x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, নভেম্বর ২৫, ২০১৬

লিপিকা ঘোষ

sobdermichil | নভেম্বর ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
লিপিকা ঘোষ

অনিবার্য — 

এইখানে
রূপ আছে। রস গন্ধ বর্ণ।
আমার পা ছুঁয়ে বয়ে যায় গঙ্গা। আমার হাতের আঙুল ছুঁয়ে।
সেইখানে।
আধভাঙা টুকরো ইঁট যে গড়িয়ে পড়ল জলে,
আর ঘিরে গোল গোল করে ঢেউ দিল,
সেসব মিলিয়ে গেল স্রোতে।
পুরনো কবেকার লাল ইঁট টুকরো।
কোন ইতিহাস লেখা ছিল,  কেবা তা জানে।
‘জানো কি কেউ তাহা জানো কি?’ বলে এইমাত্র
যে পাখি শিষ দিয়ে দোল খেল বটের ঝুরি বেয়ে
তার নাম জানো কি?
এইখানে পৃথিবী যে থমকে এসে থামে সারা পৃথিবী পরিক্রমা সেরে।
সবকিছু যেন বন্ধকি দেওয়া ছিল তার। সেইকাল থেকে।
ইঁটের টুকরো যে কালের কথা নিয়ে গড়িয়ে গেল।
যেন সাত সাত জন্মের আর মৃত্যুর বৃতান্ত সমূহ।



গতি – 

দেহ-ফাঁদে মিশে দেহ।
ছাড়াতে চায় না।  তবু ছেড়ে যায়।  যায় কোথা?
যেখানে পদ্মার চরে চর জেগে ওঠে।
নিশিথে কে পারাপার করে ছাড়-পদ্মার বুক বেয়ে,  নৌকো বায় কেবা?
কেমনতর সে মানুষ এক।
চরে বসে জিরোয় খানিক।
চরাচরে জেগে থাকে রাত্রি এক নিবিড় সে রাত্রি এক।
একজন পারাপার করে।  দেহ-ফাঁদে মিলেমিশে থাকে।
ছেড়ে যায়।  যেতে না চাইলেও যায় তো। নদী যায়।
নদী তো সাগরে গেল।  ছাড়-দেহ গেল কোথা?
রাতজাগা একজন জানে।


শেষ -

এস হে,  দুদন্ড গল্প করি।  পাশে বসে জিরিয়ে নাও।  যে গল্প থেকে আচমকা এক পাখি উড়ে গেলে হলুদ নরম পালক খসে পড়ল। আমার খোলা চুল বেয়ে, চুলের হেনা রঙ বেয়ে মিলেমিশে গড়িয়ে নামল।  পালক।  আর তুমি হাত পেতে ধরে তা আবার ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিলে। সেই গল্প করি। গল্পের যেখান থেকে শুরু আর শেষ তার সবটুকু লেগে থাকা দাগ মুছে নিয়ে গেল চিল। আকাশের ঘুর্ণিপাকে ঘুরে ঘুরে চিৎকার করে গেল।  সেই তীক্ষ্ণ থেকে দীর্ঘ ঈ দীর্ঘতর হল। সেই গল্প । দুদন্ড সময়কাল ধরে।  তা কি কম মনে করো?  অনেকটা সময় কাল জেনো।  সবটা তো আসলে গল্পের মতন না।  গল্পই তো।  পাশ থেকে উঠে গেলে টের পেতে পারো।  উঠি উঠি করছি কত শতাব্দীর দুপুর ধরে যেন।  কে যেন আটকে রেখে দেয়।  পা সরে না । সময় হল বুঝি গল্প ফুরনোর। ‘আসি তবে' বলে কখন উঠে যাবে প্রাণ।  তোমার ঠোঁটের কোণ ঘেঁষে মেঘ জমল কি? জমা মেঘে বজ্র বিদ্যুৎ চমক!  কত শতাব্দী ধরে এরকমটাই তো দেখে আসছি হে।  এস দুদন্ড গল্প....  




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.