x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, নভেম্বর ২৫, ২০১৬

পলাশ কুমার পাল

sobdermichil | নভেম্বর ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
পলাশ কুমার পাল


তোমার সরণির পথিক আমি। হেঁটে যাই অক্লান্ত পদক্ষেপে...হাঁটি, শুধু হাঁটি... আর কী বা আছে পৃথিবীতে, জীবনেতে? এইটুকুই তো অক্সিজেন। প্রতি নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে তুমিই তো শারীরিক ক্রিয়ার বাহক। তোমার স্রোতে ভেসে, কখনো বা ঢুবতে ঢুবতে বহে যাই নদীর মতো সাগরের খোঁজে- অসীমতায়....

নানা রঙে, নানা ভঙ্গিমাতে তুমি রাঙো- আমিও রাঙি তোমাতে। কখনো মধুর আহরণে হেসে উঠি, কখনো তিক্ততার প্রভাবে তেতো হই! কখনো বা কেঁদে উঠি কবরের মাঝে, জীবনকে পেতে। তবু কি ইচ্ছের সাধ্য আছে পিপাসা মেটানোর? নেই। কারণ বাস্তব অন্য কথা বলে! তাতে হৃদয়ের প্রতি খাতিরদারির বিন্দুমাত্র অস্তিত্ব থাকে না। যা থাকে, কেবল প্রয়োজন সর্বস্বতাকে গহনার মতো শরীরে এঁটে ঘুরে বেড়ানো, সর্তক দৃষ্টিতে...

তবু হাঁটি একলা নিজের মতো প্রয়োজন সর্বস্ব হয়ে, হৃদয়ের স্বার্থপরতায়... তোমার হাতে হাত রেখে কল্পনার বাগানে ঘুরি বাস্তবের করুণা পেতে- করুণা ঝুলি যে খালি, সেটা বুঝেও না বুঝে! প্রতিক্ষণে এইভাবে তোমায় পাশে পাব, সে আশাতে আজ শেষ করলাম। ভালো থেকো। সঙ্গে থেকো।

আর, হ্যাঁ। আজ রাতে এসো জোত্স্নায় মেতে উঠতে। ঐ রূপালী রঙের ছোঁয়াই তো আমাদের সবচেয়ে ভালোবাসার সোহাগ।


ইতি
তোমার ধারক





Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.