x

প্রকাশিত | ৯২ তম মিছিল

মূল্যায়ন অর্থাৎ ইংরেজিতে গালভরে আমরা যাকে বলি ইভ্যালুয়েশন।

মানব জীবনের প্রতিটি স্তরেই এই শব্দটি অবিচ্ছেদ্য এবং তার চলমান প্রক্রিয়া। আমরা জানি পাঠক্রম বা সমাজ প্রবাহিত শিক্ষা দীক্ষার মধ্য দিয়েই প্রতিটি মানুষের মধ্যেই গঠিত হতে থাকে বহুবিদ গুন, মেধা, বোধ বুদ্ধি, ব্যবহার, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি। এর সামগ্রিক বিশ্লেষণ বা পর্যালোচনা থেকেই এক মানুষ অপর মানুষের প্রতি যে সিদ্ধান্তে বা বিশ্বাসে উপনীত হয়, তাই মূল্যায়ন।

স্বাভাবিক ভাবে, মানব জীবনে মূল্যায়নের এর প্রভাব অনস্বীকার্য। একে উপহাস, অবহেলা, বিদ্রুপ করা অর্থই - বিপরীত মানুষের ন্যায় নীতি কর্তব্য - কর্ম কে উপেক্ষা করা বা অবমূল্যায়ন করা। যা ভয়ঙ্কর। এবং এটাই ঘটেই চলেছে -

চলুন মিছিলে 🔴

সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০১৬

সোনালি

sobdermichil | আগস্ট ১৫, ২০১৬ | | মিছিলে স্বাগত
sonali



সন্ধে বেলা মায়ের আঁচল  ধরে ঘ্যানঘ্যান করে মেয়েটা। একটা গল্প বল না মা।

আচ্ছা শোন, এক যে রাজা। তাকে এক দিন রাজহস্তী রাস্তা থেকে শুঁড় দিয়ে তুলে নিয়ে এসেছিল। রাজসিংহাসনে বসিয়েছিল এনে। এ শহরের এমনই নিয়ম। এক বছরভর তিনিই রাজাধিরাজ। রাজামশাই  সিংহাসনে বসেই পণ্ডিত গুণীজন কে ডেকে জানতে চাইলেন, এক বছর পর যখন এ শহর দরজা খুলে আমায় মরুভূমিতে বের করে দেবে আগের রাজাদের মত, আমি তখনও বাঁচতে চাই, তার উপায় কি?

তাঁর নম্র ব্যবহারে মুগ্ধ মানুষ এক বছরভর মরূদ্যান বানাল যত্ন করে। বছরকার দিন আসতে, যেই নগরীর দরজা কবাট খুলে দেওয়া হল, নতুন রাজ্যের প্রজারা শোভাযাত্রা করে নিয়ে গেলো নতুন বুদ্ধিমান রাজাকে।

আগের রাজারা এক বছরকার উচ্ছৃঙ্খলার শেষেই মারা যেতেন। বিলাসের জীবন শেষ হত মরুর রিক্ত বালির নির্জল ক্ষুধার্ত নির্বাসিত ভয়ানক মৃত্যুতে।

- যে আঠারো বছরে পা দেওয়া ছেলেটা মদের ঘোরে আহত, রক্তাক্ত হয়ে মরে গেলো, ওকে কেউ যত্ন করে নিজের রাজ্যপাট তৈরি করার গল্পটা বলেনি, না মা?

- না। ও খালি বাবা কাকাদের দেখে পার্টি করতে শিখেছিল।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

�� পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ শব্দের মিছিলের সর্বশেষ আপডেট পেতে, ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.