x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

সুকোমল বাগচি

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
সুকোমল বাগচি

ধূসর ছিন্নপত্র

রাত্রির গহন অন্ধকারভেদী তারা জ্বলে আকাশের গায়,
মুক্ত বাতায়ন প্রান্তে বসে আমি গেয়ে যাই জীবনের গান।
ব্যর্থ আমি, নাই তাই বাঁচার অধিকার,
মনে তাই চরম সংশয় ,
জীবনের ঘূর্ণিপাকে ধুসর ছিন্নপত্র আমি।
আজ বড় ক্লান্ত, জীবন যুদ্ধে আমি এক পরাজিত সৈনিক,
ব্যর্থতার লজ্জায় মুখ ঢাকি নীরবে, নির্জনে।

বিধির খেয়ালীপনায় ছেড়ে চলে গেছে অনেকেই,
রেখে গেছে শুধু দিন কয়েকের খোলা স্মৃতি,
গান্ধারীর মশাল হাতে ছুটে চলি নির্জন শ্মশানঘাটে।
পরিজনের নীথর দেহগুলি কম্পমান দুহাতে ধরে,
মশালের উদ্ভাসিত আলোয় অবলোকন করি নীরব মুখখানি,
অশ্রুজলে শায়িত করি কাষ্ঠল চিতায় অতি সর্ন্তপনে,
                       আর মনের অবচেতনে ঘুরপাক খায় রূঢ় বাস্তবে জীবনের মানে।

আজ নিঃস্ব রিক্ত আমি পদপ্রার্থীর নিয়তীর,
একরাশ যন্ত্রনা বুকে নিয়ে খুঁজি শুধু মুক্তির আস্বাদ।
উথলিয়া উঠে যৌবনের স্বপ্নগুলি,
অকালের ঝরাপাতা আঘ্রান চায় অতীত রোমন্থনের।
বিষাক্ত রূঢ় বাস্তবে রুদ্ধ দেহ মন
মহাভারতের চক্রবুহ্যে বন্দি আমি অভিমুন্যের মত।

শিরায় শিরায় রক্তের মন্দিল স্রোতে নিস্তেজ হয় চেতনা,
পৈশাচিক অট্টহাস্যে বন্ধ করি আমার কবিতা,
মায়াময় ইন্দ্রজালে স্বপ্নিল কবিতাখানি
অনুরনিত হয় মোহের আবর্তে।
মায়াময় জীবন, তুচ্ছ দেহ মন
একাকীত্বে ধূলি ধূসরিত হয়ে পঞ্চভূতে বিলীন হোক আমার নৈরাশ্য।

ভূল বোঝ না আমার কবিতাকে,
দুর্ভেদ্য রাত্রির ঘন অন্ধকারে কন্টকাকীর্ন পথে করি বিচরণ,
খুঁজি আমি আকাশের অরুনিমা,দিগভ্রান্ত পথিকের ন্যায়।
গতিময় জীবনের গতিপথ ভুলে পথহারা নদী আমি,
মিলিত পারি না হতে জীবনের মোহানায়, সমুদ্রের আক্রোশ গর্জনে।

ভগ্ন বালিয়াড়ীর সুউচ্চ চুড়ায় দাঁড়িয়ে আজ আমি রয়েছি একা,
বন্ধুর পথে হাঁটতে হাঁটতে যদি কোনদিন পিছলে পড়ি,
বাঁচানোর ব্যর্থ চেষ্টা করো না আমায়,
দেহটাকে শুধু সাদা কাপড়ে ঢেকে,
রজনীগন্ধার ফুলটুকু রেখে দিয়ো আমার শিয়রে,
ধূপহীন, গন্ধহীন নীরব শোভাযাত্রায়
সমাপন হোক আমার অনন্তযাত্রা ,আমার ইতিহাস।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.