x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৬

এখানেই নিষাদ, অন্য এক অন্যনিষাদ!

sobdermichil | অক্টোবর ২০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
এখানেই নিষাদ, অন্য এক অন্যনিষাদ!



মতাদর্শের বলি হতে হলে মাটি ছুঁয়ে থাকা যাবে তবু! 
কপালে; নক্ষত্র কুটিল নাট্য লিখুক! জীবন সিঞ্চনে  অভিজ্ঞতার বাণী; 
- শ্রীশুভ্র

অক্ষরগুলি দুর্ভেদ্য নয়, এমন কি অক্ষর সমন্বয়ে বাক্যদুটি সাক্ষর চৈতন্যে ততোধিক দুর্মেদ্যও নয়। যতোধিক দুর্গম, অঙ্গীকার এবং অঙ্গীকারের বাস্তবায়নে, শির উঁচিয়ে ... মাটি ছুঁয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেকে সচল রাখা।  

সমাজ সভ্যতার মূল কেন্দ্রে জীবনানন্দ যে অন্ধকারকে শিকড় বিস্তার করতে দেখে গিয়েছিলেন আজ তা হয়ত সর্বগ্রাসী জাল বিস্তারে পরিব্যাপ্ত হয়েছে! সে আমাদের নিজেদের লজ্জা! প্রতিরোধে দৃঢ় সংকল্প ছিলাম না আমরা।  বিভিন্ন মতাদর্শ নিয়ে বিতর্ক করেছি যত, কোন আদর্শের প্রতিই সততা ধরে রাখতে পারিনি তত। ফলে আদর্শের রাস্তা দিয়ে এগোনোর বদলে ক্রমেই কুরুক্ষেত্র করে তুলেছি নিজস্ব পরিসর। নিজের সাথে অন্যকেও দাঁড় করিয়ে দিয়েছি অন্ধকারের মধ্যেখানে। সান্ত্বনা দিয়েছি নিজেকে, ঘোর কলি বলে। তাই দায় এড়ানো হয়েছে সহজ। যার ফলে, ক্রমেই বাসযোগ্যতা হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের পরিপার্শ্ব! চাপা পড়েছে  জমে ওঠা জঞ্জালের স্তুপে নতুন প্রজন্মের দিশা! 

এখানেই নিষাদ, অন্য এক অন্যনিষাদ! ইতিহাস বলে আঠেরোশো পঁচিশ দিন পুর্বে যার আবির্ভাব, ভূগোল বলে পৃথিবী জুড়ে সাহিত্যর কক্ষপথে উজ্জ্বল এক ধ্রবতারা, বিজ্ঞান বলে বিশ্বাসের ভিতে যুক্তির আলো প্রবেশ করানোর পাশাপাশি মুক্তচিন্তা চর্চার পরিসরটিকে ক্রমাগত শক্তিশালী করে তোলার এও এক হৃদয়ের অভিব্যাক্তি প্রকাশের নিঃশর্ত উপায়ের পথ। যে পথে সপ্তাহ, মাস, বছর জুড়েই সঙ্কলিত হয় মানুষের কথা, জল বায়ু নদী অরণ্যের কথা ... উন্মীলন উজ্জীবন এবং উদ্দীপনে । 

শব্দের মিছিল কুর্নিশ জানায়, মানবতাপ্রেমী মানুষের স্বপক্ষে নীতি, আদর্শ, অঙ্গীকার এবং প্রতিশ্রুতি সম্পন্ন এহেন কর্মধারা এবং তার প্রয়াসে ব্রত শ্রদ্ধেয় সম্পাদক, সকল লেখক লেখিকা এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের।


শুভেচ্ছান্তে
সম্পাদক, শব্দের মিছিল। 



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.