x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

শুক্রবার, জানুয়ারী ২৭, ২০১৭

বিদিশা সরকার

sobdermichil | জানুয়ারী ২৭, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
ঈশ্বরের সঙ্গে প্রেম



১।১।

বেঁচে থাকতে থাকতে ক্লান্ত লাগে। অপচয়ের চব্বিশ ঘণ্টা নালিশে পালিশে সহস্র রজনীর কেয়াবাত। বিষয় আসয় হাঁপিয়ে উঠলে বলি, যাও একটু বেরিয়ে এস। ...

যদিও জানি মাঞ্জার ধার কমে গেলে উড়ানও মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবে সদরের বদ-নসীবে। যে হাজারটা বেলুন উড়িয়ে দিয়েছিল বাদশাহি মেজাজে সে জানতোই না বেলুনের ভিতরে তার হাওয়া-ই ছিল, আত্মা আত্মনেপদ। বায়ুস্তরের সীমানা ছোঁয়ার স্পর্ধা ফাটিয়ে দিয়েছিল একটা একটা করে সবগুলো বেলুনই। আসলে উড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুরিয়ে যায় পরবর্তী ঘটনার স্পৃহা। আমার ঈশ্বর বলেছিল, নিবৃত্তির পরাকাষ্ঠা তুমি? না তোমার প্রেম ?

আমার সব প্রশ্নগুলো চাপা পড়ে গিয়েছিল অনিষিক্ত গর্ভেই। তার শোনার অপেক্ষা কতটুকু জানি না। শুধু দেখতে পাচ্ছি সেই নদীটা বিপদসীমার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে ...


২।

তিনি যখন প্রসাদ হয়ে যান, আমার বরাদ্দে নিমিত্তমাত্র। এই সঙ্কুলানের পরিণাম তাকে বলিনি কখনও। বলিনি চাপাকলে'র জল আরও নীচে নেমে গিয়েছে। বৃষ্টির জল ধরে রাখার পিতলের ঘটিতে পরখের আয়নাটাও ভেঙ্গে গেছে --- জলের আয়না। খিদে হাঁটতে হাঁটতে পায়নি একটুও ছায়া। শতরঞ্জে বুঁদ হয়ে থাকা দুই পক্ষই রাজা প্রজা'র খাতির করে। ঢুলতে ঢুলতে ঠোক্কর খাই লাইটপোস্টে। শিউরে উঠে দেখি ঈশ্বর ফিরে যাচ্ছেন !!! 

তোয়াজ আর রেওয়াজের মাঝখানে তারানার চন্দ্রকোষে শুদ্ধ-কোমলের দক্ষ আঙুলগুলো সুরবাহারে কত স্বচ্ছল ! একমুঠো মেটে সিঁদুর সিঁথিতে ছড়িয়ে দিয়ে অন্তর্ধান রহস্যকে জাগিয়ে রেখছে অপারের জিজ্ঞাসায়। আচমনের কমণ্ডলুটা ভুল করে ফেলে রেখে গেছে ,যার অতলে ভিজে যাচ্ছে আমার হৃদপিণ্ড !




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.