x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

শ্রীশুভ্র

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
 শ্রীশুভ্র










উৎসব শব্দটির মধ্যেই যেন আনন্দ আর তৃপ্তি খুশির রোশনাই হয়ে আছে। আমাদের প্রতিদিনের পরিচয়ের মধ্যে দিয়ে আমাদের বেঁচে থাকার কাহিনী তৈরী হতে থাকে। আর উৎসবের দিনগুলির মধ্যে দিয়ে আমাদের হৃদয়ের প্রতিকৃতি আঁকা হতে থাকে। প্রতিদিনের যে আমি, সে থাকে নিজের একান্ত স্বার্থের পরিসরে বন্দী। উৎসবের যে আমি, সে নিঃস্বার্থের দিগন্তে মুক্তি পাওয়া আত্মা। আর এই দুই মেরু মিলিয়েই আমাদের মানব জীবন। যে জীবনে প্রতিদিনের আমি আর উৎসবের আমি পরস্পর পরিপূরক হয়ে সমগ্র আমির বৃত্তায়ন সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রতিটি মানুষেরই এইটাই মূলত আত্মজীবনী। প্রতিদিন আমরা মূলত নিজের ও নিজের একান্ত পরিজনের জন্যে বাঁচি। উৎসবের দিন আমরা বাঁচি সকলের হয়ে সকলের মধ্যে। এই যে সকলের হয়ে সকলের মধ্যে বেঁচে ওঠা, এরই মধ্যে দিয়ে আমরা মিলতে চাই অনেকের সাথে, সকলের সাথে। এই মিলতে চাওয়াটাই উৎসব। উৎসবের জীয়ন কাঠি তাই মিলনের তাগিদই। সেই তাগিদ থেকেই মানুষের সমাজ সভ্যতায় উৎসবরের এত রমরমা। 

কথায় বলে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। বোঝা যায়, বাঙালির প্রকৃতির মধ্যেই উৎসবের একটা আঁচ রয়েছে। কিন্তু সেটা কি শুধুই বাঙালির মধ্যেই আছে? নিশ্চয়ই নয়। আবিশ্ব সকল সমাজ সম্প্রদায়ের মধ্যেই রয়েছে সেই আঁচের নিবিড় আবেগ। তবু এই যে বাংলার এই প্রচলিত প্রবাদ, এর মধ্যেই রয়ে গেছে, বাংলার উৎসবের ইতিহাসও। শুধু উৎসবেরই বা কেন, বাংলার ইতিহাসও। বোঝা যায়, যে জাতির বারো মাসে তেরো পার্বণ, সেই জাতির জীবনে কর্মের ভাগ কম উৎসবের ভাগ বেশি। জাতি হিসাবে, বাঙালির দিকে চোখ মেলে তাকালেই এই সত্যটি সম্বন্ধে বিশেষ সন্দেহের অবকাশ থাকে না। কিন্তু যদি সেটাকেই ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়াই যায়, তাহলে তো জাতি হিসাবে বাঙালির বিশেষ ভাবে গর্বিত হয়ে ওঠার অবকাশই আছে। কারণ, তার মানে এইটাই দাঁড়ায়, আমরা নিজের জন্যে প্রতিদিনের বেঁচে থাকার থেকে, সকলের সাথে মিলনের আনন্দ পেতেই বেশি উৎসাহী। তবেই না উৎসবের বাড়বাড়ন্ত? খুবই ভালো কথা। সকলের সাথে মিলনের যে আনন্দ, সেখানেই আমাদের হৃদয়ের অভিমুখ। আবেগের উদ্ভাসন।

কিন্তু সকলেরই সাথে কি? আমরা কি সকলের সাথেই সমান আনন্দে মিলতে চাই? আমাদের জাতিগত ইতিহাস কি তাই বলে? আমাদের পার্বণগুলি কি সকল বাঙালিকে নিয়েই? না বিশেষ বিশেষ গোষ্ঠীর মানুষজনকে নিয়েই? অনেকেই সমস্বরে বলে উঠবেন, উৎসব তো মূলত ধর্ম কেন্দ্রিক একটি বিষয়। এক এক ধর্মের এক এক উৎসব। পার্থক্য তো থাকবেই। বেশ, সে কথাও না হয় মেনে নেওয়া গেল। কারণ এটি অতি বাস্তব। আবহমান কাল ব্যাপি চলে আসা ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকারও বটে। অস্বীকার করার কোন উপায় নাই। তাহলে দেখা যাচ্ছে বাঙালির উৎসব সকলের মিলনের কথা বলে না। তা মূলত ধর্ম কেন্দ্রিক সম্প্রদায়গত নিজ নিজ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীন বিষয়। যে উৎসবে আমন্ত্রণ থাকেনা ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের। একটি জাতির মানুষ যখন জাতির সকলকে নিয়েই উৎসবে মেতে উঠতে পারে না, আমাদের ভেবে দেখতে হবে সেই উৎসবে জাতির মঙ্গল কতটুকু! 

উৎসবের প্রাথমিক এবং মূল শর্ত্তই হলো সকলের সাথে মিলনের আনন্দে নিজের একান্ত গণ্ডী থেকে নিজের মুক্তি। সেখানেই উৎসবের মূল সার্থকতা। অথচ বাঙালির জাতীয় জীবনে সেরকম কোন উৎসবই আজো গড়ে ওঠেনি। কি আশ্চর্য্য! এদিকে আমাদের বারো মাসে তেরো পার্বণ! সেই তেরো পার্বণে হাজারো রকম গণ্ডীবদ্ধ গোষ্ঠীগত আনন্দের উদযাপন। সেই নিয়েই আমাদের যাবতীয় উৎসাহ উদ্দীপনা আপন আপন গোষ্ঠীবদ্ধ মন ও মানসিকতায়। যে মানসিকতায় সমগ্র বাংলা ও সকল বাঙালির কোন স্থান নাই। এই যে গোষ্ঠীবদ্ধ চেতনা ও উৎসবের উদযাপন, এর মধ্যে দিয়ে কোন জাতিই কি কখনো বড়ো হতে পারে? পেরেছে কখনো? 

বাংলার ইতিহাস বর্ণভেদের ইতিহাস। বস্তুত সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসই বর্ণভেদেরই ইতিহাস। আজকের বাস্তব পরিস্থিতি যার সরাসরি বিষময় ফলস্বরূপ। সত্যই বাংলায় বারো মাসে তেরো পার্বণ। কিন্তু সেই সব পার্বণগুলির আগাগোড়া ইতিহাস অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে সবকিছুরই উৎপত্তি বর্ণভেদের সংস্কৃতি থেকে। এই বর্ণভেদই বাংলার আবহমান সমাজ বাস্তবতার মূল চালিক শক্তি। এই বর্ণভেদই বাংলার সমাজকে শ্রেণী বিভক্ত করে রেখেছে আবহমান কালব্যাপি। আর সেই শ্রেণী বিভক্ত বাংলার সমাজ বাস্তবতায় এক এক শ্রেণীর উৎসবে পার্বণে ব্রাত্য থেকে যায় অন্যেরা। গোষ্ঠীবদ্ধ শ্রেণীবিভক্ত সমাজ চেতনায় খণ্ডিত উৎসবে! সাম্প্রদায়িক ধর্মের পরিসরে যা মান্যতা পেয়ে যায় জাতীয় জীবনে। আর সেখানেই মানুষে মানুষে মিলনের বদলে গড়ে উঠতে থাকে এক একটি দুর্ভেদ্য প্রাচীর, গোষ্ঠীবদ্ধ শ্রেণীবিভক্ত সাম্প্রদায়িক মানসিকতায়। তাই আজ যদি প্রশ্ন ওঠে বাঙালির জাতীয় উৎসব কোনটি; তার একটিই সত্য উত্তর দেওয়া সম্ভব। না বাঙালির কোন জাতীয় উৎসবই নাই। 

কাঁটাতারের এপারে সংখ্যাগুরুরা হাঁ হাঁ করে উঠবেন, কে বলে নাই? অবশ্যই আছে। শারদীয়া দূর্গোৎসবই তো বাঙালির জাতীয় উৎসব। সারাটা বছর কোটি কোটি বাঙালি যে উৎসবের জন্যে দিন গুনতে থাকে। কাঁটাতারের ওপারের সংখ্যাগুরুরা তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ করে উঠবেন। না ঈদউল ফিতঅরই বাঙালির জাতীয় উৎসব। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাঙালি মেতে ওঠে যে উৎসবে। সে কথাটি তো ঠিকই। সংখ্যাতত্বের বিচারে কালের নিয়মে অধিকাংশ বাঙালিরই উৎসব ঈদ। কিন্তু এপারের সংখ্যাগুরুরাও যুক্তিতে শান দিতে ছাড়বেন না। দূর্গোৎসবের সুপ্রাচীনত্বের দোহাই দিয়ে। যাদের চোখে ঈদ সমগ্র মুসলিম বিশ্বের উৎসব। কেবলমাত্র বাঙালির স্বতন্ত্র জাতিসত্ত্বার উৎসব নয় আদৌ। যেখানেই দূর্গোৎসবের বিশেষ গরীমা। যা একান্তই বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির পরিচয়বাহী। 

এইবার একটি কথা পাওয়া গেল। বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির পরিচয়। কিন্তু কি আশ্চর্য্য, বাঙালির এই যে নিজস্ব সংস্কৃতির পরিচয়, তা কি সকল বাঙালির দৃষ্টিতেই এক? না কোন বকধার্মিকও সে কথা বলবেন না। এক এক সম্প্রদায় এক এক গোষ্ঠী এক এক শ্রেণীর বাঙালির চেতনায় বাঙালির সংস্কৃতির পরিচয় ভিন্ন। কারুর সাথে কারুর বিশেষ মিল নাই। মিল শুধু একটিই জায়গাতে। সকলেরই বিশ্বাসে তার সংস্কৃতিই বাঙালির জাতীয় সংস্কৃতি। এ যে সেই অন্ধের হস্তি দর্শনের মতোই ব্যাপার। হয়তো একটু ভিন্ন অর্থে সেটাই বাঙালির জাতীয় সংস্কৃতি। মিলনের বিপ্রতীপেই যার মূল অবস্থান। আর সেই কারণেই বাংলার সমাজে হিন্দুর সংস্কৃতি, মুসলিমের সংস্কৃতি, উচ্চবর্ণের সংস্কৃতি, নিম্নবর্ণের সংস্কৃতি, ধনীর সংস্কৃতি, নির্ধনের সংস্কৃতি, প্রত্যেকটি পরস্পর ভিন্ন। ভিন্ন তাদের উৎসব ও উৎসবের প্রকরণও। আর সেই করাণেই বাঙালির জাতীয় উৎসব বলে কোন একটি উৎসবকেই নির্দিষ্ট করে বেছে নেওয়ারও উপায় নাই। কোন কালেই ছিল না।

বাংলায় ইসলামের প্রসারের আগেও সে ভাবে জাতীয় উৎসবের কোন হদিশ পাওয়া যায় না। পাল আমলের সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসারকাল ছাড়াও তৎকালীন হিন্দু সমাজেও বর্ণহিন্দু ও অন্ত্যজ শ্রেণীর মধ্যে সাংস্কৃতিক পার্থক্য এতই বেশি ছিল যে উৎসবে পার্বণেও পরস্পরের সাথে মেলামেশার কোন পরিসরই ছিল না। পরবর্তীতে মূলত নিম্নবর্ণের হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে ইসলামের প্রসারে বাংলার সমাজে সাম্প্রদায়িক বিভাজন আরও সুস্পষ্ট হয়ে ওঠায় উৎসবে পার্বণে পরস্পরের মিলন আরও দুরূহ হয়ে উঠল দিনে দিনে। গোলা ভরা ধান আর পুকুর ভরা মাছের আমলে বাংলার এই সব উৎসব পার্বণে সাম্প্রদায়িক প্রাচীর দৃঢ় হতে থাকল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। কাঁটাতারের এপারে যে দূর্গোৎসবকে নিয়ে বাঙালি হিন্দুর এত গৌরব, সেই উৎসবও ছিল মূলত বর্ণহিন্দুদের উৎসব। উৎসব দালানের ত্রিসীমানায় প্রবেশাধিকারও ছিল না অন্ত্যজ শ্রেণীর মানুষজনদের। নিম্নবর্ণের ছোঁয়ার বা ছায়পাতেও অশুদ্ধ হয়ে যেত বর্ণহিন্দুদের সেই দূর্গোৎসবের আনন্দ। হ্যাঁ এটাই ছিল অতীতের বাঙালি সংস্কৃতি। বর্তমান যুগে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও সেই প্রাচীর আজও রয়ে গিয়েছে। কোন উৎসবই এখনো বর্ণভেদের প্রাচীর টপকাতে পারেনি। যেখানে সরসরি বর্ণভেদের প্রাচীর দৃশ্যমান হয় না, একটু ভালো করে খেয়াল করলেই দেখা যাবে সেখানেও রয়ে গিয়েছে অর্থনৈতিক শ্রেণী বিভাজনের অস্পষ্ট দেওয়াল। যে দেওয়ালের এপারে ওপারে ভিন্ন শ্রেণীর ভিন্ন গোষ্ঠীবদ্ধতা। সকলেই সকলের সাথে সমান আনন্দে সামিল হতে পারে না। এইটাই বাঙালি হিন্দুর সমাজচিত্র। বাঙালি মুসলিম বিদেশাগত যে ইসলামের চর্চা করে, সেই ইসলামে এই ধরণের বর্ণভেদ প্রথা না থাকলেও, বাঙালি মুসলিমের সমাজ জীবনে অর্থনৈতিক শ্রেণীভেদ ঠিক তেমনই আছে, যেমনটা আছে বাঙালি হিন্দুর সমাজ জীবনে। তাই বাঙালি মুসলিম সম্প্রদায়ের উৎসবেও সকল শ্রেণীর বাঙালি মুসলিম যে সমান ভাবে মিলিত হয়ে আনন্দ উদযাপন করে, বিষয়টি আদৌ এত সহজ নয়। সেখানেও রয়ে গিয়েছে অর্থনৈতিক শ্রেণী বিভাজনের লক্ষ্মণ রেখা। যে রেখাকে স্বতঃস্ফূর্ত রীতিতেই মেনে চলে সবপক্ষই।

এই ভাবেই একটি জাতির মানুষ নিজেরা বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীতে ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে বিভক্ত হয়ে নিজেদের গোষ্ঠীগত ও শ্রেণীগত সংস্কৃতির প্রচলিত রীতিনীতি অনুসারেই যে যে উৎসব পালা পার্বণ উদযাপন করে, তার কোনটিকেই বাঙালির জাতীয় উৎসব বলা যায় কি না, ভেবে দেখা উচিৎ সেটাই। দূর্গোৎসবের আবেগ স্পর্শ করে না বাঙালি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে। ঈদের উৎসবে সামিল হয় না বাঙালি হিন্দু সমাজ। ধনীর উৎসবে নির্ধনেরা ব্রাত্য। আজও সমাজের অন্ত্যজ শ্রেণীর মানুষজনের সাথে একাসনে বসে কোমন উৎসব উদযাপন করার কথা ভাবতে পারি না আমরা, যারা নিজেদের শিক্ষাদীক্ষার বহর নিয়ে সর্বক্ষণই শ্লাঘা বোধ করি। এইটাই বাঙালিত্ব! সে হিন্দুর ধর্মীয় সংস্কৃতিই হোক আর মুসলিমের ধর্মীয় সংস্কৃতিই হোক। আর বাংলার সমাজ বাস্তবতার এই চিত্রই বাঙালিকে জাতি হিসাবে কোনদিন বড়ো হয়ে উঠতে দেবে না। যতদিন না এই স্বতঃসিদ্ধ সত্যটুকু আমরা অনুধাবন করতে পারবো, যতদিন না সেটা স্বীকার করে লজ্জিত হওয়ার মতো শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারবো; ততদিন বাঙালির উৎসব, উৎসবের মূল সুরটিকে কখনোই স্পর্শ করতে পারবে না। যে সুরে সমগ্র জাতির সত্ত্বা দেশের আত্মা মিলিত হয় এক আনন্দে। ততদিন সব উৎসবই খর্ব হয়ে থাকবে কোন না কোন সম্প্রদায়ের কিংবা গোষ্ঠীর কিংবা শ্রেণীর উৎসব হিসাবেই। হয়ে উঠবে না বাঙালির জাতীয় উৎসব। 



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.