x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শুক্রবার, জানুয়ারী ২৭, ২০১৭

বিদিশা সরকার

sobdermichil | জানুয়ারী ২৭, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
ঈশ্বরের সঙ্গে প্রেম



১।১।

বেঁচে থাকতে থাকতে ক্লান্ত লাগে। অপচয়ের চব্বিশ ঘণ্টা নালিশে পালিশে সহস্র রজনীর কেয়াবাত। বিষয় আসয় হাঁপিয়ে উঠলে বলি, যাও একটু বেরিয়ে এস। ...

যদিও জানি মাঞ্জার ধার কমে গেলে উড়ানও মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবে সদরের বদ-নসীবে। যে হাজারটা বেলুন উড়িয়ে দিয়েছিল বাদশাহি মেজাজে সে জানতোই না বেলুনের ভিতরে তার হাওয়া-ই ছিল, আত্মা আত্মনেপদ। বায়ুস্তরের সীমানা ছোঁয়ার স্পর্ধা ফাটিয়ে দিয়েছিল একটা একটা করে সবগুলো বেলুনই। আসলে উড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুরিয়ে যায় পরবর্তী ঘটনার স্পৃহা। আমার ঈশ্বর বলেছিল, নিবৃত্তির পরাকাষ্ঠা তুমি? না তোমার প্রেম ?

আমার সব প্রশ্নগুলো চাপা পড়ে গিয়েছিল অনিষিক্ত গর্ভেই। তার শোনার অপেক্ষা কতটুকু জানি না। শুধু দেখতে পাচ্ছি সেই নদীটা বিপদসীমার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে ...


২।

তিনি যখন প্রসাদ হয়ে যান, আমার বরাদ্দে নিমিত্তমাত্র। এই সঙ্কুলানের পরিণাম তাকে বলিনি কখনও। বলিনি চাপাকলে'র জল আরও নীচে নেমে গিয়েছে। বৃষ্টির জল ধরে রাখার পিতলের ঘটিতে পরখের আয়নাটাও ভেঙ্গে গেছে --- জলের আয়না। খিদে হাঁটতে হাঁটতে পায়নি একটুও ছায়া। শতরঞ্জে বুঁদ হয়ে থাকা দুই পক্ষই রাজা প্রজা'র খাতির করে। ঢুলতে ঢুলতে ঠোক্কর খাই লাইটপোস্টে। শিউরে উঠে দেখি ঈশ্বর ফিরে যাচ্ছেন !!! 

তোয়াজ আর রেওয়াজের মাঝখানে তারানার চন্দ্রকোষে শুদ্ধ-কোমলের দক্ষ আঙুলগুলো সুরবাহারে কত স্বচ্ছল ! একমুঠো মেটে সিঁদুর সিঁথিতে ছড়িয়ে দিয়ে অন্তর্ধান রহস্যকে জাগিয়ে রেখছে অপারের জিজ্ঞাসায়। আচমনের কমণ্ডলুটা ভুল করে ফেলে রেখে গেছে ,যার অতলে ভিজে যাচ্ছে আমার হৃদপিণ্ড !




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.