x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, নভেম্বর ২৫, ২০১৬

সুমনা পাল ভট্টাচার্য্য

sobdermichil | নভেম্বর ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
সুমনা পাল ভট্টাচার্য্য


পরাশ্রয়ী ঘ্রাণ

রাস্তার ধারে কে যেন ফেলে গেছিল একটি নষ্ট-বীজ
প্রচন্ড ঝড়ের দাপটে অন্ত:শিরাগুলি তখন প্রায় মৃত
হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে চারঘাটে মাথা খুঁড়ে
এসে পড়েছিলাম তোমার মহীরুহের ছায়ায়
তুমি ছায়া দিলে, বুক পেতে দিলে তোমার সবুজ
তোমার কোষের সমস্ত রস নিংড়ে আমার দূর্ভিক্ষ দিলে ঘুচিয়ে
আকাশে মেঘের পালতোলা নৌকার গায়ে আঁকলে বৃষ্টির আঁকিবুঁকি
আমি ভিজলাম, প্রাণ ভরে ভিজলাম, আর বুঝলাম-
আমি বাঁচছি..
সূর্যের দিকে মুখ তুলে চাইতে শিখিয়েছিলে
আমার শরীরে বেড়ে ওঠা ঘ্রাণ মুঠো ভরে ছড়াতে শিখিয়েছিলে বাতাসে
আমি তোমার বুক ছুঁয়েছিলাম-
আমার নরম কচি-সবুজ আদর দিয়ে, সুরভিত মধু দিয়ে
তুমি নিলে জড়িয়ে, তোমার শরীরের দৈর্ঘ প্রস্থ হল আমার চেনা
আমি তিরতির সুখে খেলছিলাম সেদিনও তোমার জমি জরিপ করে
তোমার ঘরে পরাশ্রয়ী সুখে আমি তখন অবিন্যস্ত সুখী
হঠাৎ বুঝলাম, তোমার বুকে কেমন কালো ঝড়
আমায় উপড়ে ফেলার কি ভীষণ কঠিন দাপট
আমার মুঠো ক্রমশ: হল আলগা, বাড়ন্ত মেরু হল অসাড়
এক ঝাপটে দলা পাকানো,মেরুদণ্ডহীন শরীরটা মিশল মাটিতে
আমার সারা তরঙ্গ জুড়ে তখন রক্তের স্রোত, হাজারো ফাটল
দু-হাত তুলে ধরলাম আকাশের কাছাকাছি তোমার দিকে
তুমি বললে, মরা কোষে জীবনের ভ্রূণ নেই, নেই সবুজের ঘ্রাণ
তোমার বল্কল জুড়ে এখন আগামীর পসরা
আগামী বৃষ্টিতে আমি মিশব তোমার শিকড় মাটিতে
আমার সবটুকু রস তোমায় দিয়ে যাব জীবাশ্মে মিশে
তোমার বুকের বাড়ন্ত নাচনে ভিতর জুড়ে তখনও বইবে
আমারই পরাশ্রয়ী ঘ্রাণ।।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.