x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

রবিবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬

দেবাশীষ জানা

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
দেবাশীষ জানা

চোখের গল্প 

একটি চোখ তাকিয়ে থাকলো-
স্থির, গভীর
আর একটি লুকিয়ে থাকলো
লজ্জা, সমাজ- বাধ্যবাধকতায়

একটি চোখ ডুবে থাকলো
অসীম অপেক্ষায়,
আর একটি ঘুমিয়ে থাকলো
অদ্ভুত এক অন্ধকারে

একটি চোখ পাড়ি দিল
সুদুর- চাঁদের দেশে
আর অপরটি তখনও গুনছে
কৃষ্ণপক্ষের দিনক্ষণ

একটি চোখ চুরি করে নিয়ে গেল-
আমাকে- পুরোটাই, সর্বস্ব...
আর অপরটিতে গোপনে আঁকা রইল
আমার মরণ, মুক্তি......


সন্ধ্যেবেলার গল্প
এই সন্ধ্যেবেলার অর্ধেক আকাশ তোকে দিলাম
বাকি অর্ধেকটা থাক এই নরম ঘাস, মরমী শিরীষ,
পৃথিবীর প্রতিটি প্রেম-যুগল আর সন্ধ্যাতারার জন্য.........


লুকনোর গল্প
এক গভীর রাতে
বার্তালাপের ফাঁকে
সেই মেয়েটি বলেছিল
“করবো দেখা-আসবে কবে তুমি?”
বুকের মধ্যে জ্বালিয়েছিলাম সন্ধ্যাতারার আলো
তবু দিইনি কথা
চাইনি পেতে নতুন কোনো ব্যাথা
আমার মধ্যে লুকিয়েছিলাম-
পাগল-প্রেমিক আমি!
     



Comments
2 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.