x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৬, ২০১৭

আব্দুল মাতিন ওয়াসিম

sobdermichil | জানুয়ারী ২৬, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
আব্দুল মাতিন ওয়াসিম

 আমার বুসাইনার প্রতি 
জামীল সিদক্বী আয-যাহাবী 

শত্রুরা, আমার গলা কাটুক বা গুলি করুক, বুসাইনা !
তুমি ঘাবড়িয়ো না,
ধৈর্য ধরো, মনে রেখো-
আমাদের দেখা হবে স্বপ্নে।

আর বিশ্বাস করো,
কোন সম্ভ্রান্তের প্রতি বিপদের আনাগোনা
শাপে বর হয়, যদি সে ধৈর্য ধরে।

বুসাইনা ! তোমার প্রেমাস্পদকে
কোনও বালুময় স্থানে রক্তাক্ত করে
যদি ঠেলে দেওয়া হয় মৃত্যুর পথে
তুমি কেঁদো না, অশ্রু মুছে ফেলে
নিজেকে মুড়ে নিও ধৈর্যের বর্মে।
আমি যে প্রথম নই; যারাই চেয়েছে
উন্নতি নিজ জাতির, অস্বীকার করেছে
তাদের স্থবিরতাকে; আর সংগ্রাম করেছে
কুসংস্কার থেকে তাদের মুক্ত করার নিমিত্তে
তাঁরাই আলিঙ্গন করেছে মৃত্যুকে।
এ যে বিশাল ব্যবধান
আমার ও তাদের বাসনায়,
আমি চেয়েছি তাঁদের বাঁচাতে
আর চেয়েছে তাঁরা আমায় মারতে !
ধ্বংস হোক সে, ডেকে এনেছে যে
এ ঘোর বিপদ আমার তরে,
অভিসম্পাত হোক তার প্রতি
সকল কবিসাহিত্যিকদের পক্ষ থেকে !  

এই ভূগর্ভে শুয়ে আছে অনেকে;
যদি প্রাণ-দণ্ডিত হই
জেনে রেখো এ পথে আমি একা নই।
আর চেয়ে দেখো উজ্জ্বল সূর্যের দিকে
তারও দীপ্তি গা ঢাকা দেয় অন্ধকারের চাদরে।
স্মরণ করো, বহুদিন সুখে কাটিয়েছি দু’জনে
উপভোগও করেছি বহু দিন প্রণয়খেলাকে।

প্রত্যেকে ধ্বংসশীল- তুমি তো মানো, আমিও;
তাই, মৃত্যুর পরেও আমার অভিবাদন নিও।  

তবে, এ যাত্রায় যদি রক্ষা পাই
অঙ্গীকার রইল, বর্জন করবো সকল বিচ্যুতি।

বুসাইনা ! অস্থির হবে না তুমি,
আমার নিটোল বিশ্বাস-
 নির্দোষ-মুক্তি পাবো আমি।


أبثين إن  أدنى  العدو    حمـــــــــامي         بمسدس يذكيه  أَو     بحســــــــــامِ
فتجلدي  عند  الرزية    واحسبي         أني اجتمعت إليك في    ألاحلام
والصبر أجدأ إن  ألمت    نكبــــــــــــــــــــة         بكريمة      ينمونها        لكــــــــــــــــرام

أبثين إن أودى  جميلك    خابطاً       بدم  له   اهريق   فوق    رغـــــــــــام
فتدرعي للخطب صبراً   وامسحي         من أَدمع  فوق  الخدود  سجام
أَنا لست أول  هالك  في    قومــــــه         يَرجو   تقدمهم   مع      الأقوام

يأبى لهم هذا الجمــــــــــــــود و لا ينى       يَسعى لينقذهم من الأوهــــــــــــــــــــــام
رُمتُ الحياة لهم و راموا مقتـــــلي         شتّـــــــــــــــــــــــــــــان بين مرامهم و مـــرامي
ويل لعبــــــــــــد الله جالب نكبـــــــــــــــــــــتي         ويل له من حاملي الأقــــــــــــــــــــــــــــــــــــلام
أَنا لست وحدي إن أمت رهن الثرى كَم من كرام في التراب نيـــــــــــــــــــــــام
و الشمس و هي أجلّ جرم بــازغ         مقـــــــــــــــــــــــــــــــلوة أنــــــوارها بظـــــــــــــــــــــــــــــــــلام
عشنا زَماناً في  بلهنية    الــرضى         متمتعين      بألفــــــــــــــــــــــــة    ووئـــــام
فإذا قضيت وكل  شيء  هـــــــالك         فإليك  أهــدي  يا  بثين ســـلامي

و لئن أعش فسأنتهب من سقطتي      و أقوم منتصبا على الأقــــــــــدام

لا تجـــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــزعي يا بثين إني واثق             ببــــــــــــــــــــــراءتي وعواقب الأيــــــــــــــــــــــــــــام

(الأدب العصري في العراق العربي، قسم المنظوم، ص-53، رفائيل بطئ )



[জামীল সিদক্বী (১৮৬৩–১৯৩৬ খ্রিঃ)। ‘ইরাকের দার্শনিক কবি’ নামেও পরিচিত। সারা জীবন মুক্ত চিন্তার চর্চা করেছেন। তাঁর ‘আল-মারআতু ওয়াদ-দিফায়ু ‘আনহা’ (المرأة والدفاع عنها নারী ও তার প্রতিরক্ষা) শীর্ষক প্রবন্ধটি বিখ্যাত ‘আল-মুয়াইয়াদ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হলে সারা ইরাকজুড়ে গণবিক্ষোভ আরম্ভ হয়। জনগণ তাঁর বিরুদ্ধে পথে নামে। ফলে তৎকালীন প্রশাসন তাঁকে বন্দী করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। সেই সময় কবি নিজ স্ত্রীকে সান্ত্বনা দিয়ে এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন।] 

অনুবাদ- আব্দুল মাতিন ওয়াসিম 


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.