x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৬, ২০১৭

অনু সঞ্জনা সোম ঘোষ

sobdermichil | জানুয়ারী ২৬, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
অনু সঞ্জনা সোম ঘোষ

প্রিয় বসন্ত,

প্রবল শীতেও আমার দেওয়ালেরা রং মেখেছে। রংঙ্গন রং। পাইন পাইন গন্ধে ভিজে ওঠা চোখে আমার বসন্ত জড়িয়ে।আমি কেমন ছড়িয়ে পড়ছি দ্যাখো লাল, নীল হলুদে, যে ভাবে ছড়িয়ে পড়ে আকাশ ঢলে পড়া পাহাড়ের কোলে। শিড়ায় শিড়ায় ভরে ওঠো তুমি। পাখিদের ডানায় বিছিয়ে দিই তোমার আমার নরম সকাল। 

পুরোনো ক্যানভাসে হেঁটে চলা এক আরণ্যক দুপুর প্রবল ভাবে ছুঁতে চায় সমস্ত শরীর। আমি বসন্ত লিখি গাছেদের শিড়ায়। বসন্ত পাহাড় আঁকি ঝরা পাতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। 

জলের ভেতর জল খুঁজতে নেমেছি আমি। ঝিল বেয়ে উঠে আসছে তোমার মুখ। নরম সবুজ স্রোতে গা ভাসিয়ে চোখ ডুবে যাচ্ছে চোখে। আরও আরও গভীরে যেতে চাইছি। অথচ তুমি বারন করেছিলে আমায় জলের কাছে যেতে। 

প্রতি শিহরন মেপে নিচ্ছে তোমার উপস্থিতি। প্রবল ভাবে ডুবে যাওয়ার আগে একটি বসন্ত তোমায় উপহার দিতে চাই... 

ইতি
বসন্তের জুঁই




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.