x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

রত্নদীপা দে ঘোষ

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
রত্নদীপা দে ঘোষ


ঈশ্বর , পারমিতা এবং আমরা 

শীতকাল এলে আমরা প্রেমে পড়লুম !  আমাদের মধ্যে কেউ দার্শনিক , কেউ প্রোফেসর । কেউ রকগায়ক । আমরা তিনজনেই ঈশ্বরের ফিয়ঁসে  পারমিতার প্রেমে পড়লুম !

এক শীতের দুপুরে ঝোপের আড়াল থেকে দেখতে পাওয়া গেল ... আত্রেয়ী নদীর মতো বুক ঝুঁকিয়ে আছে পারমিতা ।  ইশ্বরের ক্যাথোলিক ঠোঁট ।  বেলজিয়ামের কামার্ত আয়না অর্ধনগ্ন ... ফুল বাতাসা চন্দন লোভী ঈশ্বর চেটে খাচ্ছেন পারমিতার লিপস্টিক ! ব্রহ্মাণ্ড পাতাল ক্লিভেজ রসাতল ! পুজো - পার্বণের দিনে যেমন উপোষী আকাশ গঙ্গার পাটাতন !
আমাদের মধ্যে যিনি দার্শনিক তিনি বললেন , দেখো সংকল্পের মধ্যে না দাঁড়িয়েও তিনি প্রেম করেন প্রাণীর মতো , পরবাস করেন পশুর মত , আবার ভাঙা জাহাজের মত ধর্মকে দু'হাতে তুলে ধেইধেই করেন সমুদ্রে   ! এই গুণ তাঁরই মৌলিকত্ব ! এখানেই তিনি শ্রেষ্ঠ , তাই তিনি ঈশ্বর !

প্রোফেসর বললেন , ওদের দুজনের  ঘাম আর গর্জন থেকে এটা স্পষ্ট ঠোঁটের মতো এমন নির্জন আর রহস্যময় উপাদান গোটা সায়েন্স সিলেবাসে নেই । আমি চমৎকৃত ! একে নিয়ে গবেষণা চালিয়ে গেলে অদূর ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই জানতে পারা যাবে এই প্রত্যঙ্গটি কিভাবে বিশ্বাসভঙ্গের প্রতীক হতে পারে ......

 রকগায়ক বাঁধলেন  গান । বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ... ঈশ্বরের অসুখ সম্পর্কিত , পারমিতার বীজাণু বহির্ভূত ! নামদুটি বদলে গেল ... শায়রা খাতুন আর মিথিলেশ বসাক ! গানের শেষ চরণে জানা গেল , শায়রা এবং মিথিলেশ  এখনো ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসেননি ...
আমাদের কাছে শীত মানে পারমিতার প্রেমে পড়া আর চুমুর শব্দ লক্ষ্য করে ঈশ্বরের পেছন পেছন    গ্রীষ্মকালীন পারমিতার দিকে এগিয়ে যাওয়া ......



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.