x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শনিবার, নভেম্বর ২৬, ২০১৬

সুমন কুমার সাহু

sobdermichil | নভেম্বর ২৬, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
 সুমন কুমার সাহু

জীবন কথা –মেলা 

আজকে শোনাই গগন রবির  জীবন কথা -মেলা
ভোর আকাশে ছোট্ট রবির ছাড়লো জীবন-ভেলা।

স্নিগ্ধ আকাশ মুক্তো বাতাস লাল টুক টুক ছোটন রবি সোনা
বাল্য এযে কাটল সবে গড়িয়ে চলল সকাল বেলা।
পূবের ঘরে কাটল জীবন ঘুচলো ছেলেবেলা
আঠেরো বুঝি এমনি আসে যায়না সময় গোনা।

ছোট্ট ছিলো ভালোই ছিলো ম্লান স্নিগ্ধ হাসি
আপন ভোলা ছেলেবেলা গগন পরবাসী।
মধ্যে থেকে ভিন জগতে তবুও সবার কাছে
ভালোবাসার স্বপ্ন তরী খেলাচ্ছলে মেলে।

চলল রবি চলল সময় একুশ এলো চলে
রক্তে বুঝি তাপ বেড়েছে উঠলো ভরে লালে ।
পড়লো চোখে অপার জগত বাস্তব উঠলো ফুটে
দুনিয়া এখন বদলে গেছে না তাকায় ফিরে।
কিন্তু রবি এথায় তাকায় ওথায় তাকায় চেয়ে
দুনিয়া হতে বিমুখ আজি না-কোনো সম্বল পেয়ে।
আশা ছিলো বড়ো হবে খুব বড় হবে
দুনিয়ার ভাগ্য ফেরে এ বেকার সবে।
শত সাধনার এই তো সাধ রইলো শুধু তেজে
উন্নত শীর জীবনের তীর সবি সর্বহারার দলে।

জীবন কালে দুপুর সবে অপার শক্তি দেহে
সুযোগ না পেয়ে হারিয়ে গেলো সময় চলল গড়ে।
চলল সময় গড়ল জীবন চলল পশ্চিম ঘর
চাইলো না কেউ আপন করে এ বৌ বিনা বর ।

চলল রবি বেকার প্রেমী ধিরে ধীরে ধীরে এক কোনে
জগত এখন সরিয়ে দিলে ওগো তুমি কার সনে!



কবিতায় তুমি  

কবিতা তোমাকে জব্দ করেছি আমি
ছন্দ শিকলে বেঁধেছি তোমার ই হৃদয় খানি ।

তুমি ছট পট করো খুলতে বাঁধনের দড়ি
এ বাঁধন শব্দের বন্ধন কেমনে  পালাবে তুমি ।

তবু  নিজেই কেন পালিয়ে বেড়াই নীল নীলিমা অন্তরালে
অনুভুতি গুলো আসেনা আর কেটে গেছে জীবনের ছন্দে ।

হ্যাঁ, আমি আজ ছন্দ হারিয়ে ভাব লেশহীন
সব-ই তো দিয়েছি তোমায় তুমি অমলিন ।

তোমায় বাঁধতে নিজেই হেরেছি হয়েছি জব্দ অজান্তে
তুমি-ই তো রয়েছো সবার প্রানে আমি আজ নির্বাসনে!


সুখ দুখ   

একদিকে তুমি বৃষ্টি দেখ একদিকে আমি কান্না
একদিকে তুমি কবিতায় মাতো একদিকে ভাঙা রান্না ।

একদিকে তুমি মেঘ বাদলায় গান শোনো নির্জনে,
একদিকে আমি চাল আগলায় কে কোথায় চিত্কারে ।

একদিকে তুম একদিকে আমি বৃষ্টির ধারাপাতে
প্রকৃতির মাঝে বাসা বাঁধি  পাশাপাশি সুখ দুখে ।




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.