x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৬

পলাশ কুমার পাল

sobdermichil | অক্টোবর ২৯, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
পলাশ কুমার পাল

যে হাঁস জল ভাঙে

প্রেমেতে জল ভেঙেছে যে হাঁস
সে কখনো পালক ঝারে না।
হয়তো-

বৃষ্টির মাঝে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি হয়ে যায়,
মনেতে ময়ূরের রিদিম্...

মেঘ ভেঙে ভেঙে যায়...
তবু সে পুকুরের পারে নিঃশর্ত,
জলেতে স্ব-প্রতিকৃতি জল ভেঙে যায়...
পালকে ঠোঁট খোঁজে কি শীতঘুম?

যে হাঁস জল ভাঙে
তোমাদের ফটোগ্রাফে মৃত হতে পারে;
আসলে সে সাঁতরায়...
শুষে নেয় সমুদ্রের সব নুন।


ফুচকা ও চিল

ফুচকা গিলছি
গিলছি ঝাল-টক-নুন...
তারপর পাতা ফেলে হিসাব।
তারপর জিভের টিক্ টিক্ টিক্...

টিকটিকি চমকে ওঠে।

চালের কাঁড়িতে মাকড়সা দেখি
জলের নীচে জাল।
রান্নাশাল।
ক্ষুধা হোঁচট খায় বারবার,

খুদ ঈশ্বর হলেও
ফুচকার উপরে জিভ চিল।
ভাগার গিলি
তেঁতুল জলে ঢুবিয়ে রাতদিন...


সিনেমার চিল

ব্যালকনিতে নায়িকা হয়ে যাওয়া
যোনিতে জমে ওঠা ঔরস;
একদিন সে দাঁতই দংশায় স্তন
যে দাঁত মেজেছিল প্রত্যহ-

ছবিগুলো ছিঁড়ে যায় একদিন
ভাঙা ক্যাসেটের রিল।

শিশুরা রিল নিয়ে খেলে...
খবরের কাগজে
আবার ধর্ষিত আর এক মেহেফিল।
নায়িকা নীল হয়ে ওঠে
নীলছবির পারে

শাড়িতে সে ব্যালকনি

সিনেমাতে উড়ে যায় চিল...

বালতি ডোবালেই

বালতি ডোবালেই
শত শত জল উঠে আসে,
নীচে অন্ধকার তবু-

কুয়োর মতো হয়েছে মন।
যেখানে মুখ বাড়িয়ে নিজেকে দেখা
আর
আর কিছু নয়।

কপিকলের দড়ি শুধু জল তোলে।

বুকপকেট আজও অন্ধকার।
আকাশে তবু আলো টলমল...

বালতি ডোবালেই
মরে যাওয়া আবেগের শতদল।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.