x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৬

রিয়া চক্রবর্তী

sobdermichil | অক্টোবর ২৯, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
রিয়া চক্রবর্তী






ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে ব্রিজের নীচে ট্যাক্সিতে অপেক্ষা করছে প্রয়াস । রিমি ধিরে ধিরে এগিয়ে গেলো তার দিকে। প্রয়াস সুপুরুষ নয় তবুও রিমির ভালোলাগলো। তাদের গন্তব্য দক্ষিনেশ্বর। আজ তাদের বিয়ে। আজ রিমির মনে হচ্ছে  বেঁচে থাকা দারুণ ব্যাপার। বেঁচে থাকতে এত ভালো লাগে! রিমির এতো বছরের জীবনে অনেক না পাওয়া আছে। প্রয়াস তার জীবনে সবটুকু ভরে দিয়েছে। 

রিমি জানে যাকে ভালোবাসতে হয় তার খারাপ ভালো দুইই নিয়েই ভালোবাসতে হয়। একসাথে পথ হাঁটতে শুধু প্রেম লাগেনা । লাগে মায়া, লাগে একের প্রতি অন্যের যত্ন । আর লাগে বিশ্বাস। 

রিমি প্রয়াসকে তার জীবনের অনেকখানি জায়গা জুড়ে রেখেছে। তার ইশ্বর প্রয়াস। প্রয়াসের সব কিছুই অন্ধের মতো বিশ্বাস করে রিমি। অন্ধের মতো অনুসরণ করে প্রয়াসকে। রিমির যে প্রয়াস ছাড়া আর কেউ নেই। রিমির কাছে সারা পৃথিবী একদিকে আর প্রয়াস একদিকে। 

রিমির এই চারবছর বিবাহিত জীবনের লালিত বিশ্বাসের আয়না দুম করে যেন ভেঙ্গে পড়ল। ভালোবাসার পলেস্তার ঝুর ঝুর করে খসে পড়ল। হঠাৎ মনে হল প্রয়াস আর তাকে আগের মতো সময় দেয় না। কথাও বলে না আগের মতো। প্রয়াস বলে গেছে বাড়ি ফিরবেনা আজ। রিমি চা খেতে খেতে বারান্দায় দাঁড়িয়েছে হঠাৎই তার চোখ গেলো উল্টো দিকের বাড়িতে। রাতের আলোয় স্পষ্ট দেখলো প্রয়াস আর পাশের বাড়ির ঝিলিক একই বিছানায়। রিমির কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জড়ো হয়। এতোদিনের না বোঝা সরল অংক কেমন দুমদাম মিলে যায়। বারান্দায় রাখা দীর্ঘদিন ধরে পোষা পায়রাগুলো পায়ে ঠোঁট ঘষছে আর তাকে দেখছে। রিমি নিজেকে সামলে নিয়ে আড়াল করতে চাইলো তার ছল ছল চোখ। মনে হল যেভাবেই হোক মৃত্যু আসুক তাকে নিয়ে যাক এই নিষ্ঠুর পৃথিবী থেকে। 

আস্তে আস্তে বৃষ্টিটা বাড়তে শুরু করল। রিমি সেই পুরনো ব্রিজের নীচে এসে দাঁড়িয়েছে। ছল ছল চোখে তাকিয়ে আছে ব্রিজের দিকে। বিদ্যুতের আলোয় রিমি দেখলো ব্রিজটা তার দিকে তাকিয়ে নিষ্ঠুর হাসি হাসছে। বিশ্বাস অবিশ্বাসের খেলায় পরাজিত সে।



Comments
1 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.