x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

সোমনাথ গুহ

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মিছিলে স্বাগত
সোমনাথ গুহ



বড় ভালো লাগে দোতলা থেকে নীচের রাস্তার লোক দেখতে। তিথি বিকেলের সময়টা ব্যালকোনীর দোলনাতে কাটাতে খুব ভালোবাসে। শহরের মাঝখানে তাদের বাড়ী,সামনে বড় রাস্তা - বাস স্ট্যান্ড। অন্যদিনের মতোই আজকেও সে দেখছিল নীচে রাস্তায় লোকের কর্মব্যস্ততা,বাসের জন্য দাড়িয়ে অফিস ফেরত যাত্রীরা।

হঠাৎ-ই তার চোখ যেন একটা জাগায় আটকে গেল।তিথি যেন অবিশ্বাস্য কিছু একটা দেখেছে, একটা মুখ-হ্যাঁ একইরকম। বাসের জানলায় মুখ বাড়িয়ে আছে। কিন্তু কি করে, ও কি এতই ভুল দেখেছে। দোলনা ছেড়ে আরও কাছে থেকে দেখে। তিথি একবার ভাবে সিঁড়ি দিয়ে নেমে দৌড়ে ছুটে বাসটার কাছে যাবে।কিন্তু যেতে যেতে গাড়িটা যদি ছেরে দেয়। সে আর কিছু ভাবতে পারেনা। মা বলে শুধু চিৎকার করে,পথচারী কেউ অবহেলায় শোনে, কেউ সে ডাকে বিচলিত নয়। বাস টা ছাড়বে ছাড়বে করছে, তার ক্ষীপ্র কন্ঠ হাজারো ভীর ঠেলে বাস টার দিকে ছুটে যায়।

সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নামতে থাকে তিথি, যখন সে দরজার খুলে স্রোতের মত বের হবে তখনি তার সামনে অবিনাশ। অফিস থেকে একটু আগে বের হয়েছিল, তারপর ফটো বাধাঁইয়ের দোকানে হয়ে সোজা বাড়ি। তার হাতের দিকে তিথি লক্ষ্য না করে কোথায় যেতে চাচ্ছে দেখে অবিনাশ তাকে থামিয়ে দিয়ে "কোথায় যাচ্ছো তুমি? কখন থেকে বেল বাজাচ্ছি? এই যে নাও, দেখো কেমন হয়েছে। "এই বলে অবিনাশ তিথির মায়ের বাধাঁনো একটা ছবি হাতে তুলে দেয়। হাতে ছবিটা নিয়ে সে পাথরের মত দাড়িয়ে থাকে। তিথির শুখনো মুখ দেখে অবিনাশ বলে "কিছু বলবে? কিছু হয়েছে তোমার? "তিথির যেন সম্বিত ফিরে পায়। মায়ের ছবিটা হাতে নিয়ে সে দিকে তাকিয়ে থাকে। চোখ দুটিতে যেন তার বাধঁনহারা স্রোত এসে দারায়।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.