x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

মমতা দাস (ভট্টাচার্য)

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মিছিলে স্বাগত
মমতা দাস (ভট্টাচার্য)






আজ সকালে স্বপনের মেজাজটা ভালো। হাফিজ সাহেবকে এয়ার-পোর্ট এ ছাড়ার সময় সাহেব একশো টাকা বখশিশ দিয়েছেন। মাত্র কদিন হল ইসমাইলের বদলি হিসাবে হাফিজ সাহেবের গাড়ি চালাচ্ছে, তাতেই একশো টাকা উপরি পাওনা ? মনটা ফুরফুরে লাগছে। ইসমাইল ওর খুব বন্ধু,ছোট্ট বেলার। একসঙ্গে গাড়ি চালানো ও শিখেছিল ওরা, ইসমাইল হাফিজ সাহেবের কাছে কাজ পায়, স্বপন রায় বাবুর কাছে । রায় বাবু হঠাৎ চেন্নাই চলে গেছেন বদলি হয়ে। সেই থেকে বেকার। ইসমাইলের মা অসুখে পড়ায় ওর দেশে যাবার দরকার হলো, ওই বুদ্ধিটা দিল। এ ক'দিন তুই আমার কাজটা কর না, তারপর আমি ফিরে এলে তোর একটা কাজ দেখা যাবে।

....স্বপন একটু কিন্তু কিন্তু করছিল, ইসমাইল বলল 'আমিও তো মুসলমান তাহলে তোর এত বন্ধু হলাম কি করে?' কথাটা মনে ধরে ছিল। তারপর কাজ করতে গিয়ে তো দেখল হাফিজ সাহেবের মত ভালো মানুষ আজ-কাল পাওয়া কঠিন। আসলে মুসলমান-হিন্দু ওসব কিছু নয়, মানুষ-ই আসল! বেশ খুশিতেই কাজ করছে সে এই ক'দিন, আর আজ তো সাত সকালেই প্রাপ্তি যোগ, বুক পকেটে কড়কড়ে একশো টাকা ! বুকপকেটে একবার টাকাটা ছুঁয়ে দেখে সে। মনের খুশিতে মিউজিক সিস্টেমটা চালিয়ে গলা মেলায়, হঠাত এ কি বিপত্তি ! কোথা থেকে পাখির মত ছুটে এসে একটা মেয়ে প্রায় গাড়ির তলায় পড়ে আর কি, অতি কষ্টে ব্রেক কষে, প্রচন্ড শব্দ করে প্রতিবাদ জানিয়ে থামে গাড়ি। নেমে কিছু বলার আগেই মেয়েটা গাড়ির দরজা খুলে ফেলেছে .....প্লিজ একটু লিফট দিন, কখন থেকে দাড়িয়ে আছি, একটা বাস-এ উঠতে পারছিনা এত ভিড়, অটোতেও তাই, খালি গাড়ি নিয়ে আপনাকে আসতে দেখে তাই হাত দেখালাম ,প্লিজ '.........মেয়েটা ইয়ং, দেখতেও বেশ, সাজগোজে বোঝা যায় ভদ্র ঘরের, স্বপন না করতে পারে না। অবশ্য মেয়েটা তার ধার-ও ধারেনা,একেবারে উঠেই বসে গেছে। অগত্যা কি করা, স্বপন গাড়ি চালাতে শুরু করে, আয়নায় মেয়েটাকে দেখে একটু খুশি হয়, আজ সত্যি দিনটা ভাল তার।

 কিছুটা এগিয়ে এসে জানতে চায় ...'কোথায় যাবেন?'.....'যাদবপুর, ওখানে ইউনিভার্সিটি-তে কাজ করি'....উপরি একটু খবর জানিয়ে দেয় মেয়েটা .......'যাদবপুর, আমিতো বালিগঞ্জ যাচ্ছি,'.......'তাহলে গড়িয়া হাটে নামিয়ে দেবেন ওখান থেকে কিছু একটা পেয়ে যাব'........স্বপন ভাবে.....'সাহেব তো বাইরে গেলেন, মেমসাব বলেছেন বিকেলের দিকে বেরোবেন, তাহলে একটু দেরী হলে কোনো অসুবিধা হবেনা। মেমসাব ও এত ভালো, দেরিটেরি হলেও জন্য কিছুই বলরেন না। তাহলে যাদবপুরেই নয় দিয়ে আসব সুন্দরী মেয়েটার সঙ্গে আরো কিছুক্ষন এক গাড়িতে ......'আচ্ছা,যাদব পুরেই নামাব আপনাকে'.........'তাহলে তো খুব উপকার হয়,'....গদ গদ ভাব মেয়েটার গলায়, একটু খুশি হয় স্বপন , মনে ভাবে 'মেয়েটা ভাল,প্যাঁচ নেই,সরল (বিধাতা অলক্ষ্যে হাসলেন)।

ভালই আসছিল, রুবির মোড় থেকে ডান দিকে ঘুরতেই আবার ঝামেলা, এবার-ও একটা মেয়ে প্রাণপনে হাত দেখাতে দেখাতে প্রায় গাড়ির নীচে ! রেগে-মেগে গাড়িটা থামায় সে, বলতে যাবে ..'কি হচ্ছে টা কি?' ......মেয়েটা প্রায় কেঁদে ফেলে ...'একটু লিফট দিন দাদা, প্রায় এক ঘন্টা দাড়িয়ে আছি, কিছুতে উঠতে পারছি না, দেরী হয়ে যাচ্ছে, পা ব্যথা করছে'.......'তা বলে আমার গাড়ি, আর ওইভাবে, যদি এক্সিডেন্ট হত?'....কথা তার শেষ হয় না, তার মধ্যেই অন্য মেয়েটা দরজা খুলে দিয়েছে, যেন ওরই গাড়ি, আর এই মেয়েটাও বেশ উঠে বসেছে। কি আর করে স্বপন জোর করে তো আর নামিয়ে দিতে পারে না ! আবার মেয়েদের গায়ে হাত-টাত দেয়ার ঝামেলায় পড়ে যাবে, তারপর গনপিটুনি খাবে (বিধাতা আবার বোধ হয় হাসলেন), যাই হোক রাগে ফুসতে ফুঁসতে গাড়ি স্টার্ট করে সে। মেয়ে দুটো এর মধ্যে বেশ জমে গেছে ,ইংরাজিতে গল্প শুরু করে দিয়েছে, অগত্যা নীরবেই গাড়ি চালাতে থাকে স্বপন আর মাঝে মাঝে আয়নায় মেয়ে দুটোকে আড়ে আড়ে দেখে। হঠাত কথা থামিয়ে দ্বিতীয় মেয়েটা ভালো করে গাড়িটা দেখে, Skoda Octavia, প্রথম মেয়েটাকে বলে ...'ভালো গাড়ি, তোমার?'....'আরে না না ,আমার নয়, ওনার '...স্বপনকে দেখায় প্রথম  মেয়েটা .......এবার স্বপন কে বলে দ্বিতীয়  মেয়েটা 'খুব ভলো গাড়ি আপনার '.....'আমার নয়,আমি ড্রাইভার ,' একটা সুন্দরী মেয়ে তাকে গাড়ির মালিক ভেবেছে বলে গর্ব হলেও, সত্যি কথাই বলে সে.......'ও,গাড়িটা ভালো, আর বেশ দামী '......'তা হবেনা? হাই কোর্ট -এর বিখ্যাত উকিল হাফিজ সাহেবের গাড়ি '......একটু গর্বের সঙ্গেই বলে সে....'ও তাই'... দুজন-ই একসঙ্গে বলে। একটু যেন হাসে চোখে চোখে দুজনে, আয়নায় দেখে স্বপন, নাকি ভুল দেখল? ওর কেমন যেন মনে হচ্ছিল মেয়েদুটো চেনে একে-অপরকে, কিন্তু তা কি করে হবে ? 'যাকগে আমার কি'......জোর করে চিন্তাটা ঝেড়ে ফেলে সে। গড়িয়া হাট-এর কাছে এসে  দ্বিতীয়  মেয়েটাকে জিগ্গেস করে সে,...'আপনি কোথায় যাবেন?'.......শুনে প্রথম  মেয়েটার দিকে একবার তাকায় দ্বিতীয় জন, তারপর বলে ...'আপনার যেখানে সুবিধা সেখানে-ই নামিয়ে দিন, আমি চলে যাব '........স্বপন বলে 'ইনি তো যাদবপুর-এ নামবেন', 'বেশ আমি-ও ফাঁড়ি তে নেমে যাব '.

ফাঁড়ি-র কাছে এসে গাড়ি থামায় স্বপন ,..'নিন নামুন'.......দুজন একটু কি ভাবে, তারপর এক সঙ্গে বলে। 'না আজ আর অফিস যাব না। দেরী-ও হয়ে গেছে, তারচে' লেকে ঘুরে আসি'.....কি মেয়েরে বাবা এখন যাবে লেকে হওয়া খেতে? যাকগে আমার কি, সবে ভেবেছে সে, ওমা মেয়েদুটো বলে কি ....'একটু লেকের কাছে ছেড়ে দিন না দাদা'......ওদের করুণ ভঙ্গিতে রাগতে গিয়ে-ও হেসে ফেলে স্বপন।... 'ঠিক আছে,'.......ভাবে একটু নয় ঘুরে যাবে বালিগঞ্জ, গাড়ি ঘুরিয়ে নেয় আনওয়ারশা রোডে। সাউথ সিটি ক্রস করে লেক গার্ডেন পেরিয়ে ফ্লাই-ওভারটার কাছে আসতেই মেয়ে দুটো চেঁচিয়ে ওঠে,....'ওই ডানদিকে চলুন, আমাদের লেকে নামিয়ে, আপনি সাদার্ন এভিনিউ দিয়ে চলে যাবেন'.......সাজেসন পেয়ে একটু বিরক্ত হয় স্বপন, সেকি রাস্তা চেনেনা নাকি ? যাই হোক গাড়ি ঘোরায়, এ রাস্তাতে বেশি লোক-জন নেই, শুধু গাড়ি চলেছে হুশ-হাশ, কিছুটা গিয়েই মেয়েদুটো বলে। 'ব্যাস এইখানে,আমাদের নামিয়ে দিন।'........কিরে বাবা, এখানে মাঝখানে নেমে কোথায় যাবে এরা রাস্তা চেনে তো? নিজের উপর বিরক্ত হয় সে, তার কি, যেখানে খুশি নামুক, গাড়ি থামায়। থামতেই ডানপাশের দরজা খুলে একজন নেমে এসে স্বপনের পাশের দরজা খুলে ওকে মাঝের দিকে ঠেলে দেয়, অন্য জন -ও ইতিমধ্যে ওর মোবাইলটা হাতিয়ে নেয় ,....'একি একি কি করছেন?'....থামিয়ে দেয় ওরা ...'তাড়াতাড়ি যা আছে সব দিয়ে দিন, নইলে চেঁচিয়ে লোক ডাকব, বলব আপনি আমাদের লিফট দেবেন বলে তুলে এনে শ্লীলতা হানী করেছেন,'.......এদিকের মেয়েটা ইতিমধ্যে নিজেই আঁচড়ে হাতে-টাতে একটু রক্ত বের করে ফেলেছে, নাকি আগেই ছিল কেজানে, স্বপন বলার চেষ্টা করে। 'কিন্তু এভাবে, উপকার করলাম তারপর,' .......কথা শেষ হয় না 'দেবেন না লোক ডাকব ? তারপর গণধোলাই ,জানেন তো?'......'না না প্লিজ ,দিচ্ছি, তাড়াতাড়ি টাকা-পয়সা, গলার চেন সব খুলে দেয় স্বপন, মোবাইল তো আগেই গেছে। মেয়েদুটো হাসতে হাসতে নেমে যায়। 'কিন্তু গরিব ড্রাইভারের কাছে কতটুকুই বা পেলেন ?' পিছন থেকে বলে স্বপন। .'সে আমরা বুঝবো, কি করে, কোত্থেকে টাকা আদায় করতে হয়, আমরা জানি। চোখ চাওয়া চাওয়ি করে, হাসতে হাসতে চলে যায় মেয়েদুটো। কমের উপর দিয়ে গেল ভেবে, ঠাকুরকে নমস্কার করে রওনা হয় স্বপন। ওদের হাসির রহস্য রাতে বোঝে স্বপন ........

নানারকম ভাবতে ভাবতে গড়িয়া হাটের মোড় অব্দি এসে লাল লাইট দেখে থামে স্বপন , হঠাত পুলিশের বাঁশি, কাকে রে বাবা ! ওমা তাকেই তো, কি হলো আবার ? তাহলে কি সিগনাল ভেঙ্গেছে ? হতে পারে মনের যা অবস্থা ! গাড়ি থেকে নাম সে, ও বাবা আবার কলকাতা পুলিশ, কেনরে বাবা ? ......'কি হলো সার ?'......গলায় মধু ঢালে,.....'চল থানায়, কি হলো বুঝবি, দু ঘা খেলেই মেয়েদের সঙ্গে শয়তানি বেরিয়ে যাবে'....হতভম্ব স্বপন ...'মেয়েদের সঙ্গে? মেয়েদুটো-ইত বদমাইশি করল '......ভাববার সময় পেলনা, জামার কলার ধরে টেনে নিয়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে,সোজা থানা, সেই যাদবপুর ! থানায় এনে পুলিশ কিছুই বলেনা, শুধু বসিয়ে রেখে নিজেদের কাজ করে। এদিকে দেরী হয়ে যাচ্ছে, গাড়ি পড়ে আছে রাস্তায়, কি যে করে ? অনেক কাকুতি-মিনতি করে, তারপর উকিলবাবুর কথা বলতে মেমসাবের সঙ্গে কথা বলতে দেয়। ওনাকে সব বলে স্বপন, উনি ইন চার্জ অফিসার-এর সঙ্গে কথা বলেন, তখন শুনলো মেয়ে দুটো গাড়ির নম্বর দিয়ে ওর নামে ছিনতাই, শ্লীলতাহানি এইসব অভিযোগ করে গেছে, নালিশ যখন হয়েছে, কিছু করার নেই, আজ থাকতে হবে থানায়, উকিলবাবু কাল যেন জামিন করিয়ে নিয়ে যান !

সেই থেকে সারা রাত থানায়, খাওয়া-ঘুম নেই। আজ বিকেল বেলা এসে উকিলবাবু জামিন দিলেন। তখন জানা গেল আরো ঘটনা, রাতে মেমসাব কে নাকি ফোন করে মেয়েগুলো অনেক টাকা চেয়েছে, না দিলে নাকি তাকেও ফাঁসাবে, গাড়িটাতো ওনার-ই ! ওরা নাকি নালিশ করবে উকিলবাবু ড্রাইভার কে দিয়ে মেয়ে তুলিয়ে এনে তাদের বেচে দেন বড় লোকদের কাছে। বোঝো ব্যাপার খানা, অত বড় উকিল তাকেও ভয় নেই ! উকিল বাবু তো জামিন নিয়ে এসে কি রাগারাগি, পুলিশ দের বলেন 'দেখে নেব আপনাদের। মামলার সময় আমার কাছে আসবেন একবার, দেখব ! পুঁচকে দুটো মেয়ে কি বলল, না কোনো প্রমাণ, না কিছু, অমনি আমার ড্রাইভার কে নিয়ে টানা টানি ! আমিও বলব আপনি-ই এসব করেন । ওই মেয়েদুটো আপনার লোক, পয়সার জন্য এসব করান ওদের দিয়ে, তারপর বখরা নেন, দেখি কে বাঁচায় আপনাদের .' 

তখন পুলিশের বড় বাবুর চেহারাখানা হয়েছিল দেখার মত,......'প্লিজ সার, ভুলে যান সার, এই কেস ফাইল ছিঁড়ে ফেললাম, আমার ভুল হয়ে গেছে, আমি আসলে ভেবেছি মিথ্যে করে বলছে আপনার ড্রাইভার, তাই'.......তার কথা শেষ হয় না, ঝাঁঝিয়ে ওঠেন উকিলবাবু,....'তাই ধরে সোজা থানা? আর যে কোনো কারো ড্রাইভার হলেই বা করবেন কেন? খুব মজালাগে সাধারন লোককে জব্দ করতে তাই না? মজা দেখাচ্ছি ,আপনাকে-ই হাজত বাস করাব '........দম নিতে থামেন একটু। ইন্সপেক্টর প্রায় পা জড়িয়ে ধরে আর কি ....'না সার, এবারের মত মাপ করে দিন সার '......'ঠিক আছে, আর যেন না হয় এসব, আমি আর একবার এরকম কেস পেলে কিন্তু আপনাকে ছাড়ব না'.......'না না সার এই নাক-কান মুলছি'.......,সবকটা পুলিশ তার সঙ্গে কানে হাত দেয়। ওদের তখনকার চেহারা মনে পড়ে উকিলবাবুর সঙ্গে বাড়ি ফিরতে ফিরতে হেসে ফেলে স্বপন, কালকের ঝামেলার পর মুক্তির স্বস্তি-ও হাসির একটা কারন ,........উকিলবাবু ধমকে ওঠেন .....'লজ্জা করে না আবার হাসছ? যাকে-তাকে লিফট দেয়ার সময় মনে ছিল না? সত্যি যদি আমাকে ফাঁসাত মেয়ে দুটো? সুন্দরী,কম বয়সী মেয়ে দেখলে জ্ঞান হারা হয়ে যাও নাকি?'......লজ্জায় জীব কাটে স্বপন , আসল কথাটা ধরে ফেলেছেন ঠিক, উকিল তো কিছু নজর এড়ায় না। মাথা নীচু করে চুপ করে বসে থাকে  ... 




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.