x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

রবিবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬

গার্গী রায় চৌধুরী

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
সীতা কথা




এইমাত্র কলেজ থেকে বাসায় ফিরল চন্দ্রিমা। চন্দ্রিমা কলেজ থেকে ফিরলে হাবুলের মার ছুটি। তবু সে যেতে চায় না চট করে। চন্দ্রিমা কে মুড়ি মেখে দেয়, চা করে দেয়। যতক্ষন খাওয়া না হচ্ছে ততক্ষন কাছে বসে থাকে। চন্দ্রিমা তাড়া দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠায়। সকাল আট টায় সে কাজ করতে চলে আসে চন্দ্রিমার কাছে। সারা দিন থাকে। রান্না বান্না ঘরের কাজ সব সামলায়। চন্দ্রিমার জন্য তার বড় দরদ। কিন্তু যেকোনো ভালবাসার সামনেই কুঁকড়ে যায় চন্দ্রিমা। তবু হাবুলের মার আদর ওই আড়াল ভেদ করে জাফরি কাটা আলোর মত এসে পরে চন্দ্রিমার গায়ে। হাবুলের মা একা থাকে তার ভাড়া বাড়িতে। চন্দ্রিমা অনেকদিন বলেছে হাবুলের মা কে, ওর বাড়িতে এসে থাকার জন্য। কিন্তু থাকবে না হাবুলের মা। তার বিশ্বাস, যে হাবুলের বাবা তিরিশ বছর আগে নিখোঁজ হয়ে গেছে নিজের ইচ্ছায় সে একদিন হঠাৎ ফেরত আসতে পারে। তাই সে ওই পাড়া ছেড়ে কোথাও নড়বে না। চন্দ্রিমার ইচ্ছে করে জিজ্ঞেস করতে, যে লোক টা অন্যের কথায় বিশ্বাস করে তোমাকে ছেড়ে চলে গেল তার উপর রাগ ও হয় না তোমার?’ কিন্তু চন্দ্রিমার বুকের কথারা মুখে আসার আগেই পথ হারিয়ে চলে যায় কোথায়। কিছুই বলা হয়ে ওঠেনা কাউকে। হাবুলের মা চলে গেলে চন্দ্রিমা আশ্রয় নেয় তার বই পত্তরের কাছে। 

(২)

চন্দ্রিমা, রাজ আর দেবু অভিন্ন হৃদয় বন্ধু ছিল কলেজে পড়ার দিনগুলিতে। তারপর যা হয়, রাজ আর চন্দ্রিমা প্রেমে পরে গেল পরস্পরের, দেবু থাকল পাশে পাশে। ‘আচ্ছা, রাজ কিছু মনে করে না তো তোর কাছে যখন তখন আসা নিয়ে?’ একবার চন্দ্রিমা কে জিজ্ঞেস করেছিল দেবু। ততদিনে রাজ-চন্দ্রিমার বিয়ে হয়ে গেছে। ‘কি ভাববে রাজ?’ এইসা ধমক দিয়েছিল চন্দ্রিমা দেবু কে। রাজ চন্দ্রিমা কে সন্দেহ করতে পারে এমন অবাস্তব কথা মাথায় এল কি করে দেবুটার। মা-বাপ মরা চন্দ্রিমা কে বুকে করে আগলে রাখত রাজ। অফিসে বেরনোর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত চন্দ্রিমা কে বাড়ির কাজে সাহায্য করত। কাজ থেকে বাড়ি ফিরে এসে সন্ধ্যেটা গল্প মজায় কেটে যেত। দেবু আসতো রোজই। গল্পের ফাঁকে রান্না চাপাত চন্দ্রিমা। এইভাবেই তো কেটে যাচ্ছিল দিন। আনন্দের দিন। তারপর কি হল জানে না চন্দ্রিমা। জানে শুধু রাজ আর দেবু। কি করে যেন দেবুর আসা বন্ধ হয়ে গেল ওদের বাড়িতে। আর কখন যেন চন্দ্রিমা বাদ পরে গেল ওদের দরকারি কথাগুলোর ভিতর থেকে। তখন কথা হত শুধু রাজ আর দেবুর মধ্যে, চন্দ্রিমা জানতে চাইলে এড়িয়ে যেত দুজনেই। ভীষণ অভিমান হয়েছিলো চন্দ্রিমার যেদিন রাজ বলেছিল ‘এটা দেবু আর আমার মধ্যেকার কথা, তুমি এত আগ্রহ দেখাচ্ছ কেন?’ চন্দ্রিমা টের পেত রাজ কে ফোন করে দেবু। দুজনে কথা বলে, দেখা করে অফিসের পরে। রেস্তোরাঁর বার এ বসে মদ খায় দুজনে। কিন্তু চন্দ্রিমা কে ফোন করে না দেবু। চন্দ্রিমা ফোন করলে কেমন যেন এড়িয়ে যায়। তারপর দেবু চলে গেল বিদেশে চাকরি নিয়ে। দেবুর বিদেশে চাকরি পাওয়ার কথাটা রাজ বলেছিল চন্দ্রিমা কে। কোন যোগাযোগই রাখত না দেবু চন্দ্রিমার সঙ্গে। ঘরে কাজ করতে করতে কথাবার্তার ধরনে ও টের পেত দেবুর সঙ্গে ফোনে কথা হচ্ছে রাজের। কিসের অভিমান দেবুর চন্দ্রিমার উপর বুঝতে পারেনি চন্দ্রিমা, শুধু ফোনের স্পিকার অন করে যখন দেবুর সঙ্গে কথা বলতো রাজ, চন্দ্রিমার সহ্য হত না। গলার কাছে কান্না দলা পাকিয়ে উঠত। ও কান্না চাপতে ছুটে চলে যেত অন্য ঘরে। 

(৩)

‘কি গো দিদিমনি? আজ কলেজে যাবে না? জ্বর হল নাকি গো?’ চন্দ্রিমা ছুটি নেয় না সহজে কিন্তু আজকের কথা আলাদা। রাজের চিঠি কুরিয়ারে এসেছে কাল সন্ধ্যের সময়। রাজের চিঠি, তিন বছর পর। এই তিন বছর চন্দ্রিমার সঙ্গে কোন যোগাযোগ ছিল না রাজের, এ কবছরে কোনদিন সে তার বিবাহিত স্ত্রীর খোঁজ করেনি। চিঠিতে সে লিখেছে চন্দ্রিমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে আগামীকাল। কেন আসছে? কি বলতে চায়? কিছুই লেখা নেই চিঠিতে। একদিন সে বাধ্য করেছিল চন্দ্রিমা কে সংসার ছেড়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে, তখনও চন্দ্রিমার কোন কথা, কোন ব্যাখ্যা শোনার প্রয়োজন হয়নি তার আর আজ এত বছর পর দেখা করবার জন্য চন্দ্রিমার অনুমতি চায়নি সে। এত জোর ফলায় সে কোন স্পর্ধায়? চন্দ্রিমার কান গরম হয়ে ওঠে। নিজেকে শান্ত করতে ও ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দেয়। ওর সামনে চায়ের কাপ নিয়ে বসে হাবুলের মা। হঠাৎ চন্দ্রিমা জিজ্ঞেস করে হাবুলের মা কে,

‘যদি হাবুলের বাবা ফিরে আসে কোনদিন, কি করবে তুমি? আবার সংসার করবে আগের মত?’

‘কি জানি? আগে তো জান প্রাণ দিয়ে ভালবাসতাম ওকে, বাপের সাথে ঝগড়া করে ওর হাত ধরে বেরিয়ে এসেছিলাম। সেই লোক অন্যের কথায় বিশ্বাস করে ছেলে শুদ্ধু আমায় ছেড়ে চলে যাবে সেকি জানতুম? আপন সহোদর ভাই কে সন্দেহ করতো আমায় নিয়ে। ছেলের বাবা কে সেই নিয়েও সন্দেহ। নিজেও কষ্ট পেত আমাকেও জ্বালিয়ে মারত’। এই বলে উঠে পরে হাবুলের মা। চন্দ্রিমার মনে হল ওকে জিগ্যেস করে আর ঘর ই যখন করবে না তখন অপেক্ষা করে থাক কেন? কিন্তু কিছুই জিগ্যেস করা হয় না।


চন্দ্রিমার ডেরায় রাজ এসে পৌঁছল গোধূলি বেলায়। হাবুলের মা তখন যাওয়ার তোড়জোড় করছে। সে চলে যেতে পরিবেশ টা অসস্তিকর হয়ে ওঠে। চন্দ্রিমা কি বলবে ভাবতে ভাবতে দেখে কখন নড়ে উঠেছে ওর ঠোঁট।

- ‘তুমি হঠাৎ কেন এলে? কিছু বলার থাকলে তাড়াতাড়ি বল, এখান থেকে কলকাতা যাওয়ার লাস্ট ট্রেন আট টায়’।
- ‘আমি তো ফিরে যাব বলে আসিনি’। 
- ‘আমি এখানে একা থাকি, এখানে তোমার থাকা সম্ভব নয়। এতদিন পর কেন আমায় মনে পড়ল সেটা যদি একটু বল তাড়াতাড়ি’।
- ‘প্রতি মুহূর্তে মনে পড়েছে তোমায়। শুধু সামনে আসিনি। তোমার সব খবর কিন্তু রেখেছি আমি’। রাজ বলে চলল ...

‘জান তো আমার কি রকম গোঁয়ার স্বভাব। যেদিন জানলাম দেবু তোমায় ভালবাসে সেদিন আমার পৃথিবী টলে গিয়েছিল। ছেলেমানুষি করে ভেবেছিলাম, তুমি তো জানতে, তবু প্রশ্রয় দিতে কেন ওকে? তোমার মনে কি কিছুই ছিল না ওর জন্য? তোমায় জিগ্যেস করে সেদিন কোন সদুত্তর পাইনি চন্দ্রিমা। তুমি বলেছিলে তুমি জান দেবু তোমাকে ভালবাসে’।

চন্দ্রিমা চুপ করে বসে থাকে। রাজের কথার উত্তর দিতে তার প্রবৃত্তি হয় না। সে তো সব বলেছিল রাজ কে। তাও আজও চন্দ্রিমার কথাগুলো রাজের কাছে সদুত্তর হয়ে উঠতে পারেনি। দেবের মনভাব চন্দ্রিমা জানত, কিন্তু তাতে কি? চন্দ্রিমা তো কখনও রাজের মত করে ভালবাসেনি দেব কে। রাজের মত করে পেতেও তো চায়নি। এই সামান্য কথা টা বুঝল না রাজ। দেবু কে সরিয়ে দিল চন্দ্রিমার থেকে, নিজেও সরে গেল দূরে। মুখের উপর চন্দ্রিমা কে বলে দিল ওর সঙ্গে এক বাড়িতে থাকতে পারবে না। রাজ চেয়েছিল চন্দ্রিমা আসতে বারন করুক দেবু কে। চন্দ্রিমা তাতে রাজি হয়নি। চন্দ্রিমা জানে দেবুর কোন অপরাধ নেই। সে কখনও জোর করে কিছু আদায় করেনি চন্দ্রিমার থেকে।

রাজ বলে চলে, ‘দেবু কলকাতায় ফিরেছে, ও বিয়ে করবে তাই এসেছে কলকাতায়। আমি জানি তুমি কোন যোগাযোগ রাখোনা দেবুর সঙ্গে। আমিই ভুল বুঝেছিলাম তোমায়। তুমি পবিত্র, তোমার কোন দোষ নেই চন্দ্রিমা। ফিরে চল। আমারই ভুল হয়ে গেছে। সরি… প্লিজ’। 

(৪)

চন্দ্রিমা নাটক চায়নি। সেরাত্রে রাজের কাকুতিমিনতির পর ও রাজকে বলেছিল চাকরি ছাড়তে পারবে না তাই পাকাপাকি ভাবে যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে যাবে। ছুটির দিন দেখে। রাজ বলে যায় পরের শনিবার ও অপেক্ষা করে থাকবে চন্দ্রিমার জন্য। চন্দ্রিমা ভাবে রাজ কি করে জানল চন্দ্রিমা কোন যোগাযোগ রাখেনি দেবুর সঙ্গে? দেবু বলেছে? নাকি লুকিয়ে গোয়েন্দা গিরি করেছে ও চন্দ্রিমার পিছনে? রাজ চেয়েছিল দেবু শুধু রাজের বন্ধু হয়ে থাক। চন্দ্রিমা কে বিশ্বাস করতে পারেনি সে। তাই গোপনে ষড়যন্ত্র করে দেবুর যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় চন্দ্রিমার সঙ্গে। চন্দ্রিমা আজও জানে না রাজ কি বলেছিল দেবু কে। নিজের বন্ধুত্ব বজায় রেখে ওরা চন্দ্রিমা কে ছেঁটে ফেলেছিল ওদের মধ্যে থেকে। চন্দ্রিমার মতামতের কোন তোয়াক্কা না করে।

রাজ ট্রেনের টিকিট কেটে চন্দ্রিমার ই-মেইলে পাঠিয়ে দিয়েছে, শনিবার ভোরের ট্রেনে চন্দ্রিমার যাওয়ার কথা কলকাতায়। রাজ স্টেশনে থাকবে বলেছে। চন্দ্রিমার কেমন যেন স্বপ্ন স্বপ্ন লাগছে সবকিছু। কেমন যেন ধোঁয়ার মধ্যে ভেসে যাচ্ছে ও। রাগ, দুঃখ, অভিমান, প্রেম কোন কিছুই অনুভব করতে পারছে না। রাজ বলেছে শনিবার রাতে ডিনারে ডেকেছে দেবু কে। ওর মনে নাকি আর কোন অবিশ্বাস নেই, এটা ও বার বার বিশ্বাস করতে বলছে চন্দ্রিমা কে। কিন্তু চন্দ্রিমার মন ভাবছে অন্য কথা। এতদিন পর আবার সংসারে পা রাখতে চলেছে চন্দ্রিমা, তাই শনিবার সন্ধ্যায় রাজ আর চন্দ্রিমার ই তো একা সময় কাটানোর কথা ছিল। তবে রাজ আজই ডাকল কেন দেবু কে? তবে কি দেবু আর চন্দ্রিমা কে সামনা সামনি বসিয়ে আজ চন্দ্রিমার অগ্নি পরীক্ষা নেবে রাজ? পরখ করে নেবে দুপক্ষের টান এখনও কতটা আছে? দেবু বিয়ে করবে বলেছে কিন্তু সেটা তো যথেষ্ট নয়। চন্দ্রিমার চোখে কতটা মায়া আজও লেগে আছে দেবুর জন্য সেসব মেপে নেবে রাজ? ঘরে ওঠার আগে চন্দ্রিমাকে পবিত্রতার পরীক্ষা দিতে হবে। চন্দ্রিমা দেখে ধোঁয়া কেটে স্পষ্ট হচ্ছে চারপাশ। 

(৫)

শনিবার সকালে হাবুলের মা এসে বেল বাজালে আড়মোড়া ভেঙ্গে বিছানা থেকে ওঠে চন্দ্রিমা। তাকে দেখে অবাক হাবুলের মা, ‘একি, তৈরি হওনি? যাবে না? চন্দ্রিমা হেসে বলে, ‘না গো যাব না। জানিয়ে দিয়েছি। ‘স্বামীর ঘর করবেনা?’ ‘না, এই তো বেশ, তোমার-আমার ঘর হাবুলের মা, কি ভাল না?’ চন্দ্রিমা হাবুলের মা কে হাত ধরে এক পাক ঘুরিয়ে দেয়। হাবুলের মা দেখে চন্দ্রিমার মুখে কোন দুশ্চিন্তার রেখা ফুটে নেই। চোখ দুটি ঝিকমিক করছে আনন্দে। দেখে হাবুলের মার মন ভরে যায়। সে চন্দ্রিমা কে জড়িয়ে ধরে বলে ‘সেই ভাল, তুমি মুখ ধুয়ে এস চা করি, দুজনে বসে খাই’। তারপর চলে যায় রান্না ঘরের দিকে। চন্দ্রিমা ফ্রেশ হয়ে এসে দেখে চা নিয়ে হাবুলের মা বসে আছে বারান্দায়। তার দৃষ্টি দূরে কোথায় হারিয়ে গেছে। চন্দ্রিমার ডাকে সজাগ হয় সে। চন্দ্রিমার দিকে তাকায়। সেই চোখে কি যেন ছিল, অন্যরকম কিছু। চন্দ্রিমা কাছে এসে হাবুলের মায়ের গায়ে হাত রাখে। হাবুলের মা বলে, ‘আজ থেকে আমি তোমার কাছে থাকবো দিদিমনি। ওই পাড়ায় আর যাবনি’।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.