x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

সায়ন্ন্যা দাশদত্ত

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
সায়ন্ন্যা দাশদত্ত


অবশিষ্ট বিকেল এখন অনাবশ্যক অতিথির মতো রোজ রোজ আসে আর যায়। ছুঁয়ে দেখার সাধ জাগেনা জানো ! এইমাত্র হুইসেল শুনলাম স্পষ্ট। গাড়ি বেরুচ্ছে । ছেড়ে যাচ্ছি সবটুকু। ভালবেসে শেষবার বেরিয়েছিলাম মনে পড়ে ? সেদিনও বৃষ্টি। বুঝতে পারিনি ; ভেবেছি ভেসে যাওয়াই সুখ। এদিকে ভিজতে ভিজতে মুছে যাচ্ছে সব। যেটুকু আর কক্ষনো ফিরবেনা । যাকিছু আজকেই শেষ। যা কিছু ছুঁয়ে দেখতে গেলে একটা পুনর্জন্ম লাগে । বলো তো আজ এই কয়েক আলোকবর্ষ পরে যখনই দেখো অবেলায় আকাশ কালো হয়ে আসছে, লেবুপাতা সুগন্ধি মেখে উড়ে যাচ্ছে গাংশালিখ, ভারীভারী মেঘে অসংখ্য ছেঁড়াপাতার জল চেয়ে আছে  অথবা যখন মাথা ঝুঁকিয়ে পেরিয়ে যাও অফিসপাড়ার ফুটপাত, অসংখ্য ট্রামবাসের অস্থিরতার ভেতর উল্টোমুখের পৃথিবীর সব থেকে সুখী দুজোড়া পা দেখলে তোমার প্রেম আসেনা ? 

পেছনের পকেট খুলে ভুলবশতঃ তুমি খোঁজ করো না যা কিছু ফেলে এসেছো স্বেচ্ছায় ? যদি বলো সেসব তুমি খুলে ফেলেছ অনেক আগেই, যদি বলো ফিরে দেখায় তোমার রুচি নেই . . . আমি নিঃশব্দে উঠে আসব চিলেকোঠায়। হাততালি দিয়ে উড়িয়ে দেবো ধানরঙা ঘুঘুর ঝাঁক। চিলসবুজ লংকা ক্ষেতের ভেতর গোপনে খুলবো খাতাপত্তর। একটার পর একটা জমিয়ে রাখা কবিতা পরব শরীরে ... 

আমারতো শরীরও ছিল। চুলা ধরিয়ে রান্না করবো। বিকেল হলেই ঠাকুরঘরে জল বাতাসা রাখবো। বুকে ডুবে গিয়ে নিঃশব্দে বলে উঠব আমার . . . আমার শুধু। এসবও ভাবতাম এক আধবার, বলিনি কখনো। তুমি বলেছো এমনই তো ভালবাসা। ছিঁড়েখুড়ে রক্তাক্ত হবে। পড়শীতে থু ফেলবে। তারপরেও একটার পর একটা কবিতা লিখব আমরা। আমাদের কোন ভবিষ্যত থাকবে না। আমরা কখনো একসাথে বৃদ্ধ হবো না। আমাদের যেটুকু কুড়িয়ে বাড়িয়ে প্রেম। পাওনা কিছুই নেই বলেই ধরে নিয়ে হেঁটে চলা কয়েকলক্ষ মুহূর্ত। 

সেরকমই মেনে এসেছি বরাবর। ভালবাসা তো বিশ্বাসও বলো ? সেরকমই মানতে মানতে একের পর এক পেরিয়ে গেছি উত্সব । কখনো আসো নি । কখনো হাত ধরে বলোনি এই নাও আনন্দ। কান্না এবং কান্নার পর তোমায় ঘিরে কাঁদছি সেটুকুই ছিল একমাত্র হাত পেতে নেওয়া। বরাবর বলেছি দিয়েছ অগাধ ; এজন্মে কম পড়বেনা আর। হয়ত কম পড়েওনি ! কম পড়েনি বলেই ইচ্ছেখুশি বর্ষা আসে বুকে। ইচ্ছেখুশি ছুঁড়ে ফেলে দিই রাত। ইচ্ছেখুশি সম্ভোগ ছিটিয়ে রাখি ধুলোবালির মুখে। এরপরেও অহংকার হবেনা তোমার ? এরপরেও ঘনঘোর শীতের আগে সমস্ত চাদর উড়িয়ে দিয়ে একবার বুকপেতে ডাকবেনা উষ্ণতা বলে ?




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.