x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

অনন্যা ব্যানার্জী

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
অনন্যা ব্যানার্জী


"শরতে আজ কোন অতি এল প্রাণের দ্বারে। আনন্দ গান গা রে হৃদয় আনন্দ গান গা রে ।"

ঘনঘোর বর্ষা কাটিয়ে মেঘ রৌদ্রের লুকোচুরি খেলায় প্রকৃতিতে শরৎ এসে হাজির হলেই বাঙালীর ঘরে ঘরে যেন আনন্দের আলো ছুঁয়ে যায় । উৎসবে আনন্দে ভরে ওঠে বাঙালীর সত্তা । কবির সুরে সুর মিলিয়েই বরণ করে নেই আমরা প্রিয় শরৎকে ।

শরৎ - শরৎ মানেই কাশ, শরৎ মানেই শুভ্রতা। শরৎ মানেই শিউলি, শরৎ মানেই উৎসব। আমাদের কাছে উৎসব শুধুমাত্র ধর্মের আগল নয় , উৎসব আমাদের কাছে মানববন্ধনের, উৎসব আমাদের কাছে প্রীতি বিনিময়ের । উৎসব -যার প্রধান উপলক্ষ শুধুমাত্র মানুষ । রংবাহারী আলোর রোশনাই নয় উৎসব জুড়ে থাক প্রতিটি মানুষের জীবনে । 

এবারের গানঘর অন্যবারের তুলনায় একটু ভিন্ন, একটু সনাতনী । বাংলা সাহিত্য ধারায় শাক্ত পদাবলী এবং আগমনী ও বিজয়া ধারার পদ গুলি যেমন এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে, তেমনি বাংলা সঙ্গীতে এই পদগুলি সুরারোপিত হয়ে এক বিশেষ ধারা রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে । সনাতনী সঙ্গীত ধারায় টপ্পা ঠুমরীর পাশাপাশি এই পর্ব উল্লেখ্য । 

এই পদগুলির ইতিহাস ঘাঁটলে আমরা দেখতে পাই যে তৎকালীন বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষ ধর্মের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল, আর সাহিত্য , সঙ্গীতে তার প্রভাব ছিলো অনিবার্য । পরবর্তী যুগে এই গানগুলি তার মাধুর্য নিয়ে বাঙালীর মননে প্রভাব বিস্তার করে । বাউলকন্ঠে আগমনীর সুর দিয়েই সূচনা হয় বাঙালীর উৎসবের ।

এবারের গানঘর সংখ্যা সাজালাম আগমনী পর্বের কিছু গান দিয়ে । উৎসবের আনন্দ প্রত্যেকের জীবনে বয়ে নিয়ে আসুক শুভ বার্তা উজ্বল আলোর মত , এই শুভ কামনায় প্রতিবারের মত এবারেও সাথে থাকলাম অনন্যা ।


এবার আমার উমা এলে আর ...  


জাগো মা ভবানী ...  


ত্রিনয়নী দুর্গা ...  


আশ্বিনের শারত প্রাতে ...  


জাগো ... তুমি জাগো ...  


যাও যাও গিরি ...  


গিরি একি তব বিবেচনা ...  


ননদিনী বল নাগরে ...  


মহাবিদ্যা আদ্যাশক্তি ...  


হে চামুন্ডে ...  


মা ...  


ওগো আমার আগমনী ...  





Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.