x

প্রকাশিত বর্ষপূর্তি সঙ্কলন

দেখতে-দেখতে ১০ বছর! শব্দের মিছিলের বর্ষপূর্তি সংকলন প্রকাশের সময় এ খুব অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু অজস্র লেখক, পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে এসেছি এই দশটি বছর, উপস্থিত হয়েছি এই ৯৫ তম সংকলনে।

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

সোমনাথ গুহ

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ |
সোমনাথ গুহ



বড় ভালো লাগে দোতলা থেকে নীচের রাস্তার লোক দেখতে। তিথি বিকেলের সময়টা ব্যালকোনীর দোলনাতে কাটাতে খুব ভালোবাসে। শহরের মাঝখানে তাদের বাড়ী,সামনে বড় রাস্তা - বাস স্ট্যান্ড। অন্যদিনের মতোই আজকেও সে দেখছিল নীচে রাস্তায় লোকের কর্মব্যস্ততা,বাসের জন্য দাড়িয়ে অফিস ফেরত যাত্রীরা।

হঠাৎ-ই তার চোখ যেন একটা জাগায় আটকে গেল।তিথি যেন অবিশ্বাস্য কিছু একটা দেখেছে, একটা মুখ-হ্যাঁ একইরকম। বাসের জানলায় মুখ বাড়িয়ে আছে। কিন্তু কি করে, ও কি এতই ভুল দেখেছে। দোলনা ছেড়ে আরও কাছে থেকে দেখে। তিথি একবার ভাবে সিঁড়ি দিয়ে নেমে দৌড়ে ছুটে বাসটার কাছে যাবে।কিন্তু যেতে যেতে গাড়িটা যদি ছেরে দেয়। সে আর কিছু ভাবতে পারেনা। মা বলে শুধু চিৎকার করে,পথচারী কেউ অবহেলায় শোনে, কেউ সে ডাকে বিচলিত নয়। বাস টা ছাড়বে ছাড়বে করছে, তার ক্ষীপ্র কন্ঠ হাজারো ভীর ঠেলে বাস টার দিকে ছুটে যায়।

সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নামতে থাকে তিথি, যখন সে দরজার খুলে স্রোতের মত বের হবে তখনি তার সামনে অবিনাশ। অফিস থেকে একটু আগে বের হয়েছিল, তারপর ফটো বাধাঁইয়ের দোকানে হয়ে সোজা বাড়ি। তার হাতের দিকে তিথি লক্ষ্য না করে কোথায় যেতে চাচ্ছে দেখে অবিনাশ তাকে থামিয়ে দিয়ে "কোথায় যাচ্ছো তুমি? কখন থেকে বেল বাজাচ্ছি? এই যে নাও, দেখো কেমন হয়েছে। "এই বলে অবিনাশ তিথির মায়ের বাধাঁনো একটা ছবি হাতে তুলে দেয়। হাতে ছবিটা নিয়ে সে পাথরের মত দাড়িয়ে থাকে। তিথির শুখনো মুখ দেখে অবিনাশ বলে "কিছু বলবে? কিছু হয়েছে তোমার? "তিথির যেন সম্বিত ফিরে পায়। মায়ের ছবিটা হাতে নিয়ে সে দিকে তাকিয়ে থাকে। চোখ দুটিতে যেন তার বাধঁনহারা স্রোত এসে দারায়।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.