x

প্রকাশিত

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

রবিবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬

সুশান্ত কুমার রায়

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬ | |
নমর উদ্দিনের দোতরার ডাং

‘ওরে মনটা থাকে ধরপরে মোর
দোতরার ডাং শুনিয়া
না বাজান দোতরা বন্ধু আর
ঘাটাত বসিয়া ॥

তোমার দোতরার বন্ধু ক্ষীরল ডাংগে
কামাই কাজে বন্ধু মোর মনটা না বইসে
ওরে দীঘল নাসী গান কয়া মন
নিলেন কাড়িয়া ॥

না বাজান দোতরা নিশা আইতোত বসি
তোমার উল্টা ক্ষীরল ডাং শুনি
মন হইল মোর উদাসী
ওরে মনটা কয় মোর ঘর ছাড়ি মুই য্যাঁও ব্যারেয়া ॥

ওরে কাটল খুটার দোতরা তোমার
কতই কথা কয়
আরো ভাওয়াইয়া গান শুনিয়া মন
উরিয়া যাবারস চায়

ও মোর নিভা আগুন উঠিল জ্বলি
দোতরা শুনিয়া ॥ ( কথা ও সুর- নমর উদ্দিন )

ন-মর উদ্দিন নামেই যার অমরত্বের ইঙ্গিত বা আভাস। সংগীত ভূবনে একটি নাম একটি ইতিহাস। যার দোতরার জাদুকরী সুর ও বাদন মাধূর্যে যে কোন মানুষ মুগ্ধ হয়ে থমকে যেত। প্রকৃতি নিরব নিস্তব্ধ হয়ে তন্ময় হয়ে যেত। তিনি আর অন্য কেউ নন। তিনি হলেন খ্যাতিমান দোতরা বাদক নমর উদ্দিন। ১৯৫১ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার দিনহাটা মহুকুমার জিরানপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। বাবা ও মা নছিমন বিবি দু’জনেই প্রয়াত। নমর উদ্দিনের স্ত্রীর নাম হিসেবে কেউ বলেছেন আলেকা বেগম আবার কেউবা আলেয়া বেগম। বাবর আলী দু’বার দার পরিগ্রহ করেছিলেন। নমর উদ্দিন-দ্বিতীয় স্ত্রী নছিমন বিবির সন্তান। নছিমন বিবির গর্ভে ছয় সন্তানের জন্ম হয়। এদেশের লোকসংগীতের লালন কর্তা হিসেবে যে ক’জন লোক শিল্পী ও সাধকের নাম উচ্চারিত হয় তাদের মধ্যে নমর উদ্দিন অন্যতম বললে আমার মনে হয় বেশি বাড়িয়ে বলা হবে না। নমর উদ্দিনের দোতরা বাদনে এক অলৌকিকতার স্পর্শ ছিল। তিনি তাঁর দোতরায় আনন্দ বেদনা বিরহ বিচ্ছেদের সুর অনায়াসে তুলতে পারতেন। দোতরা বাদনে নমর উদ্দিনের জুড়ি তিনি নিজেই। অন্য কারো সাথে তাঁর তুলনা করা চলে না। আর লোক সংগীতের সুর, ভাব, ভাবনা বিষয়ে তাঁর ছিল অসাধারণ দখল। নমর উদ্দিনের দোতরা বাদন শুরু হয় শৈশবে তার দৃষ্টি শক্তি হারানোর পরপরই। এই বহুমুখী প্রতিভান শিল্পীর অন্ধ হওয়ার কারণ সম্পর্কে কেউ কালাজ্বর কেউবা টাইফয়েডকে দায়ী করেছেন। অন্যদিকে আবার অন্ধ হওয়ার বয়স বা সময় সম্পর্কে ছয় সাত মাস আবার ছয় সাত বছর, কেহ কেহ আবার দুই বছরের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে যাই হোক এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে তিনি জন্মান্ধ ছিলেন না। 

তাঁর অন্ধ হওয়ার বয়স ও কারণ সম্পর্কে যেমন মতভেদ রয়েছে তেমনিভাবে তাঁর নামের বানানরীতি নিয়েও সমস্যা ও মতভেদ লক্ষ্য করা যায় বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। অনেকেই তাঁর নাম নমর উদ্দিন, নমরুদ্দিন, নমুর উদ্দিন, নমীর উদ্দিন প্রভৃতি বিভিন্নভাবে লিখেছেন এবং এসব বিভিন্ন নামেও তাঁকে ডাকা হতো বিভিন্ন সময়ে। ১৯৫৭ সাল থেকে নমর উদ্দিন দোতরা বাজানো শুরু করেন। একদিন চলতি পথে নমর উদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ হয় দিনহাটার প্রখ্যাত অন্ধ দোতরা বাদক টগর এর। উনিশ শতকের ষাটের দশকের কোন এক সময়ে নমর উদ্দিন ভারতের কাশিয়াং বেতারে মাসিক চুক্তি ভিত্তিক দোতরা বাদক হিসেবে যোগদান করেন। এছাড়াও ভারতের শিলিগুড়ি ও কলকাতা বেতারে দীর্ঘদিন দোতরা বাজান বলে জানা যায়। অন্ধ হওয়ার কিছুদিন পরই তিনি তাঁর নিঃসঙ্গ জীবনের সঙ্গী হিসেবে দোতরাকে বেছে নেন। পথে ঘাটে দোতরা বাজিয়ে গান গেয়ে বেড়াতে বেড়াতে এক সময় তিনি পশ্চিমবঙ্গের একজন বিখ্যাত লোকসংগীত শিল্পীর সুনজরে পড়েন এবং কাশিয়াং বেতারে নৈমিত্তিক শিল্পী হিসেবে দোতরা বাজানো শুরু করেন। অন্ধ ছিলেন বলে তিনি সবসময় একখানা কালো চশমা ব্যবহার করতেন। লম্বা চওড়া সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ছিপছিপে গড়ন ঝাকড়া চুল ও হাতে দোতরার দৃশ্যে নমর উদ্দিনকে অনেকেই দেখেছেন। তাঁর দোতরার সুরে কে না জড়িয়ে পড়েছে-বিমোহিত হয়েছে। সুরের আবেগে আপ্লুত হয়েছে অনেকেই। শুধু ভাওয়াইয়ায় নয় লোকসংগীতের সুর ও বাণীতে তিনি ছিলেন অনবদ্য। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও নম্র। ক্ষণিকের তরে হলেও সুরের মুছর্ণায় আবেশে আবেগে নিজেকে একাকার করে ফেলতেন। উনিশ শতকের ষাটের দশকে অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে তাঁর ভগ্নিপতি কবুল মিয়া নমর উদ্দিনকে বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বারজানী গ্রামের এক অনুষ্ঠান উপলক্ষে নিয়ে আসেন। তখন নমর উদ্দিন পনের-ষোল বছরের একজন বালক। পরবর্তী প্রোগ্রাম ঠিক করা হয় জয়মনিতে। জয়মনিতে অনুষ্ঠান করার পর তিনি তার নিজ গ্রাম জিরানপুরে ফিরে না গিয়ে কুড়িগ্রামে থেকে যান। প্রয়াত ভাওয়াইয়া যুবরাজ মো. কছিম উদ্দিন তাকে সন্তান স্নেহে লালন পালন করেন। তিনি কছিম উদ্দিন এর সাথে রাজশাহী বেতারে যাওয়া আসা শুরু করেন। বেতারে যাওয়া আসার কোন এক পর্যায়ে অর্থাৎ ১৯৬৬ সালে রাজশাহী বেতারে নৈমিত্তিক দোতরা বাদক হিসেবে নিযুক্ত হন। এরপর রংপুর বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হলে জনাব খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া ( অবসরপ্রাপ্ত প্রধান সংগীত পরিচালক, বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা ) ও মো. সিরাজ উদ্দিন ( অবসরপ্রাপ্ত উপ-মূখ্য সংগীত পরিচালক, বাংলাদেশ বেতার, রংপুর ) প্রমূখের সহায়তায় রংপুর বেতারে নৈমিত্তিক দোতরা বাদক হিসেবে নিযুক্ত হন। রংপুর বেতার থেকে বিকেল সাড়ে চারটায় তখনকার দিনে প্রচারিত ভাওয়াইয়া গান শোনার জন্যই শুধু যে শ্রোতারা রেডিও খুলে রাখতো তা নয় তার অন্য একটি প্রধান কারণ হলো নমর উদ্দীনের দোতরার ডাং বা বাদন। ‘তিস্তাপাড়ের গান’ শিরোনামে তখন ভাওয়াইয়া প্রচারিত হতো। তাঁর দোতরা কথা বলতো। দোতরা তাঁর হাতের স্পর্শ পাবার সাথে সাথে যেন জীবন্ত হয়ে উঠতো। দোতরায় খেলতেন তিনি। দোতরা বাজিয়ে তিনি নিজে প্রফুল্ল থাকতেন অন্যকেও প্রফুল্ল রাখতেন। তিনি মুখে যা বলতেন দোতরায় তা ফুটিয়ে তুলতেন। সে এক বিস্ময়কর ব্যাপার। দেশবরেণ্য লোকসংগীত শিল্পী ও গবেষক জনাব মুস্তাফা জামান আব্বাসী একদা অতি গর্ব করেই বলেছিলেন ‘আমার তেমন কোন ক্ষমতা থাকলে এই অন্ধ দোতরা বাদক নমর উদ্দিন ও তার দোতরা নিয়ে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করতাম’। ১৯৬৮ সালে নমর উদ্দিন কুড়িগ্রামে অবস্থানের কথা জানিয়ে বাবা মায়ের কাছে চিঠি লিখেন। ১৯৬৯ সালে পিতা বাবর আলী ও ছোট ভাই নূরুল হকও কছিম উদ্দিনের বাড়িতে চলে আসেন। ১৯৭০ সালে কাউনিয়ার চন্ডিপুর পরে মীরবাগ কলেজে শহীদ মিনার চত্তরে অস্থায়ীভাবে এবং পরবর্তীতে মীরবাগের মহেশ্বা গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। কছিম উদ্দিন ও নমর উদ্দিন দু’জনেই ছিলেন মানিকজোড়। একজন দরদী কন্ঠশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার আর অপরজন হলেন দক্ষ খ্যাতিমান দোতরা বাদক। 

তাঁদের দু’জনের অংশগ্রহণে যে কোন অনুষ্ঠানই প্রাণবন্ত হয়ে উঠতো। অন্ধত্ব তাঁর জীবন যাত্রায় খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। সুরের জগতের প্রাণ পুরুষ নমর উদ্দিন প্রতিটি অনুষ্ঠানকে মাতোয়ারা করে মানুষকে মাতোয়ারা করে মানুষকে অকাতরে বিলিয়েছেন সুরের প্রেম ও স্বর্গীয় সুধা। এখনও তাঁর দোতরার সুর বেজে উঠলে মানুষ থমকে দাড়ায়। দোতরা ছাড়াও তিনি তবলা, গীটার , বেহালা, বাঁশি, সারিন্দা, ঢোল, হারমোনিয়াম, জুড়ি ( করতাল ) , সরোজ, ম্যান্ডোলিন, ব্যানজো, তানপুরা প্রভুতি কম বেশি বাজাতে পারতেন। যে কোন বাদ্যযন্ত্রের সঠিক স্বরটি তিনি সবার আগেই চিনতে পারতেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে দেশ মাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে কছিম উদ্দিনের সাথে শব্দ সৈনিক হিসেবে তিনি ভারতে চলে যান। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি পরিষদের সদস্য হিসেবে মুক্তিবাহিনী ক্যাম্প ও শরনার্থী ক্যাম্পে সংগীত ও দোতরা পরিবেশন করেন। শিল্পী গীতিকার যন্ত্রী সুরকার ছাড়াও মনে প্রাণে তিনি একজন দক্ষ সংগঠকও ছিলেন। নমর উদ্দিন অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। ‘দোতরার জাদুকর’ হিসেবে তিনি সবার কাছে পরিচিত। দোতরা বাদক হিসেবে তাঁর সুখ্যাতি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। তিনি প্রায় শতাধিক গান রচনা করেছেন ও তাতে সুরারোপ করেন। ভাওয়াইয়া, পল্লীগীতি, মুর্শিদী, মারফতি প্রভৃতি গান লিখতেন। তার গানে আধ্যাত্ব ও জাগতিক প্রেম দুটিই স্থান পেতো। 

‘ওরে তোক দেখিয়া ও সুন্দরী
মন গেইছে মোর আওলিয়া
না করিস আও মুচকি হাসিয়া’... ॥

‘মাও না থাকলে 
কেউ না থাকে রে
থাকেনা কোন আপন জন
ভূবন ঘুরলে না যায় পাওয়া
মায়ের মতো ধনরে’... ॥

এসব গান ছাড়াও তাঁর নিজ কন্ঠে পরিবেশিত ‘কালা আর না বাজান বাঁশরি’ ‘ওকি ওরে চিকন কালা’, ‘ও বাহে নচিরন খচিরন’ প্রভৃতি গানগুলো অখন্ড সুরের মূর্ছণায় অগণিত ভক্ত দর্শক শ্রোতাদের অন্তর ছুঁয়েছে অপার মহিমায়। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ বেতার ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিস , ঢাকা কর্তৃক আয়োজিত লোকসংগীত উৎসবে দোতরায় ধূণ বাজানোর জন্য রংপুর বেতারের অন্যান্য শিল্পীদের সঙ্গে অংশ নিয়ে দোতরায় ধূণ শুনিয়ে মাতোয়ারা করে সবার হৃদয় ও নজর কেড়ে নেন। ১৯৭৫ সালে নমর উদ্দিন কাউনিয়া নিজ পাড়ার আলেয়া বেগমকে বিয়ে করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাবা বাবর আলী অসুস্থ হয়ে পরলোক গমন করেন। নমর উদ্দিন ১৯৮১ সালের ১ মার্চ হতে ১৯৯৬ সালের ১ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর বেতারে নিজস্ব শিল্পী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ বেতারে ধাপস্থ নতুন অফিস চালু হবার পর তিনি বেতার কেন্দ্রের পাশে ধাপ সাগর পাড়ায় জমি কিনে বাড়ি তৈরি করে বসবাস করেন। অসুস্থতা জনিত কারণে তিনি ১৯৮৬ সালে বেতারের চাকুরি থেকে অবসর গ্রহন করেন। স্রষ্টার অমোঘ নির্দেশে একদিন সবাইকে চলে যেতে হয়। এই নিষ্ঠুর নিয়তির ঘূর্ণিপাকে প্যারালাইসিস এ আক্রান্ত হয়ে ১৯৯৯ সালের ২ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সবাইকে ছেড়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন দূর অন্তর্ধামে। এই সাধক পুরুষ মৃত্যুকালে স্ত্রী তিন কন্যা ও অনেক ভক্ত গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 

নমর উদ্দিনের বেশ কিছু শিক্ষার্থী যারা আজ যন্ত্রী গীতিকার সুরকার এবং শিল্পী হিসেবে স্ব-মহিমায় নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদান রেখে যাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে এ. কে. এম. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. সোলায়মান, নুরুজ্জামান, মোকাদ্দেছ আলী, বিভীষণ চন্দ্র বর্মণ, সত্যেন্দ্রনাথ রায়, অধীর চন্দ্র বর্মা ও নৃপেন্দ্রনাথ সরকার প্রমুখ উল্লেখ্য। এদেশ তথা উপমহাদেশের দুইজন স্বনাম ধন্য দোতরা বাদকের একজন দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দা কানাইলাল শীল অন্যজন হলেন উত্তরাঞ্চলের নমর উদ্দিন। সংগীত জগতে নমর উদ্দিন একটি মাইল ফলক একটি আলোক বর্তিকা। এই মহান শিল্পী ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী দোতরা বাদক আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন তাঁর সুর ঐশ্বর্য ও গানে । নমর উদ্দিন আমাদের গর্ব নমর উদ্দিন আমাদের অহংকার।




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.