x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

পবিত্র চক্রবর্তী

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
পবিত্র চক্রবর্তী


সার্কোফেগাস_এক_অরণ্য_গাঁথা

অরণ্য কেমন আছো নাগরিক কফিনে ?
একে একে করছে গ্রাস পিরামিড-
কংক্রিট সুখী মানব বলয় ! আর শেষে ,
এঁটে দিচ্ছে তোমায় সার্কোফেগাসে !
অরণ্য-বনানী-শ্যামল প্রান্তর তোমার
প্রাচীন বুকে অকাল আঠালো রক্তে যে ,
ধারা ছুটে চলেছে , সেই প্লাবিত শোণিত -
মনে করায় ,স্বর্ণ আভূষিত হিটোফেরাসের
বন্ধ্যা-গোপন কান্না ! অরণ্য তুমি কেমন
থাকবে , এ অন্ধ মরু মানব বক্ষে ?

কাল রাতে তারাদের ফাঁকে , উঠেছিল
হেঁয়ালি হিরোগ্লিফিক্স ; হরিণ-বৃক্ষ-
বনস্পতি কত কী সবুজ-লাল আঁকা
সেই মিশরীয় ভাষায় ! সভ্যতার লিপি
আজ এতই বর্ণময়-বোধগম্য , তার
পরিসংখ্যান - এঁকে-লিখে চলে শপিং
মলের জ্যামিতিক অবয়ব !

তাও , সব বুঝেও প্রশ্ন করি - অরণ্য
তুমি থাকবে তো মায়ের বুকে প্রবল ভাবে ?
যেমন , আজও মরেও জীবাশ্ম হয় নি -
মোনালিসা বা ক্লিয়োপেট্র্রার স্নিগ্ধতা !
থেকো ভালো অরণ্য ! আগামীরা তোমায়
কাহিনী না করে বাস্তব করে রাখবে !!



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.