা করেছিলেন অ্যাকাডেমি স্হাপনের মাধ্যমে, যা রোমানদের সময় পর্যন্ত বজায় ছিল । আর এসট্যাবলিশমেন্ট বলতে বোঝায় ক্ষমতার কেন্দ্র । প্ল্যাটো তাঁর দর্শনের মাধ্যমে ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিলেন ; আমি কোনও ক্ষমতার কেন্দ্র নই । পশ্চিমবাংলায় ক্ষমতার কেন্দ্রে কারা । রাজনৈতিক দলগুলো, বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন, রামকৃষ্ণ মঠ, বাংলা অ্যাকাডেমি ইত্যাদি । আমি এই সমস্ত ব্যাপারে আউটসাইডার।

বিতর্ক কখনোই আপনার পিছু ছাড়ে নি । আপনি কেমন এনজয় করেন এটা ? বিতর্ক কি কিছুটা সচেতন ভাবে আপনার নিজেরই তৈরি না কি এটাকে ভবিতব্য হিসেবে দেখেন ?




বিতর্ক এনজয় করি ঠিকই, কিন্তু বিতর্ক আমার তৈরি করা নয় । আমার বিরোধিদের সংখ্যা প্রচুর, তারাই বিতর্ক বজায় রাখে । সম্ভবত আমি যে ধরণের লেখালিখি করি আমার রচনাবলী বিতর্কিত হতে বাধ্য । আমি মূলত সমাজের পর্যবেক্ষক এবং নিজের মতামত উপস্হাপন করি । তাছাড়া হাংরি আন্দোলনের মামলা, তাতে শৈলেশ্বর ঘোষ ও সুভাষ ঘোষের রাজসাক্ষী হওয়া, এবং সেই সঙ্গে শক্তি চট্টোপাধ্যায়, উৎপলকুমার বসু এবং সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের আমার বিরুদ্ধে পুলিশের সাক্ষী হওয়াটাও বিতর্কের কারণ ।

জাদুবাস্তবতা বাংলা সাহিত্যে নতুন নয় । কিন্তু এটার সার্থক আধুনিকীকরণ করলেন আপনি । এই ঝোঁকটা কিভাবে কেন এল আপনার মধ্যে বলবেন ?




আমি লাতিন আমেরিকার জাদুবাস্তবতার ন্যারেটিভ টেকনিক নেবার বদলে ঠাকুমার ঝুলি আর বেতাল পঞ্চবিংশতির ল্যাবিরিন্হকে অনুসরণ করার প্রয়াস করেছি । শৈশবে বড়ো জেঠাইমা আমাদের গল্প বলতেন অভিনয় করে, লন্ঠনের আলোয়, তার প্রভাব রয়ে গেছে স্মৃতিতে । আমি রাক্ষস-খোক্কোস ইত্যাদিদের এখনকার মানুষ হিসাবে উপস্হাপন করতে চেষ্টা করেছি ; জীবজন্তুদেরও মানুষের চরিত্র দিয়েছি । বস্তুত আমি সচেতনভাবে লাতিন আমেরিকার জাদুবাস্তবতা এড়িয়ে গেছি ।

মলয় রায়চৌধুরী কথা বলছেন , কিন্তু অ্যালেন গিন্সবার্গের সাথে বন্ধুত্বের প্রসঙ্গ উঠবে না তা হয় না । ‘হাউল’ লিখে ওনার যে পরিণতি হয়েছিল ‘প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার’ এর জন্য আপনারও তাই । আপনি সেকুলার আর উনি পরবর্তীতে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করলেন । উনি রাজনীতির সাথেও জড়িয়ে গেলেন অনেকটাই । আপনি ? কি চোখে দেখেন রাজনীতিকে ?


গিন্সবার্গ বলতো যে ঈশ্বর নামের কোনো সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স এজেন্সি হতে পারে না । উনি তাই বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করলেন, হিন্দুধর্মের সমস্যা ছিল যে তাতে জাতপাতের সমস্যা, যখন কিনা ভারতে এসে হিন্দু গুরু আর গডম্যানদের সঙ্গে বেশি যোগাযোগ করেছিলেন উনি । আমি নিজেকে ইন্সটিংকটিভ হিন্দু বলি, কিন্তু অরগ্যানাইজড হিন্দুধর্মের প্রতি আমি সমর্পিত নই, তার কারণ আমি সারা জীবন ভারতবর্ষ চষে বেড়িয়েছি, এক জায়গায় থাকিনি, ফলে ধর্মের শেকড় গজিয়ে ওঠেনি । আমি যে সেকুলার সেটাও ইন্সটিংকটিভ, কোনো বই পড়ে বা চিন্তাভাবনা করে নয় । রাজনীতি, ভারতবর্ষে, আমেরিকার সঙ্গে তুলনীয় নয় । আমি প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে ইনভলভড নই, কিন্তু আমার প্রবন্ধগুলো, গল্পগুলো, এমনকি কবিতাও, আমার রাজনৈতিক মতামত বহন করে ।

আপনার কবিতা বা হাংরি আন্দোলন নিয়ে জানার গবেষণাধর্মী বই যেমন আছে বাজারে তেমনি আছে হাংরি শিবিরের বিভাজনের মুচমুচে পেজ থ্রি টাইপ স্টোরি । এই বিভাজন কি শুধুই মতাদর্শগত নাকি খানিকটা ইগোর লড়াইও ? অ্যাকাডেমিক ভিউ পয়েন্টের বাইরের চোখ দিয়ে দেখে যদি বলেন ...



একটু আগে যেমন বলেছি, মামলার সময়ে বন্ধুরা রাজসাক্ষী হয়ে গিয়েছিল, এবং সেই গ্লানি থেকে তারা মুক্ত হতে পারেনি । তারাই বিভাজনটা গড়ে তুলেছিল । আমি তো মাঝে লেখালিখি করতে পারিনি নানা কারণে । কলকাতায় এসে শৈলেশ্বর, সুভাষ, প্রদীপ, সন্দীপন, শক্তি, উৎপল সকলের সঙ্গে দেখা করেছিলুম । কিন্তু বুঝতে পারলুম ওনারা আত্মগ্লানির বিষ ঝেড়ে ফেলতে পারেননি, বরং আমার বিরুদ্ধে ফলাও করে কুৎসিত কথাবার্তা অবিরাম লিখে গেছেন । এটা ইগোর লড়াই নয় । এটা আত্মসন্মানবোধের ব্যাপার । মতাদর্শগত বিভাজনের তো প্রশ্ন ওঠে না কেননা সব কয়টা ইশতাহার আমিই লিখেছিলুম । তবে শৈলেশ্বর, সুভাষ, বাসুদেব -- ওরা সবাই সিপিএম গদিতে বসতেই সিপিএমে যোগ দিয়েছিল, তাদের মিছিলে ইনক্লাব জিন্দবাদ করে বেড়াতো । এই জিনিসটা আমি মেনে নিতে পারিনি । এ কেমন প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা ? সিপিএম তো ছিল ভয়ংকর এক অত্যাচারী প্রতিষ্ঠান !

জন্ম পটনায় । কর্ম মুম্বাইতেই বেশিটা । এদিকে কোলকাতা কানেকশান একদম শহরের ইতিবৃত্তের সাথে জড়িত । আবার এই কোলকাতাই আপনার জীবনের সাময়িক বিড়ম্বনার কারণ । আপনি কি নিজভূমে পরবাসী রয়ে গেলেন তবে ?



না, মুম্বাইতে কর্ম বেশি বলা উচিত হবে না । চাকুরিসূত্রে আমি পাটনা, লখনউ আর কলকাতাতেও অনেকটা সময় কাটিয়েছি । বুড়ো বয়সে মুম্বাই চলে এসেছি প্রধানত চিকিৎসার সুবিধার জন্য । আমার ও আমার স্ত্রীর দুজনেরই নানা রকমের রোগ । অফিসের ডিসপেনসারিও আমাদের বিল্ডিঙের পাশে । কলকাতায় নাকতলা থেকে ট্যাক্সি করে প্রতিবার যেতে হতো পার্ক স্ট্রিট আর প্রচুর টাকা খরচ হতো । কেবল পেনশনে চালানো বেশ কঠিন । কলকাতায় যখন বিভাগীয় প্রধান ছিলুম, আমি স্ত্রীকেও সঙ্গে ট্যুরে নিয়ে যেতুম পশ্চিমবঙ্গের গ্রামের জীবনের সঙ্গে পরিচয়ের জন্য । সিপিএমের ক্যাডারদের ভয়ে অনেকে প্রকৃত তথ্য দিতে ভয় পেতো তাই হিন্দি-উর্দু প্রয়োগ করে, অবাঙালি সেজে তথ্য আদায় করতুম । স্ত্রীকে বলতুম চাষি-তাঁতি-জেলেদের বাড়ির ভেতরে ঢুকে তথ্য যোগাড় করতে । আমার “নামগন্ধ” উপন্যাসের ও “নখদন্ত” ফিকশানের তথ্য এই ভাবেই সংগ্রহ করা । আমি সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের সদস্য ঠিকই কিন্তু আমার প্রজন্মে পৌঁছে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল, আমার শৈশবস্মৃতি “ছোটোলোকের ছোটোবেলা” পড়লে টের পাবে ।

হাংরি স্টাইল কি আপনার সাথেই শেষ হয়ে যাবে না কি আছেন কেউ সার্থক ধারক বাহক ? আপনার মুখ থেকেই শুনতে চাই ।




বহু তরুন নিজেদের হাংরি আর নিও হাংরি ঘোষণা করে লেখালিখি করছেন । ফেসবুকে কয়েকটা কমিউনিটি পেজও আছে তাঁদের । দেখেছি তাঁদের লাইক সংখ্যা তিনহাজার-চারহাজারে পৌঁছে গেছে । আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ নেই । তাঁরা নিজেদের মতো করে যা ইচ্ছা লিখে চলেছেন । জানি না তাঁদের ধারক-বাহক বলা যায় কিনা কেননা আমি পড়ার তেমন সময় পাই না । তবে সামগ্রিকভাবে যে হাংরি আন্দোলনের প্রভাব বাংলা সাহিত্যে ছায়া ফেলেছে তা অস্বীকার করা উচিত হবে না ।

আপনার অনুবাদকর্ম তো প্রচুর । আর সেটা অদ্ভুত একটা কম্বিনেশান । কখনো উইলিয়াম ব্লেকের মত রোম্যান্টিক মুভমেন্টের কবিকে বেছেছেন তো কখনো আঁরত্যুর র্যারবো , আঁন্দ্রে ব্রেটন বা ত্রিস্তান জ্যারা । সবাই এক একটা লিটেরারি মুভমেন্টের জনক বলা যেতে পারে । এই বাছাই কি নেহাতই কাকতালীয় নাকি কোন সুনির্দিষ্ট চিন্তাভাবনার ফসল ? 


যাঁদের মনে হয়েছে আমার চিন্তাজগতের নিকটবর্তী, আমি তাঁদের অনুবাদ করেছি । কাকতালীয় নয় । আমি র্যাঁমবোর “নরকে এক ঋতু”ও অনুবাদ করে একটি পত্রিকা সম্পাদককে পাঠিয়েছিলুম, কিন্তু তিনি তাঁর কলেজ স্ট্রিটের দপতর বিক্রির সময়ে দপতরে একত্রিত যাবতীয় পাণ্ডুলিপিও ক্রেতাকে হস্তান্তর করে দিয়েছিলেন ; আমি কপি রাখিনি । এই দুঃখটা রয়ে গেল ।


 ‘সূরজ কা সাতোয়াঁ ঘোড়া’ অনুবাদের জন্য আপনাকে ‘সাহিত্য অ্যাকাদেমী’ দিতে চাওয়া হয়েছিল , আপনি নিলেন না । আপনার মৌলিক কোন লেখার জন্য যদি আজ আবার প্রস্তাব আসে , নেবেন ?




আমি কোনো পুরস্কার নিই না । পুরস্কার মানেই দাতার মূল্যবোধ তার সঙ্গে জড়িয়ে । ঈশ্বর ত্রিপাঠী আমার বাড়িতে এসে অনুষ্ঠান করে পুরস্কৃত করতে চেয়েছিলেন, আমি রাজি হইনি । আরও কয়েকটি লিটল ম্যাগাজিন আমাকে সম্বর্ধিত করতে চেয়েছিলেন আমি রাজি হইনি । সেই দিক থেকে মুম্বাইতে এসে বেঁচে গেছি ।



‘ বাইশে শ্রাবণ’ এ গৌতম ঘোষ কতটা পেরেছেন আপনার ম্যনারিজম ফুটিয়ে তুলতে ? রোলটা কি আপনি নিজেই করতে চান কখনো ? কোন পরিবর্তন হবে তাহলে স্ক্রিপ্টে ?




ওটা একটা মোস্ট ইডিয়টিক রিপ্রেজেন্টেশান । গৌতম ঘোষের সঙ্গে আমার একবারই দেখা হয়েছিল, শান্তিনিকেতন যাবার ট্রেনে । জানি না উনি কোন হাংরি কবির ম্যানারিজম ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছিলেন । আমাদের উত্তরপাড়ার আদিবাড়ি ওই রকম খণ্ডহর হয়ে গিয়েছিল বটে, কিন্তু আমরা কেউই লেখা ছাপাবার জন্য হাপিত্যেশ করতুম না । নিজেরাই ছাপাতুম আর বিলি করতুম, কোনো লিটল ম্যাগাজিনকে অনুরোধ করতে হয়নি কখনও লেখা ছাপাবার জন্য । কেউ যদি ফিল্ম করতে চায় তাহলে একেবারে প্রথম থেকে হাংরি আন্দোলনকে নিয়ে ফিল্ম করতে হবে । কোনো ফিল্মে অপ্রয়োজনীয়ভাবে হাংরি আন্দোলনকে ঢুকিয়ে দেয়াটা ইডিয়টিক । বিট আন্দোলন নিয়ে, অ্যালেন গিন্সবার্গকে নিয়ে, র্যাঁ বোকে নিয়ে ফিল্ম হয়েছে, কিন্তু কোনোটাই বাইশে শ্রাবণের মতন ইডিয়টিক ফিল্ম নয় ।





Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.