x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, নভেম্বর ২৫, ২০১৬

সুশান্ত কুমার রায়

sobdermichil | নভেম্বর ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
জীবন বীণায় শব্দ শিল্পে ফেরদৌসী রহমান বিউটি












ফেরদৌসী রহমান বিউটি কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বাঘভান্ডার গ্রামে ১৯৬৩ সালের ২৭ এপ্রিল জন্ম গ্রহন করেন। পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আয়েত আলী ভূঁইয়া ও মাতা হাসনারা ভূঁইয়া। সাহিত্য না কোন যুগের, নয়তো কোন কালের- কোন গন্ডীতে সাহিত্যকে বেধে রাখা যায় না- সাহিত্য চিরন্তন শাশ্বত- অপরিবর্তনীয় ও অবিনশ্বর। আলোচ্য গল্পকার সাহিত্যের হৃদয়-মন্দিরে অবগাহন করে তার সৃজনশীল সুক্ষ্ম শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পাঠকের রুচি পরিবর্তনের শ্রমসিদ্ধিতে সফল হয়েছেন একথা বলা যায় নিঃসন্দেহে। যেখানে গল্পকার তাঁর জীবন বীণায় শব্দ ও কথামালার দ্যোতনা ও ব্যঞ্জনায় সাহিত্য নবরুচির ভূবনে সাহিত্যের এমন এক নির্যাস অন্বেষণে প্রবৃত্ত হন যা পাঠকের কাছে নবতর বার্তা বয়ে এনেছে বলে আমি মনে করি। কবি সরোজ দেব এর শব্দ প্রকাশনী থেকে একুশে বইমেলা ২০০৮ সালে প্রকাশিত প্রান্তিক অরণ্যের প্রতীকি গুণ সম্পন্ন প্রচ্ছদে স্বচ্ছ মুদ্রণ ও সহজ সাবলীল ভাষায় রচিত মালতি ও শেকড় জীবন গল্পকারের এমনি আরাধ্য একটি গ্রন্থ। মোট চল্লিশ পৃষ্টার এই গল্প গ্রন্থটিতে চৌদ্দটি গল্প রয়েছে। মালতি ও শেকড় জীবন-এ সিরিয়াসধর্মী সমাজের নিম্নবিত্ত মানুষের হাহাকার এবং সমাজের স্খলন-বিকলনের এক অনন্য সমাজচিত্র প্রতিবিম্বিত হয়েছে তাঁর অনুসন্ধানী দৃষ্টির প্রতিটি গল্পের অবয়বে-বিষয়বৈভব ও বৈচিত্র্যে। জীবন যুদ্ধে বিধ্বস্ত বিপর্যস্ত অতি সাধারণ সাদামাটা নিম্ন আয়ের মানুষ। যেখানে জীবন যুদ্ধের নির্মম কষাঘাতে তিলে তিলে নিজেকে নিঃশেষ করে দেয়। সমাজের শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতন, শ্রেণিদ্বন্দ্ব, স্বার্থদ্বন্দ্ব, ভন্ডামি ও সংগ্রামমুখরতার মনন ও মানবীক্ষা স্বরূপ গল্পকারের মানব সত্তার বিশ্লেষণী দৃষ্টির গভীরতা প্রশংসার যোগ্য। রোদ, দীপ, সেই ছেলেটি, অধরা, মেষ কন্যা, বাতাসের মৃদু শব্দ, বিশ্বাসের ভিত, কষ্টের রং নীল, নিছক গল্প নয় মালতীর, অন্তুর কপালের সিঁদুর, কদম ফুলের গন্ধ, প্রতিবিম্বের ছটা, কষ্টের প্রহর গুনে ঊষার আলো এবং পিঙ্গল বর্ণ ও নীলাভ আভা মালতী ও শেকড় জীবন গল্পগ্রন্থে গল্পকারের দৃষ্টির তীক্ষèতা, বোধের গভীরতা এবং সর্বোপরি উপস্থাপনার পারঙ্গময়তায় বিবিধ ভিন্নতার এই স্রোত সম্মিলিতভাবে জীবন সংগ্রাম ও জীবনায়নের সাগর সঙ্গমে ছুটে চলেছে প্রতিনিয়ত প্রতিক্ষণ। সমাজ সভ্যতার যে দ্বন্দ্ব- সামন্তবাদের সাথে পুঁজিবাদের বা রক্ষণশীলতার সঙ্গে প্রগতিশীলতার; জীবনের যে সংগ্রাম- শোষকের সঙ্গে শোষিতের, রাষ্ট্রযন্ত্রের সঙ্গে নিপীড়িত জনগণের- আলোচিত সাহিত্যের সহজ শরীর খুঁজে গল্পকার তাঁর প্রবন্ধে সমাজে মানুষের জীবন সংগ্রামের এই অভিন্নতা গাল্পিক কৌশলে তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে নীলাভ রৌদ্রের মোহনায় কবি ফেরদৌসী রহমান বিউটি শিল্পীসত্তার হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা কষ্ট-বেদনাকে কাব্যের কাব্যিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন। বেদনার প্রতিষেধক-এ কবি তাঁর কষ্টকে গহীন সত্তায় লালন করেন এভাবে- ঝিনুকের হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা কষ্টকে কিনেছি মুক্তোর দামে / এখন এই ঝিনুক নির্মিত বেদনা, এই একান্ত আমার... - দৃশ্য ও চিত্রকল্পে কবি সত্তার বাঙময়তায় কবি আবারও উচ্চারণ করেন-উঠতি তারুণ্যে ভালবাসি কবিতার মাঠ / সেই মাঠের নিমগ্ন কৃষক হতে তাই অতঃপর / কবিতার চাষাবাদে আমিও হয়েছি কবিতার কৃষক / শ্রম শুধু ঝরিয়েই যাচ্ছি...। তাঁর আরাধনার পাথেয় কোন নতুনতর সৃষ্টিশীল হোক এই কামনাই করছি। গল্পকার ও কবি ফেরদৌসী রহমান বিউটি বিবেক-জ্ঞান বুদ্ধিতে গড়িয়ান এবং আত্মশক্তিতে বলিয়ান একজন নারী । লেখালেখির শুরুটা ছোটবেলা থেকেই। 

ছাত্রজীবনে স্কুল, কলেজ, পাঠাগার ও বিভিন্ন সাহিত্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আয়োজিত সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে কবিতা, ছড়া, গল্প ও প্রবন্ধ রচনায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। বেতার বাংলাদেশ, রংপুর এ ছোটদের আসরে তাঁর কবিতা আবৃত্তি হয়েছে বহুবার। মোগলহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন্তে লালমনিরহাট সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন । সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, লালমনিরহাট থেকে ১৯৭৯ সালে এস. এস. সি. পাশের পর ইন্টারমিডিয়েটে পড়াশোনা করেন লালমনিরহাট সরকারি কলেজে । ১৯৮১ সালে ইন্টরমিডিয়েট পাশের পর ওই কলেজে ডিগ্রীতে ভর্তি হন। পরবর্তীতে কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ১৯৮৪ সালে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে সাফল্যের সহিত এম. এ. ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ১৯৯০-৯১ সালে বি. এড. করেন। কর্মজীবনের শুরুতে মহেন্দ্রনগর কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি লালমনিরহাট জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে হিসাব সহকারী পদে কর্মরত আছেন। লালমনিরহাট জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব- বিশিষ্ট আইনজীবী এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মতিয়ার রহমান এর সাথে ১৯৮৯ সালের ২৯ মে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। একমাত্র মেয়ে সেজুঁতি। বর্তমানে লালমনিরহাট জেলার উকিল পাড়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। কবি ও গল্পকার ফেরদৌসী রহমান বিউটির সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের স্বাক্ষর প্রতিফলিত হয়েছে বিভিন্ন সংগঠনের নিযুক্ততায় কর্মদক্ষতা ও দ্বায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে । সর্বোপরি তিনি অতি সহজে অন্যকে আপন করে নিতে জানেন। জৌলুস, আভিজাত্য আর অহমিকাকে বিসর্জন দিয়ে সাদামাটা জীবন যাপনে তিনি অধিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। জাত-পাত তাঁর কাছে বড় নয় সবার উর্ধ্বে তিনি মানবতাকে স্থান দেন। সভাপতি, রোদ্দুর ( মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ), সভাপতি, বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ, ( লালমনিরহাট ), সম্পাদক, স্বর্ণামতি নন্দিনী সাহিত্য পাঠচক্র, লালমনিরহাট জেলা শাখা, উপদেশক, জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ ছাড়াও বেশ কিছু সমাজ সচেতনতা ও সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান ও কর্মকান্ডের সহিত সম্পৃক্ত রয়েছেন। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সম্মাননায় অভিসিক্ত হন। হুগলি নন্দিনী স্মারক সম্মান-২০০৯ (পশ্চিমবঙ্গ),বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য সংস্কৃতি সম্মেলন সম্মাননা-২০০৯ (কলকাতা),নবগঙ্গা জাতীয় সাহিত্য পদক-২০১০ (মাগুরা), ছান্দসিক তরণ কবিতাকর্মী সংবর্ধনা-২০১০ (রংপুর), দুই বাংলার কবিতা উৎসব ও স্মারক সম্মান-২০১০(টাঙ্গাইল), তিস্তা নন্দিনী সম্মাননা স্মারক-২০১১ (রংপুর)*টাঙ্গন নন্দিনী সৌহার্দ্য স্মারক-২০১১ (ঠাকুরগাঁও)*অপরাজিত ছোট গল্প সম্মাননা-২০১১ (বগুড়া), শহীদ ক্যাপ্টেন মনছুর আলী সাহিত্য পদক আজীবন সম্মাননা-২০১২, কবি শামসুর রাহমান সাহিত্য পুরস্কার (কাব্যসাহিত্য), কবি সংসদ,বাংলাদেশ, ঢাকা। আরশী নগর গুণীজন সম্মাননা (কাব্যচর্চা)-২০১২, লালমনিরহাট, বিশ্ব বাংলা সাহিত্য পরিষদ সম্মাননা স্মারক-২০১২ (সিরাজগঞ্জ), অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতির আয়োজনে সোনালী জলের ঘ্রাণ কাব্যগ্রন্থে শ্রেষ্ঠ কবিতার সম্মাননা-২০১৩, লালমনিরহাট, কবি খান মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার-২০১৩, ঢাকা, বিশ্ব বাংলা সাহিত্য উৎসব-২০১২, সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ (বাসকপ) সম্মাননা স্মারক-২০১৩, ঢাকা, উপদেশক সম্মাননা, সাহিত্য সংস্কৃতি চাষীচ্যারিটেবল সোসাইটি-২০১৩, ঢাকা, শ্রেষ্ঠ নন্দিনী, বরাত উপত্যকা, শিলচর আসাম-২০১৩, হুগলি নন্দিনী স্মারক সম্মান ২০০৯ ( পশ্চিমবঙ্গ ), বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য সংস্কৃতি সম্মেলন সম্মান-২০০৯ (কলকাতা ), নবগঙ্গা জাতীয় সাহিত্য পদক১০ ( মাগুরা ), ছান্দসিক তরুণ কবিতা কর্মী সংবর্ধনা-২০১০ ( রংপুর ), দুই বাংলার কবিতা উৎসব ও স্মারক সম্মান-২০১০ (টাঙ্গাইল), তিস্তা নন্দিনী স্মারক সম্মাননা-২০১১ ( রংপুর ), টাঙ্গন নন্দিনী সৌহার্দ্য স্মারক-২০১১ ( ঠাকুরগাঁও ) এবং অপরাজিত ছোটগল্প সম্মাননা-২০১১ ( বগুড়া ), শহীদ ক্যাপ্টেন মনছুর আলী আজীবন সম্মাননা’২০১২ এবং কাব্য চর্চায় আরশী নগর সম্মাননা-২০১২ উল্লেখযোগ্য। তাঁর সহযোগিতায় অনেক সংগঠন নতুন করে উজ্জীবিত হচ্ছে। লালমনিরহাট জেলার বাহিরেও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সাংগাঠনিক অঙ্গণে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি যেসব সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠনে নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন সেগুলো হলো- সভাপতি, রোদ্দুর, মাসিক সাহিত্য পত্রিকা, লালমনিরহাট; সভাপতি, বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ, লালমনিরহাট জেলা শাখা; সম্পাদক, স্বর্ণামতি নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্র, লালমনিরহাট জেলা শাখা; উপদেশক, জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, লালমনিরহাট জেলা শাখা; সদস্য, রঙ্গপুর গবেষণা পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা; তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, সাহিত্য পরিষদ, লালমনিরহাট; উপদেশক, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা, লালমনিরহাট জেলা শাখা; আজীবন সদস্য, বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, কলকাতা; আজীবন সদস্য, সার্ক কালচারাল ফোরাম, কলকাতা; সদস্য, রঙ্গপুর গবেষণা পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা; নির্বাহী সদস্য, বিশ্ব বাংলা সাহিত্য পরিষদ। ফেরদৌসী রহমান বিউটি এ অঞ্চলের মাটি ও মানুষের কবি ও গল্পকারক। তাঁর কলমে বেরিয়ে এসেছে দেশ-জাতি, সমাজ-সংস্কার, ধর্মহীনতা-গোরামী, প্রবঞ্চণার মতো অনেক বিষয়। একজন লেখককে পাঠকের অনুভবের যোগ্যতাকে স্পর্শ করাতে খুবই কঠিনভাবে কাজ করতে হয়। সেভাবে ফেরদৌসী রহমান বিউটি তাঁর লেখার জগতে সৃষ্টি করলেন নতুন নতুন ঘটনার প্রবাহ। তিনি প্রকাশিত করলেন গল্প গ্রন্থ- মালতী ও শেকড় জীবন, প্রকাশকাল-২০০৮ একুশে বইমেলা। এরপর ২০১২ সালে একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হয় কাব্যগ্রন্থ নীলাভ রৌদ্রের মোহনায় এবং ২০১৩ সালে একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হয় তাঁর অন্য আর একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ মেঘ শিশিরের কাব্য। জ্ঞান পিপাসী ফেরদৌসী রহমান বিউটি নতুন লেখকদের বেশি বেশি করে প্রতিষ্ঠিত ও বরেণ্য লেখকদের বই পড়ার জন্য প্রেরণা ও উৎসাহ যোগান । বই পড়ায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তরুণ লেখকদের লেখা ও বই প্রকাশে আর্থিক দিকটি তিনি সমাধানকল্পে যথেষ্ট সহযোগিতা করে থাকেন। লালমনিরহাট এর একমাত্র সাহিত্য পত্রিকা রোদ্দুর; ফেরদৌসী রহমান বিউটির সম্পাদনায় লালমনিরহাট থেকে প্রকাশিত হয়েছে স্বর্ণামতি সাহিত্য পত্রিকা। এই পত্রিকাটি বাংলাদেশ ও ভারতীয় লেখকদের লেখায় সমৃদ্ধ ও সামদৃত হয়েছে। সময়ের আবর্তনে আজ স্বর্ণামতি পত্রিকাটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা হিসাবে প্রকাশের অপেক্ষায় আছে। কবি ফেরদৌসী রহমান বিউটি অন্যের ছোট-খাটো দুঃখ কষ্টগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করেন এবং সেগুলো সমাধানের পথ খুঁজে বের করে তা নিবারণের চেষ্টা করেন। ভাল-মন্দ বিচার বিবেচনায় তিনি কখনও অন্যের মতামতকে উপেক্ষা করতেন না। যে কোন বিষয়ে তিনি খুব ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত ও কাজ করার সুপরামর্শে সিদ্ধহস্ত। কোন ভালো কাজে তাঁর বরাবরই উৎসাহ ছিল- এখনও আছে এবং মন্দ কাজের তীব্র নিন্দা ও বিরোধিতা করেন এখনও নিঃসঙ্কোচচিত্তে। 



***
সুশান্ত কুমার রায়, প্রাবন্ধকি ও কবি কথক, বাংলাদশে বতোর রংপুর। সম্পাদক, উত্তরায়ণ (সাহত্যি-সংস্কৃতি ও শল্পি ভাবনার ছোট কাগজ) 
সোনালী প্রান্তর, বাসা নম্বর-১০২, রোড নম্বর-৪, মশিনমোড়, লালমনরিহাট। হাওয়াই সংযোগ-০১৭৩৯৮৩৫৪৮৬




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.