x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, জানুয়ারী ২৭, ২০১৭

বিদিশা সরকার

sobdermichil | জানুয়ারী ২৭, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
ঈশ্বরের সঙ্গে প্রেম



১।১।

বেঁচে থাকতে থাকতে ক্লান্ত লাগে। অপচয়ের চব্বিশ ঘণ্টা নালিশে পালিশে সহস্র রজনীর কেয়াবাত। বিষয় আসয় হাঁপিয়ে উঠলে বলি, যাও একটু বেরিয়ে এস। ...

যদিও জানি মাঞ্জার ধার কমে গেলে উড়ানও মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবে সদরের বদ-নসীবে। যে হাজারটা বেলুন উড়িয়ে দিয়েছিল বাদশাহি মেজাজে সে জানতোই না বেলুনের ভিতরে তার হাওয়া-ই ছিল, আত্মা আত্মনেপদ। বায়ুস্তরের সীমানা ছোঁয়ার স্পর্ধা ফাটিয়ে দিয়েছিল একটা একটা করে সবগুলো বেলুনই। আসলে উড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুরিয়ে যায় পরবর্তী ঘটনার স্পৃহা। আমার ঈশ্বর বলেছিল, নিবৃত্তির পরাকাষ্ঠা তুমি? না তোমার প্রেম ?

আমার সব প্রশ্নগুলো চাপা পড়ে গিয়েছিল অনিষিক্ত গর্ভেই। তার শোনার অপেক্ষা কতটুকু জানি না। শুধু দেখতে পাচ্ছি সেই নদীটা বিপদসীমার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে ...


২।

তিনি যখন প্রসাদ হয়ে যান, আমার বরাদ্দে নিমিত্তমাত্র। এই সঙ্কুলানের পরিণাম তাকে বলিনি কখনও। বলিনি চাপাকলে'র জল আরও নীচে নেমে গিয়েছে। বৃষ্টির জল ধরে রাখার পিতলের ঘটিতে পরখের আয়নাটাও ভেঙ্গে গেছে --- জলের আয়না। খিদে হাঁটতে হাঁটতে পায়নি একটুও ছায়া। শতরঞ্জে বুঁদ হয়ে থাকা দুই পক্ষই রাজা প্রজা'র খাতির করে। ঢুলতে ঢুলতে ঠোক্কর খাই লাইটপোস্টে। শিউরে উঠে দেখি ঈশ্বর ফিরে যাচ্ছেন !!! 

তোয়াজ আর রেওয়াজের মাঝখানে তারানার চন্দ্রকোষে শুদ্ধ-কোমলের দক্ষ আঙুলগুলো সুরবাহারে কত স্বচ্ছল ! একমুঠো মেটে সিঁদুর সিঁথিতে ছড়িয়ে দিয়ে অন্তর্ধান রহস্যকে জাগিয়ে রেখছে অপারের জিজ্ঞাসায়। আচমনের কমণ্ডলুটা ভুল করে ফেলে রেখে গেছে ,যার অতলে ভিজে যাচ্ছে আমার হৃদপিণ্ড !




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.