x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

সোমনাথ গুহ

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
সোমনাথ গুহ



বড় ভালো লাগে দোতলা থেকে নীচের রাস্তার লোক দেখতে। তিথি বিকেলের সময়টা ব্যালকোনীর দোলনাতে কাটাতে খুব ভালোবাসে। শহরের মাঝখানে তাদের বাড়ী,সামনে বড় রাস্তা - বাস স্ট্যান্ড। অন্যদিনের মতোই আজকেও সে দেখছিল নীচে রাস্তায় লোকের কর্মব্যস্ততা,বাসের জন্য দাড়িয়ে অফিস ফেরত যাত্রীরা।

হঠাৎ-ই তার চোখ যেন একটা জাগায় আটকে গেল।তিথি যেন অবিশ্বাস্য কিছু একটা দেখেছে, একটা মুখ-হ্যাঁ একইরকম। বাসের জানলায় মুখ বাড়িয়ে আছে। কিন্তু কি করে, ও কি এতই ভুল দেখেছে। দোলনা ছেড়ে আরও কাছে থেকে দেখে। তিথি একবার ভাবে সিঁড়ি দিয়ে নেমে দৌড়ে ছুটে বাসটার কাছে যাবে।কিন্তু যেতে যেতে গাড়িটা যদি ছেরে দেয়। সে আর কিছু ভাবতে পারেনা। মা বলে শুধু চিৎকার করে,পথচারী কেউ অবহেলায় শোনে, কেউ সে ডাকে বিচলিত নয়। বাস টা ছাড়বে ছাড়বে করছে, তার ক্ষীপ্র কন্ঠ হাজারো ভীর ঠেলে বাস টার দিকে ছুটে যায়।

সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নামতে থাকে তিথি, যখন সে দরজার খুলে স্রোতের মত বের হবে তখনি তার সামনে অবিনাশ। অফিস থেকে একটু আগে বের হয়েছিল, তারপর ফটো বাধাঁইয়ের দোকানে হয়ে সোজা বাড়ি। তার হাতের দিকে তিথি লক্ষ্য না করে কোথায় যেতে চাচ্ছে দেখে অবিনাশ তাকে থামিয়ে দিয়ে "কোথায় যাচ্ছো তুমি? কখন থেকে বেল বাজাচ্ছি? এই যে নাও, দেখো কেমন হয়েছে। "এই বলে অবিনাশ তিথির মায়ের বাধাঁনো একটা ছবি হাতে তুলে দেয়। হাতে ছবিটা নিয়ে সে পাথরের মত দাড়িয়ে থাকে। তিথির শুখনো মুখ দেখে অবিনাশ বলে "কিছু বলবে? কিছু হয়েছে তোমার? "তিথির যেন সম্বিত ফিরে পায়। মায়ের ছবিটা হাতে নিয়ে সে দিকে তাকিয়ে থাকে। চোখ দুটিতে যেন তার বাধঁনহারা স্রোত এসে দারায়।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.