x

প্রকাশিত বর্ষপূর্তি সঙ্কলন

দেখতে-দেখতে ১০ বছর! শব্দের মিছিলের বর্ষপূর্তি সংকলন প্রকাশের সময় এ খুব অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু অজস্র লেখক, পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে এসেছি এই দশটি বছর, উপস্থিত হয়েছি এই ৯৫ তম সংকলনে।

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

মোকসেদুল ইসলাম

sobdermichil | অক্টোবর ২৯, ২০১৬ |
মোকসেদুল ইসলাম



মানুষ

চোখের কোণায় আটকে আছে সব পঙ্কিলতা
মস্তিষ্কের নিউরন খেয়ে ফেলেছে ঘুণপোকা
দ্রোহের ক্যানভাস জুড়ে অচেনা নারীর আনাগোনা।

ক্যামেরা চলছে,
ক্লিক ক্লিক শব্দে কেঁপে উঠছে বিশ্বাসে ঘর
পর্ব, মাত্রায় যদি ভুল হয়ে থাকে সে দোষ কলমের
দোহাই তোমাদের, সত্যি বলছি আমি মানুষ।


সীমান্তের পাহারাদার

নোম্যান্স ল্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছি
রক্তের বাঁধন ভুলে পড়ে যেতে পারি গভীরখাতে
নার্সিনাস জীবন যাদের তাদের বেঁচে থাকাটাই আশ্চর্যজনক।
ঈশ্বরের সাথে কোনরূপ তর্কে যেতে চাইনি বলে
নির্লজ্জ ভাবে উদ্ধত স্বরে বলেছি- বাঁচতে চাই!!!
কেননা আমিও জানি পরাজয়ের কোন অতীত - বর্তমান নেই
শুধু সীমান্তের পাহারাদার হওয়ার জন্যেই
প্রতিটা মানুষই সিংহের তেজেই জন্ম নেয়।


অভিনয়

প্রতিদিন আমরা পাহাড়ের গুহায় ঢুকি
নৈঃশব্দ্যের ক্ষুব্ধ চিৎকারেও দেখাই ভীষণ দুঃসাহস
খুজি আমার বৃক্ষলতা, জন্মান্তরের বাতিঘর।
আগামীর যতো আয়োজন তার সবকিছুই
নীরবে ঘটে মহাসিন্ধুর নিচে
অপ্রাপ্তির ইতিহাস আমাদেরও আছে ঢের।

আবডালে তাদের হাসাহাসি যতো
হাকডাক তার চেয়ে বেশি
কুশল জিজ্ঞাসিলে তবু হাসি দিয়ে বলি
'এই তো বেশ আছি'।

শহরে কোথাও মানুষ দেখিনা

মেঘ সরে গেলেই তোমরা ভেবো না আমি আকাশ দেখি
মানুষ সংকটে পড়লে আকাশ আর তারাদের মধ্যে
কোন পার্থক্য করতে পারেনা।
এই শহরে বিনোদনের জায়গা অনেক আছে
তারপরও কেউ কেউ দেখে পুরনো দিনের বায়স্কোপ।

কিছুরাত ছেড়ে দিতে হয় রুদ্ধশ্বাসের সময়ে
অপ্রাপ্তির থালায় যখন পড়ে শহুরে হাত
তখন কোথাও আর ঈশ্বর দেখিনা
বিজ্ঞাপনী ঘুমে ডুবে থাকে সব পাথুরে মানুষ।

কতটা দূরত্ব আর!
রাতের দেয়াল ভেঙ্গে গেলেই আমরা স্বরূপে আবির্ভূত হই।



ধূলির প্রেম

জীবন ক্ষয়ে যাচ্ছে,
অধিকারচ্যুত অদ্ভুত আঁধার ঢেকে ফেলছে মানবীয় মন
কি ভয়ানক কথা, অবাধ্য হাতের রেখায়
ভেসে ওঠে জোড়া শালিকের মুখ।

ভাতঘুম দিয়ে যারা খুজেছিল শিল্পিত মন
স্মৃতির আলপনায় তাঁরা এঁকে চলে বিপরীত চাঁদ।
ধূলির সাথেই আমার ভালোই মিতালী চলে
প্রতিটি ব্যর্থ প্রেমের শুরুই যে হয় এ শহর থেকে।




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.