x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, নভেম্বর ২৫, ২০১৬

সুমনা পাল ভট্টাচার্য্য

sobdermichil | নভেম্বর ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
 তিস্তা'রা...




সারা বাড়িতে ছাদের এই দক্ষিণ দিকটা সবথেকে প্রিয় তিস্তার। বরাবরই  মন খারাপ হোক বা খুব আনন্দ হোক, স্বাভাবিক অভ্যেসেই চলে আসে এই দখিন কোণে। বেগনভেলিয়া গাছটা কি সুন্দর করে বেড়েছে, আহা, থোকা থোকা ফুলগুলোর পাশে দাঁড়ালে মনে হয়- জীবনের সমস্ত মরচে রঙ উধাও। সব যেন ফুলেল, সুরভিত, সুন্দর।

"নাও গো দিদি চা নাও"-

রূপার মা, এবাড়ির অনেকদিনের কাজের লোক। আজকে প্রায় নয় নয় করে বছর তিনেক পরে এলো তিস্তা এ বাড়িতে। আজও কতো চেনা এই গলি, এই সিঁড়ি আর ঐ কুলুঙ্গির ঘরটা। নি:স্তব্ধ দুপুরে হাজারো অজুহাতে ঐ কুলুঙ্গির ঘরটাতেই তো তিলে তিলে বেড়ে উঠেছিল, ওর আর অসীমের সম্পর্কের চারাগাছ। তিস্তার ঠোঁটের লিপস্টিক শোষা দুপুরগুলো, চুল এলোমেলো করে দেওয়া দুপুরগুলো, কপালের টিপ খসে পড়া দুপুরগুলো, অন্তর্বাস ভিজে যাওয়া দুপুরগুলো, কাজল লেপ্টে যাওয়া দুপুরগুলো সাক্ষী তার আর অসীমের আট আটটা বছরের তুফানী প্রেমের।


কলেজস্ট্রীটের ট্রামলাইনের গা বেয়ে পাশাপাশি হাঁটার অভ্যেস থেকে ইউনিভার্সিটি, চাকরির ইন্টারভিউ সবখানেই সেই পাশাপাশি হাঁটার অভ্যেস ছিল বজায়, এই আট বছরে। নিজেকে লাল বেনারসীতে আর এক মাথা সিঁদুরে কতোবার স্বপ্ন দেখেছিল তিস্তা অসীমের বুকে মাথা রেখে- তা শুধু সেই জানে।

**

মাসিমা অসীমের মা, ভালবাসতো তিস্তাকে খুব। আজ শ্রাদ্ধ শেষে যখন মালাগুলি একটা একটা করে গোছাচ্ছিলো তিস্তা, ফটোটার দিকে তাকিয়ে মনে হল, ঠিক এইভাবেই হাসতো মাসিমা, যখন দুপুরবেলা দরজা খুলে অসীম আর তিস্তাকে দেখতো একসাথে, হেসে বলতো,"শোন্ আমি একটু শুলাম।" কখনো তিস্তার কোমর ছাড়ানো বিনুনির দিকে চেয়ে বোলতো," টো টো করে রোদে ঘুরিস না তো, ও তো বাউন্ডুলে, তুই তো আমার লক্ষ্মী মেয়ে"-

অসীম আহ্লাদী হিংসেতে বোলতো, " হ্যাঁ, লক্ষ্মী তো নয় এক্কেবারে লক্ষ্মী-পেঁচা..." তিস্তা ভ্রূ কুঁচকে ঝাঁপিয়ে পোড়তো অসীমের ওপর," এই বললি কেন? বল বল কেন বললি?" - আঁচড়ানো, মারপিট, চিমটি, নখের দাগ... একসময় তাকিয়ে দেখতো, মাসিমা কখন সরে গেছে তাদের এই রাগ- অনুরাগের মঞ্চ সাজিয়ে।


তিস্তা হবে অসীমের বউ, এমনটাই তো হওয়ার কথা ছিল। বাবাকে ছোটোবেলাতেই হারিয়েছিল অসীম। মা ই সব। মাসিমা গভর্ণমেন্ট স্কুলের টিচার ছিলেন, মর্নিং স্কুল থেকে ফিরে জগত বলতে তার ছিল এই বাড়ি, আর বুকের পাঁজর এই একমাত্র সন্তান 'অসীম'। হিসেবের কোথাও কোনো গন্ডগোল ছিল না তো! তিস্তা যেদিন প্রথম শুনতে পেল অসীমের পিছু হাঁটার শব্দ, সেদিন এও বুঝতে পারল, অনেকটা সরে গেছে অসীম তার সীমানা ছাড়িয়ে। আজ তাদের মাঝে বিশাল ছায়ার মত ছড়িয়ে আছে যে নামটা তা হল, 'মৌবনী'। 

চমৎকার দেখতে মৌবনীকে। এখনও গায়ের রঙটা ততোটাই চকচকে, খুব স্টাইলিশ ও বরাবরই, আর ইংরাজির উচ্চারণটাও এতো চমৎকার যে বলার নয়। ওদের তিনবছরের জুনিয়র মৌবনী প্রথম থেকেই ফ্যান- ফলোয়ার ছিল, তিস্তার।

"তিস্তাদি বলো না গো, এই কালার টা আমায় মানিয়েছে?" কতোবার ওর আর অসীমের পাশাপাশি বসে থাকা কলেজ সিঁড়িতে হানা দিয়েছে মৌ শুধু এটুকু বলার জন্য... কখনো বিরক্ত হয়নি তিস্তা। আদুরে মৌবনীকে গাল টিপে বলেছে, " ওরে তুই যা পড়িস, তাই ভাল লাগে।" 

চোখ সরিয়ে অসীমের দিকে তাকিয়ে জিগ্যেস করেছে, " সত্যি তো?" 
অসীমও হেসেছে, তিস্তাও । ...  আনন্দে ছুটে চলে গেছে মৌবনী, আর ওরা দুজনেই হেসে বলেছে, "পাগলি"!


এমনই তো স্বাভাবিক ছিল সব ছন্দ। হঠাৎই যদি সেদিন দুপুরে, অসীমের সাথে ফালতু মনোমালিন্য মেটানোর তাগিদে একা ওই কুলুঙ্গির ঘরে না চলে আসতো তিস্তা... স্যাঁতসেঁতে দেওয়ালে সিঁটিয়ে গেছিল তিস্তার আবেগ ভরা শরীরটা।

অসীমের মাতাল ঠোঁট পাগলের মতো নেশা হাতড়াচ্ছে মৌ এর অর্ধনগ্ন শরীর জুড়ে, আর মৌ পরম ভরসায়, আবেগে জড়িয়ে আছে অসীম কে সবটুকু উত্তাপ দিয়ে। কোনো ভাষা, কোনো শব্দ, কোনো সাড় ই ছিল না তিস্তার। কোনো অনুভূতিই আর সেই মুহুর্তে কাজ করেনি তিস্তার ভেতর। 

দরজা খুলেই রূপার মা বলেছিল, " ওমা তুমি? দাদা তো........ " 

কথা শেষ হবার আগেই তিস্তা শশব্যস্ত ভঙ্গিতে লাফ দিয়ে দিয়ে সিঁড়ি পেরোতে পেরোতে বলেছিল, " আরে আমি জানি, মাসিমা মেজমাসির বাড়ি গেছে তো? অসীম কোথায়? ঘরে তো?" রূপার মা'র উত্তরের অপেক্ষাও করেনি তিস্তা, ভাগ্যিস করেনি...বা যদি করত তবেই কি ভাল হত! 

ভূত দেখলে মানুষের মুখ কেমন হয়, তা বুঝি সেদিন অসীমের মুখ দেখে বুঝেছিল তিস্তা। চোখে একফোঁটাও জল ছিল না তিস্তার, ছিল না ঘৃণা ও, শুধু ছিল জিগ্যাসা, অঝোর বাঁধভাঙা আগুন-নদীর মত বয়ে গেছিল সেই জিগ্যাসা, তিস্তার চোখ থেকে বুকে..

খুব নাটকীয় ভাবে বলেছিল, "কনগ্রাচুলেশন মৌ, ভাল থাকিস রে..." 

মৌ চোখ তুলে তাকায় নি তিস্তার দিকে, তবে ওর মুখে ছিল এক অদ্ভুত জিতে যাওয়ার আনন্দ। রূপের অহঙ্কার আর প্রেমের অলঙ্কারের গর্ব ছিল ওর চোখে, মুখে।ওর ঠোঁটময় তখনও টাটকা থুথু, সেও তো অসীমেরই। আর অসীমের নিকোটিন পোড়া মত্ত ঠোঁটদুটো শুকনো, হিম, কাঠ। অসীমের সেই মুখটা আজও মনে পড়ে ঘুমের ভেতর। হঠাৎ ভীড় বাসে, বা পথ চলতে চলতে, চোখ ঝাপসা হয়ে যায় তিস্তার আজও কতোবার, কতোদিন- 

**

একটা দোমড়ানো কান্না গলা থেকে ঠিকরে বেরিয়ে আসে আজও.. কি ছিল না তার? মৌ এর মত গায়ের রঙ? তাকে কি দেখতে খুব খারাপ? তবে যে এতো ছেলে প্রোপোজ করে ওকে আজও! কেন সেই সব ছেলেগুলোকেই ওর অসীমের মতই সরীসৃপ মনে হয় ? কেন পারে না, ভাসতে!! বাঁচতে আবার!! ... জীবনের এই একটা আঘাত 'তিস্তা' নদীর বুকে যেন একফালি চরা এঁকে দিয়েছে...চা টা খেয়েই বেরোবে তিস্তা। 

অসীমই গেছিল মা এর মৃত্যূর খবরটা দিতে তিস্তার বাড়ি, আর বলেছিল, " মা অনেকবার তোকে দেখতে চেয়েছিল। আসিস প্লিজ শ্রাদ্ধের দিনটা।"

তিস্তা মাসিমার টানেই আসতো, তবে অসীমের আসা, অনুরোধ করা কি ম্যাটার করে না ওর কাছে? সে হিসেব তিস্তা করে না আর আজ, আবার হয়তো করেও, রাতের ভেজা বালিশের কোণই একমাত্র সাক্ষী তার। মৌ জল দিল, মিষ্টি দিল। পাত পেড়ে খায় না তিস্তা কোনো শ্রাদ্ধ বাড়িতেই জানে অসীম, তাই হয়তো মৌ ও জানে। এই তো সবে দুবছর বিয়ে হয়েছে ওদের।

বিয়ের কার্ডও গেছিল তিস্তার বাড়ির ঠিকানায় পার্মানেন্ট ইনফর্মেশনের মতো। আজও তিস্তা খোঁজে ওই একটাই উত্তর, কি ছিল না ওর? যদি একবার পারতো সব বাঁধন ভেঙে অসীমের বুক চিঁড়ে জিগ্যেস করতে... পারেনি তিস্তা আজও। অসীমও জানতো হয়তো এটা কখনো পারবে না করতে তিস্তা--


সিঁড়ি দিয়ে নেমে চলেই যাচ্ছিল, এমন সময় মৌ হঠৎই ডাকল, " তিস্তা দি একটু শুনবে?"
তিস্তা ঘুরে তাকালো, বলল,"বল্"- 
" মা এই চিঠিটা তোমায় দিয়ে গেছে, মারা যাওয়ার দুদিন আগে আমায় দিয়েছিল, আর বারবার বলেছিল, আমি যেন অবশ্যই তোমায় এটা দিয়ে দিই।" 

তিস্তা বেশ অবাক হয়ে হাত বাড়ালো। একটা বন্ধ খাম, আর তার ওপর লেখা 'তিস্তা'কে'.. চিঠিটা ব্যাগে ভরে নিয়ে বেরোতে যাবে, মৌ বলল, "সাবধানে যেও "- 

তিস্তা ঘুরে তাকালো মৌ এর দিকে, ব্যস আর কোনো কথা বলল না। বেরোবার মুখে ন্যাড়া- মাথা, কামানো দাঁড়ি, গোঁফে অসীমকে বড়ো নাবালক মনে হল তিস্তার। কেমন যেন মায়া হল, অসীম বলল, " চললি?" 

তিস্তা মাথা নেড়ে বলল, "হুম"...

রাতে মশারির ভেতর শুয়ে হঠাৎই তিস্তার মনে হল, আরে মাসিমার চিঠিটা...!! মশারি সরিয়ে তড়বড়িয়ে বেরিয়ে এলো তিস্তা, আলো জ্বালিয়ে ব্যাগে হাত ঢুকিয়ে বন্ধ খাম টা বের করেই, এক অস্থির উত্তেজনার সাথে ছিঁড়ে ফেলল খামের মুখ, সাবধানী নখের চাপে। মাসিমা কি ক্ষমা চাইলো? কেন? মাসিমার কি দোষ? ভাবতে ভাবতেই এক নি:শ্বাসে চিঠিটা পড়তে শুরু করল তিস্তা...


'আমার লক্ষ্মী মেয়ে, আমি জানি রে, আর বেশিদিন নেই আমি। তোকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে রে। তোকে এ কটা কথা না লিখে গেলে শান্তি পাবো না আমি, তিস্তা। যদি এই চিঠি তুই পাস, তবে পড়িস মন দিয়ে। তুই জানতিস না, আমি জানতাম, আমার ছেলে রঙীন প্রজাপতি বড় ভালবাসে। তোর মতো নদীকে দু হাতে আগলে রাখার ক্ষমতা তার হবে না, এটাই ছিল স্বাভাবিক। কেন হল! কি হল! আমি সে ব্যাখ্যায় যেতে চাইনা, শুধু পাশের ঘর থেকে এটুকু আঁচ করতে পারি, প্রজাপতির রঙ ফিকে হতে শুরু করেছে এরই মধ্যে। ওদের তুমুল তর্কাতর্কির আওয়াজ, মৌ এর যন্ত্রণার কান্নার আওয়াজ, অসীমের মদ্যপ অবস্থায় বসার ঘরের সোফায় শোওয়ার অভ্যেস সবই আমার কানে আসে, চোখেও দেখি। আমার পর আর কেউ থাকবে না, যে এই ছেলেকে বইতে পারে! আমি জানি রে, মৌ আর বড় জোর ক'দিন। ওদের মাঝে কোনো তৃতীয় জন এলে, পাছে মৌ আটকে যায়, বা অসীম বাঁধা পড়ে তাই ওরা বাচ্চা চায় না। একথা মৌ ই আমায় জানিয়েছে আড়াল রেখে। তাই ওরা কাল আলাদা যে হয়ে যেতেই পারে, এ বিষয়ে আমি নিশ্চিৎ। সেদিন অসীম হয়তো আবার ফিরে যাবে তোর কাছে। না রে মা, আমি তোকে সস্তা হতে বলছি না। বলছি না বুকে টেনে নিতে আমার ছেলেকে।আমি জানি রে, তা হয় না, আর হলেও ঠিক হয় না। শুধু বলছি, যদি এমন কোনো দিনে আমার ছেলে টা ঝড়ের মুখ থেকে বাঁচতে তোর আশ্রয়ে গিয়ে দাঁড়ায় দু-মুঠো খেতে দিস ওকে। খিদে যে একদম সহ্য হয় না ওর, তুই তো জানিস। পারলে ক্ষমা করে দিস ওকে। ওর পাশে না হাঁটিস, অন্তত: তোর ঘৃণার আগুনে পোড়াস না ওকে আর সেদিন। তুই ছাড়া ওর ভালো যে আর কেউ চাইতে পারবে না, তিস্তা।

ভালো থাকিস। 
তোর মাসিমা।'

তিস্তা চিঠিটা খুব যত্ন নিয়ে ধীরে ধীরে ভাঁজ করল। এখন রাত ১টা হবে প্রায়। আজও কি ঝগড়া হয়েছে ওদের? আলো নিভিয়ে, মশারি গুঁজে নিল অনমোনা হাতে। এলিয়ে পড়া ক্লান্ত শরীরটাকে বিছানায় ফেলে দিল তিস্তা, দুচোখ যেন আজ ঘুম ভুলেছে। হঠাৎ মনে হল, তবে কি সত্যিই একদিন এমন হবে! অসীম ভেঙেচুরে, টুকরো টুকরো হয়ে এসে দাঁড়াবে তার চৌকাঠে!! সেদিন টা কি আসবে ঠাকুর? 

এক লহমায় নিজের বুকে এক অদ্ভুত নিষ্ঠুর সুখ অনুভব করছিল তিস্তা। ছিঃ ছিঃ অন্ধকারেও নিজের এই স্বার্থপরতা সইলো না তিস্তার.. এসব কি ভাবছে সে? এ যে পাপ! হাত জোড় করে মনে মনে বলতে লাগল, " ঈশ্বর, ভালো রাখো ওদের, ওদের সংসারকে, শুধু এটুকুই চাই প্রভু..."


**

তিস্তাদের পাপ-পুণ্যের ঝুলি খালি হয়, প্রতি রাতে, বালিশ ভেজানো যন্ত্রণায়, আর প্রার্থনার আর্তনাদে। অসীমের মা রা চিঠি দিয়ে যায় না, এই তিস্তাদের হাতে, দিয়ে যায় এমনই প্রার্থনা বহনের দায়িত্বটুকু, যার ভেতর থাকে নিরলস ভালবেসে যাওয়ার সবটুকু দায়। ঘরে ঘরে তিস্তা'রা আলোয় আর আঁধারে নিজেদের আকাঙখার মুখ লুকিয়ে শুধু ভালো চেয়ে যায় অসীমদের আর অসীমদের সংসারের, ভেজা চোখে আর হাসি মুখে....



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.