x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, নভেম্বর ২৫, ২০১৬

মোকসেদুল ইসলাম

sobdermichil | নভেম্বর ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
মোকসেদুল ইসলাম



মানুষ

মাঝেমধ্যে কিছু প্রশ্ন মাথার মধ্যে ঘুরপাক খায়
আমি গণিতের ছাত্র নই বন্ধু, অংকে ভীষণ কাঁচা
শুধু শূন্যগুলোই বারবার ফিরে আসে লকলকে হাসির দিনে
পুচ্ছ দেখে ময়ূর ভেবো না, মানুষও সে হতে পারে
কেননা এখন মানুষেরও পুচ্ছ হয়, তারা পশু হয়েছে বলে।

নিকষ অন্ধকারে আমি মানুষ হাতড়ে খুঁজে ফিরি
প্রেয়সী জেনেছি যাকে তাঁর শুধু অবয়বটুকুই মনে আছে
বাঁকিটুকু দেখি বোধের আয়নায় সব শূন্যপথে চলে গেছে।

গোপন ব্যথা ভুলে আমরা প্রতিবিম্বের পিছে দৌড়াতে থাকি
দীর্ঘশ্বাসের মতো সঙ্গীবিহীন নির্জন দ্বীপে পড়ে রই
জমকালো অন্ধকারে কেউ কেউ হাসে তবু যক্ষের হাসি।


শেষ দেখার পর যা হয়েছিল

আমাদের পুরাতন মুখগুলো নিয়মিত পাল্টে যায়
অথচ স্মৃতির উল্টো পিঠে বাঁধা থাকে সব পৌরাণিক কাহিনী
যে ভালোবাসতে জানে চুমো দেয়ার অধিকার তারই থাকা উচিৎ
নয়তো শূন্যেই পড়ে থাকবে জ্যোৎস্না মোড়ানো প্রেম।

আমাদের আনন্দগুলো নাকি বিবর্ণ হয়ে গেছে কাশ্মীরি রংঢংয়ে
ক্লান্ত পৃথিবীতে শাদা সুখ খুঁজে খুঁজে ভাবি আমিও মানুষ ছিলাম
দশর্কের হাততালি পাওয়ার আশায় ভুলে গেছি মৃত্যুশোক।

অশান্ত পৃথিবীতে শেষ দেখার পর কে মনে রাখে পথের ঠিকানা
স্রোতহীন নদীতেও আজকাল ভেসে যায় তৃণের সংসার।


ইতিহাসের পাঠ

বিস্ময় ভরা চোখে পথের দূরত্ব মেপেই এতদূর এসেছি হেঁটে
আততায়ী রাত উদভ্রান্ত আলোক শিখায় নিঃসঙ্গ স্মৃতি
শুদ্ধতা কোথায়? রক্তক্ষরণের দহন জ্বালায় ঝরছি আমি নিত্য
যে ঘুড়ি শূন্যে দিয়েছি ছেড়ে তাঁর আশা তো ছাড়িনি আমি।

সাহসী পুরুষ, রাতের আঁধার ছিঁড়ে অনিদ্রার সুখে ভাসি
জোনাক শরীর বুকে একটা মৃত্যুকামড় দিতে চাই
অসংখ্য ইচ্ছের ভীড়ে পোড় খাওয়া স্বপ্নেরা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।
এসব শূন্যতার আগ্রাসন, বধির প্রহসনে পেরিয়ে যাই ধূপছায়া পথ।

মায়াদৃষ্টি ছড়িয়ে দিওনা ও পথে
আহা! আমার কৈশোরকাল তুমি দীর্ঘজীবী হও
এই পথে হেঁটে হেঁটে নিই ইতিহাসের পাঠ।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.