x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

অনুপম চ্যাটার্জী

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
অনুপম চ্যাটার্জী





আনুমানিক চালচিত্র যখন ভালোবেসেছে পট তখন প্রতিমার চাহিদাগুলির ভিন্ন মতামত , চৌষট্টি কলার ছন্দ হরণকারী মোনালিসা কিংবা স্তন্যপায়ীর বিবর্তনীয় আশা … 
শূন্যস্থান পূরণের জন্য হাওয়ার পাণ্ডুলিপি কাটে প্রজাপতির সঠিক সিন্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ ডানার মানসিক সঞ্চালন … হে অবিনাশ তাই কি তোমার ভ্রু-র মধ্যে অষ্টাদশ কিংবা ত্রয়োবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণ ? 

মায়া কে " যাই " বলে, শেষ প্রসাদের অঙ্ক মেলাতে গিয়ে যখন পানপাতার চোখ মনে পড়েছিল, তখন পটে আঁকা ছিল বাস্তব শাপের জিভ । বিরোধাভাস সর্বমঙ্গলময়-জাগরুক সময়কে ভালোবাসা-সংযমী-শিব । উঠল … কোমর বাঁকল , যেন রাজনৈতিক পরিব্রাজকের চাহিদা ... মাছ থেকে মানুষের শিরদাঁড়া... হোক না জীবন ... উচ্ছিষ্ট-মধ্যবিত্ত-কেন্দ্রীয়-অর্থনৈতিক মন ! 

সময়ের আয়নাটা সংবাদপত্রে, ডিজিটাল পার্থিবকরণ; নক্ষত্রের খাদ্য-শৃঙ্খলে মাঝে মাঝে উঁকি মারে এলিয়েন্স... পালনকর্তার কৃষ্ণ-আনন । 

আনন গ্রাম্যতায় সাইকেল চালায় বেকারত্ব। একটা ঢেকুর _______ যাতে ছিল কৃষকের কোদালের শোষণ বাড়ন । তবু শান্তিময় প্যাডেলে বেকারত্ব এবং ট্রাক্টর টালমাটাল করে ... গুদামের গুপ্ত শিহরণ । 

'মেঘনাদ বধ’ -এ নারীর মুক্তিটা ব্যাঙের জিভের মত। হয় তো বা ত্রয়োবিংশ শতাব্দীতে পুরুষের আত্মায় বর্ণসংকর-ক্ষত আর নারীরা চিরদিনই প্রকৃতির মত । গ্লোবালাইজেসনে ভ্রমরের আশাবাদী পদ্মের মতো--- মত, পথ ঠিক যত । 

অবিনাশ কি মেষ ? 

আত্মায় ফিরে এলে মিলিয়ে যায় মত , মড়ে স্মরণ , আহত হয় দিকচক্রবাল ; শূন্যবিজ্ঞানের জন্য ভাবে কর্মঠ বিজ্ঞানের সাম্যবাদ ... রাষ্ট্র-পাশায় ক্ষমতা বা রক্ত নয় , মানবের মানবিক আস্বাদ...প্রয়োজন ... তবে বেশ , আনুমানিক চালচিত্র যেন ভালোবাসতে পারে পটকে এবং প্রতিমার চাহিদাগুলির যেন একমত হয় , তাহলে মানসিক সঞ্চালন অবশ্যই করবে সন্ধিক্ষণ জয় । 

হে ভারতভাগ্যবিধাতা ... 
জয় হোক । জয় হোক । জয় হোক ।




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.