x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৬, ২০১৭

মৌসুমী মন্ডল দেবনাথ

sobdermichil | জানুয়ারী ২৬, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
মৌসুমী মন্ডল দেবনাথ




 রোদের ছবি 

ওহে রৌদ্রবরণ দিন,
আমার সব অসুখের দিনে দাও
খানিক কিরণমালা স্নেহধারা
দিবাকর পরেছে আজ হীরককুচির কিংখাব
তবুও আজ আমার মন চাইছে
একটি মেঘমেদুর হাত এসে আমায় জড়িয়ে ধরুক

অইখানে আমার আরণ্যক শরীর
গুহাচিত্রের মতো শুয়ে আছে, ঝরা পাতার মতো
শীতে  ফিকে হয়ে যাওয়া ক্লোরোফিল বনের মতো ত্বক
ঝরে যাওয়ার প্রতীক্ষায় আমার আজানুলম্বিত কেশরাশি
মুছে যাবে আমার সাজানো ফুল -বাসরের লজ্জা চোখ দু 'খানাও
তাকিয়ে দ্যাখো একটি মানুষ আস্তে আস্তে মাটি হয়ে যাচ্ছে
চিত্ হয়ে শুয়ে আছে, আমার আরাজোনার গভীরতা
নাশপাতি বনের ছায়ায় আমি আর শুয়ে থাকবোনা
আমাকে একটা মায়াহরিণের চোখ আঁকা ঘর দাও
ক্যালাইডোস্কোপে আমি সে ঘরে রোদের ছবি আঁকবো



 মেঘের চিঠি 

আজ সকালে মেঘের চিঠি
পেয়েছে সেই মেয়ে
দুপুরের বৃষ্টি -বাগানে
বটবৃক্ষের মুখোমুখি বসে
আয়ুরেখায় শব্দ সাজালো সে
বিকেলে পুঞ্জীভূত মেঘকে
অনুবাদ করতেই একঝাঁক
পাখী উড়ে গেলো আকাশে
চিঠিটিতে লেখা ছিলো
পাখিজন্মের ইতিকথা
অই মেয়ে বৃষ্টিকে অনুবাদ
করতে চাইলে, ভাস্বর হলো
জীবনের কর্কট -ছন্দে চলা
অভিমানী বসন্ত পাতার অনুবাদ
আজ মেয়েটি সন্ধ্যেয় ছাপিয়েছে
শুধুই অঝোর শ্রাবণ

 বেদনা 

কোনও নদী, কোনও সমুদ্র ভালোবাসলোনা
অই রূপকথার মেয়েকে
ভালোবাসলোনা ফেনিল ঢেউ, শঙ্খ, প্রবালেরাও
হলুদ ওড়নায় নিজেকে জড়িয়ে
ভালোবাসাকে স্মৃতিকথা করে
নেয় একদিন সে
জলের কবিতা গায়ে মেখে
পিছন ফিরে আলোপিনি ভাষায়
ডেকে উঠলো, মাগো
তুমিই প্রথম, তুমিই শেষ
বিস্ফারিত চোখে সকালের আলো
তাকিয়ে দেখলো সোনালী দীপে
রাখা আছে মায়ের নীল দীর্ঘশ্বাস
আজ তার সব ব্যথা গড়িয়ে নামছে
তার মেঠো চোখের পাতায়, চিবুক বেয়ে
বুকের সন্ধিস্থলে
শুধু মা আর মেয়েই জানলো
এই দ্বীপে গড়ে উঠছে নিস্তব্ধতার পাহাড়



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.