x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

রবিবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬

পিয়ালী বসু

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬ |
 প্রেম , ঘৃণা ও নীতিবর্জিত মানবিকতার প্রেক্ষাপটে 'সন্দীপ ' ঘরে বাইরে ' উপন্যাসের সার্থক প্রতিনায়ক


"... The novel tells a story " উপন্যাসের সংজ্ঞা সম্পর্কিত এই উক্তিটি ছিল প্রখ্যাত সমালোচক E.M Foster এর । 


উপন্যাসের প্রথম এবং প্রধান উপজীব্য অবশ্যই কাহিনী বা গল্প ... আর এই গল্পকে আশ্রয় করেই উপন্যাসের উদ্দেশ্য পাঠকের অন্তরলোকে যাত্রা করা, রবীন্দ্রনাথের কথায় ... 'মানবমনের আঁতের কথা' প্রকাশ করাই হল উপন্যাসের একমাত্র দায়িত্ব, আর তাই উপন্যাস দেশ তথা সমাজের যোগ্য প্রতিলিপি ।

বিংশ শতকের প্রথমার্ধ... একাধারে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন, অন্যদিকে জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ড, পাশাপাশি দুটি বিশ্বযুদ্ধ, স্বাধীনতা আন্দোলন, জাপানী আক্রমণ, আগস্ট আক্রমণ এবং মেদিনীপুরের বিধ্বংসী বন্যা ... পঞ্চাশের মন্বন্তর, দেশবিভাগ ম উদ্বাস্তু সমস্যা  ... সব মিলিয়ে সে সময়ের উপন্যাসগুলির কায়া ও মননে সেই আলোড়িত কালের ছবি স্পষ্ট । 

বাংলা উপন্যাসের সূচনালগ্নে বঙ্কিমচন্দ্রের হাত ধরে উপন্য্যাসে কথকতার অতি-বিস্তার। বাংলা উপন্যাস তার সাবালিকত্ব অর্জন করে রবীন্দ্রনাথের হাত ধরে ... একথা স্পষ্টতই প্রতিভাত বাংলা উপন্যাস চর্চার ইতিহাসে । 

'চোখের বালি'র ভুমিকায় তিনি লেখেন -- " সাহিত্যের নবপর্যায়ের পদ্ধতি ঘটনা পরম্পরার বিবরণ দেওয়া নয়, বিশ্লেষণ করে তাঁদের আঁতের কথা বের করে দেখানো । "  

কোন ঔপন্যাসিকই সমকাল থেকে বিছিন্ন থাকতে পারেন না, একথা অনস্বীকার্য । রবীন্দ্রনাথের জন্ম পরাধীন ভারতবর্ষে, আর তাঁর বেড়ে ওঠা পরাধীনতার এই গ্লানি নিয়েই ... ফলত খুব স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর লেখায় উঠে আসে দেশকাল, ... পরাধীন দেশবাসীর স্বাধীনতার স্বপ্ন সার্থকতায় বারবার সহায়তা করেছেন তিনি, কখনও কবিতায়, কখনও বা গান এবং উপন্যাসের মাধ্যমে । 

" হে মোর চিত্ত পুণ্যতীর্থে জাগো রে ধীরে 
এই ভারতের মহামানবের সাহর তীরে "

মননে স্বাধীনচেতা রবীন্দ্রনাথ কোনরকম 'আর্কেটাইপ 'এর মধ্যে আটকে রাখতে চাননি তাঁর উপন্যাস ... তাই বহমান সময়ের পালা বদলের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে তাঁর উপন্যাসের গঠন, রঙ এবং স্বর । 

১৯১৬ সালে প্রকাশিত 'ঘরে বাইরে' উপন্যাস সাহিত্য ইতিহাসে নতুন এক মাত্রা যোগ করে , সে সময়ে পাশ্চাত্য উপন্যাসের ধারায়ও এই বিবর্তন লক্ষ্য করা যায় , -- তার প্রমাণ Dorothy Richardson এর ' Pilgrimage' এবং James Joyce এর 'A Portrait Of The Artist As A Young Man'

ঘটনানির্ভরতা পরিত্যাগ করে এ সময় থেকে রবীন্দ্রনাথের যাত্রা চরিত্রের মননলোকে -- চেতনলোকে ... 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসে স্পষ্ট এই 'Inner Reality'--স্বদেশ সাধনার প্রেক্ষাপটে নরনারীর জীবনের মানসলোকে পাড়ি দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ এ উপন্যাসে । নিখিলেশ - বিমলা এবং সন্দীপ এই পরস্পরবিরোধী এই তিন চরিত্রের টানাপড়েনেই গড়ে উঠেছে 'ঘরে বাইরে' উপন্যাস । 

একটি বিশেষ যুগের ঘটনাপ্রবাহে বিমলা- নিখিলেশের দাম্পত্য জীবনে সন্দীপের প্রবেশ -- আর এই সন্দীপ'ই শেষপর্যন্ত হয়ে উঠেছে এক Greater Than Life চরিত্র, এক সার্থক প্রতিনায়ক । 

ঘটনা এবং প্রাসঙ্গিকতার বিচারে বরং আলোচনা করে নেওয়া যাক 'সন্দীপ' কে--

" আমার চার দিকের বায়ুমণ্ডলে একটা জাদু আছে। সন্দীপের মতো অতবড়ো একটা পুরুষ সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো যে আমার পায়ের কাছে এসে ভেঙে পড়ল-- আমি তো ডাক দিই নি, সে আমার এই হাওয়ার ডাক । " 

রবীন্দ্রনাথের অতি বিখ্যাত বহুপঠিত উপন্যাস 'ঘরে বাইরে'র মূল ফিমেল Protagonist চরিত্র বিমলার আত্মকথনের আলোকেই সন্দীপ' কে একবার নতুন আলোকে দেখে নেওয়া যাক । 

'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের মূল বিশিষ্টতা, তার গতি । প্রশ্নের নিরীক্ষতার মায়াজালে দ্বিধা বিভক্ত 'ঘরে বাইরে' উপন্যাস, আর এই দ্বিধা আবর্তিত হয়েছে প্রতিনায়ক সন্দীপের চরিত্র ঘিরেই। 

বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে রচিত এ উপন্যাসের আসল ফ্লেভার মনোজাগতিক ভাবনির্মাণ, আর সে নির্মাণ কাজে রবীন্দ্রনাথ চূড়ান্ত ভাবে সফল । 

রাজনৈতিক এবং মনোজাগতিক -- সম্পূর্ণ বিপ্রতীপ এই দুই জগতের তীব্র অন্তর্ঘাতে প্রতিনিয়ত দগ্ধ হয়েছে সন্দীপ' আর এ অন্তর্দ্বন্দ্ব তাকে ক্লিশে 'খলনায়ক' এর ট্যাগ ছাড়িয়ে সার্থক প্রতি-নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, আর এখানেই 'ঘরে বাইরের'র সূক্ষ্মতা । 

"পুরুষ মানুষের ধর্মই হচ্ছে রসাতলে তলিয়ে যাওয়া' ... আর এই উক্তির জ্বাজ্বল্য প্রমাণ উপন্যাসটির ছত্রে- ছত্রে ... দেশের কাজ করার অজুহাতে নিখিলেশের কাছ থেকে টাকা ধার নেওয়ার জন্য একাধিক মিথ্যে অজুহাত সাজিয়েছে সে , ... দেশ 'কে ব্যবহার করেছে , ব্যবহার করেছে স্বাদেশীকতাকে , ... দেশপ্রীতির নামে নীতিবর্জিত একাধিক কাজে রত হয়েছে সন্দীপ' -- নিখিলেশের বিপরীতে তার চরিত্র বড্ড বেশী একপেশে ... কার্যসিদ্ধির জন্য যে নীতিজ্ঞান লঙ্ঘনেও বিন্দুমাত্র দ্বিধা করে না । 

রাজনৈতিক নীতি বর্জিত ভোগ সর্বস্ব এক লোলুপ চরিত্র 'সন্দীপ ' ... । নিখিলেশের নির্লিপ্তিতার পাশাপাশি সন্দীপের অতি উদ্দীপনা বিমলাকে বিভ্রান্ত করেছে বারম্বার । 

" যেটুকু আমার ভাগে এসে পড়েছে সেটুকুই আমার, এ কথা অক্ষমেরা বলে আর দুর্বলেরা শোনে। " -- এ উক্তিতেই স্পষ্ট সন্দীপের চরিত্র । একাধারে সে যেমন তীক্ষ্ন অন্যদিকে তেমনই সে স্থূল বুদ্ধির । 

" A Villain is someone who has a past, who is strongly opinionated, fearless, doesn't get intimated by anything, and went beyond suffering. It's an empowerment figure.” 

― Nuno Roque.

উপরিউক্ত এই প্রখ্যাত উক্তির আলোকে এবার বিচার করে নেওয়া যাক সন্দীপ কে । 


একথা অস্বীকার করার উপায় নেই, যে প্রতিনায়ক সন্দীপ 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের মূল Standing Force ...নিখিলেশের আপাত ক্লিশে, নির্লিপ্ত চরিত্রের বিপ্রতীপে ভোগসর্বস্ব লোলুপতার পুজারী সন্দীপের চরিত্র উপন্যাসের মূল গতি, এবং আকর্ষণ হিসেবে বারম্বার বিবেচিত হয়েছে । 

দেশপ্রীতি, দেশভক্তির নামে একাধিক বার নীতিবর্জিত আত্মলোলুপতার স্বাক্ষর বহন করে আনে সন্দীপ, কার্যসিদ্ধির জন্য সব করতে পারে সে , ... নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশমাতৃকা কে নির্মম ভাবে ব্যবহার করতেও দ্বিধা করেনা সন্দীপ ... অথচ 'নায়ক' হবার অনেক গুণই তার মধ্যে বর্তমান ছিল ।

যে পুরুষের মধ্যে জৈবিক আকর্ষণ বিদ্যমান, যে পুরুষ সমাজের 'ভাল মানুষ ' ট্যাগের বাইরে বিরাজ করেন, মেয়েরা চিরকালই সেই পুরুষদের কামনা করে , ... মনস্তত্ববাদের এ এক চরম সত্য । 

" মেয়েদেরই বিস্তর অলংকার সাজে এবং বিস্তর মিথ্যাও মানায়।'... 'নারী' সম্পর্কে এ হেন উক্তির পরও বিমলা নিখিলেশ নয়, নত হয় সন্দীপেরই কাছে, স্পষ্টতই সে জানায়, " এতদিন আমি ছিলুম গ্রামের একটি ছোটো নদী; তখন ছিল আমার এক ছন্দ, এক ভাষা, কিন্তু কখন একদিন কোনো খবর না দিয়ে সমুদ্রের বান ডেকে এল; আমার বুক ফুলে উঠল, আমার কূল ছাপিয়ে গেল, সমুদ্রের ডমরুর তালে তালে আমার স্রোতের কলতান বেজে বেজে উঠতে লাগল। আমি আপনার রক্তের ভিতরকার সেই ধ্বনির ঠিক অর্থটা তো বুঝতে পারলুম না। সে আমি কোথায় গেল? হঠাৎ আমার মধ্যে রূপের ঢেউ কোথা থেকে এমন করে ফেনিয়ে এল? সন্দীপবাবুর দুই অতৃপ্ত চোখ আমার সৌন্দর্যের দিকে যেন পূজার প্রদীপের মতো জ্বলে উঠল। রূপেতে শক্তিতে আমি যে আশ্চর্য, সে কথা সন্দীপবাবুর সমস্ত চাওয়ায় কওয়ায় মন্দিরের কাঁসর ঘণ্টার মতো আকাশ ফাটিয়ে বাজতে লাগল। সেদিন তাতেই পৃথিবীর অন্য সমস্ত আওয়াজ ঢেকে দিলে।" 

সমুদ্রের এই বান নিখিলেশ নয়, সে বান সে ডমরু অবশ্যই সন্দীপ । 

১৮৮৫ সালে Robert Louis Stevenson রচিত ' Prince Otto' উপন্যাসের কথা মনে পড়ে ? ... উপন্যাসটি সম্পর্কে Stevenson নিজেই বলেন ... "my hardest effort " , 

বাভেরিয়ান রাজপুত্র গ্রীসের রাজভার গ্রহণ যখন, তখন তিনি নিতান্তই এক টিনেজার -- ফলত তিনি হয়ে ওঠেন গালভরা নামমাত্র অধিকার সর্বস্ব একজন সর্বহারা মানুষের প্রতীক -- তাঁর নামে প্রকৃত অর্থে দেশ শাসিত হতো আদালতের তিন সদস্য দ্বারা গঠিত এক কমিটির মাধ্যমে । 

তৎকালীন বিদগ্ধ সমালোচক গোষ্ঠী উপন্যাসটিকে খ্রিস্টীয় কলোনিয়ালিজমের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন ... অস্বীকার করার উপায় নেই রবীন্দ্রনাথের জন্য সে প্রভাব ভারতবর্ষেও তীব্র অভিঘাত আনে । 

'সন্দীপ ' চরিত্র সৃষ্টি নিঃসন্দেহে এই অন্তর্নিহিত অভিঘাতকে প্রমাণ করে বুদ্ধিদীপ্ত পাঠকের কাছে । 

শুদ্ধাচারী, অতি ভদ্রলোক নিখিলেশের প্রতি যে বিমলা একসময় প্রবল ভাবে আকর্ষিত হয়েছিল, সেই বিমলাই পরে স্বামী নিখিলেশ কে অবজ্ঞায় জর্জরিত করতে দ্বিধা করে না, ... " আমার মনে হত ভালো হবার একটা সীমা আছে। সেটা পেরিয়ে গেলে কেমন যেন তাতে পৌরুষের ব্যাঘাত হয়। " 

সন্দীপের চরিত্রের বিপ্রতীপতা, তার গতিময়তা বিমলা কে ভাসিয়ে নিয়ে যায়, এ যেন বহুযুগ ধরে অবরুদ্ধ নদীর হঠাৎ বানভাসি আত্মস্নান । 

" পুরুষেরা ভালোবাসে ধোয়াকে আর মেয়েরা ভালোবাসে বস্তুকে। সেই জন্যেই পুরুষ পূজা করতে ছুটে তার নিজের আইডিয়ার অবতারকে। আর মেয়েরা তাদের সমস্ত অর্ঘ্য এনে হাজির করে প্রবলের পায়ের তলায়" -- সন্দীপের এই Confident উক্তি প্রমাণ করে , প্রতিনায়ক হিসেবে নায়ক নিখিলেশের চেয়ে সার্থক সে । 

বিমলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের পরিণতি নিখিলেশের ওপর গুরুতর অভিসম্পাত হয়ে নামে। আপাত নির্লিপ্ত নিখিলেশ তার মনঃকষ্ট ভাগ করে নিতে পারে না কারোর সাথে , বনেদীয়ানা একাকীত্বের সাইড এফেক্ট, তাই সে জানায় ... " জীবনের ট্রাজেডি এখানেই। সে ছোটো হয়ে হৃদয়ের এক তলায় লুকিয়ে থাকে। তারপর বড়কে এক মুহুর্তে কাত করে দেয়। মানুষ আপনাকে যা বলে জানে মানুষ তা নয়। সেই জন্যেই এত অঘটন ঘটে ।"

" বিমল প্রানের আবেগে ভরা। সেই জন্যেই এই ন’বছরের মধ্যে এক মুহুর্তের জন্য সে আমার কাছে পুরনো হয় নি। কিন্তু আমার ভিতর যদি কিছু থাকে সে কেবল বোবা গভীরতা। সে ত কলধ্বনিত বেগ নয়। আমি কেবল গ্রহন করতেই পারি। কিন্তু নাড়া দিতে পারি নে। আমার সংগ মানুষের পক্ষে উপবাসের মত। বিমল যে এতদিন কি দুর্ভিক্ষের মধ্যেই ছিল ওকে দেখে বুঝতে পারছি। দোষ দেব কাকে?

হায় রে
ভরা বাদর মাহ ভাদর
শুন্য মন্দির মোর।" 
হেরে যায় নিখিলেশ ... হেরে যায় সন্দীপের কাছে । 

বন্ধু নিখিলেশের এই পরাজয়ই সন্দীপ কে চেনায় নতুন ভাবে, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, দৃঢ় মানসিকতার সন্দীপ' তাই নিছক খলনায়ক হয়ে থাকে না , ... হয়ে ওঠে 'ঘরে বাইরে ' উপন্যাসের সার্থক প্রতিনায়ক । 


Hero's are so predictable ...So unoriginal
The villain is the unfold glory of a Novel 




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.