x

প্রকাশিত | ৯২ তম মিছিল

মূল্যায়ন অর্থাৎ ইংরেজিতে গালভরে আমরা যাকে বলি ইভ্যালুয়েশন।

মানব জীবনের প্রতিটি স্তরেই এই শব্দটি অবিচ্ছেদ্য এবং তার চলমান প্রক্রিয়া। আমরা জানি পাঠক্রম বা সমাজ প্রবাহিত শিক্ষা দীক্ষার মধ্য দিয়েই প্রতিটি মানুষের মধ্যেই গঠিত হতে থাকে বহুবিদ গুন, মেধা, বোধ বুদ্ধি, ব্যবহার, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি। এর সামগ্রিক বিশ্লেষণ বা পর্যালোচনা থেকেই এক মানুষ অপর মানুষের প্রতি যে সিদ্ধান্তে বা বিশ্বাসে উপনীত হয়, তাই মূল্যায়ন।

স্বাভাবিক ভাবে, মানব জীবনে মূল্যায়নের এর প্রভাব অনস্বীকার্য। একে উপহাস, অবহেলা, বিদ্রুপ করা অর্থই - বিপরীত মানুষের ন্যায় নীতি কর্তব্য - কর্ম কে উপেক্ষা করা বা অবমূল্যায়ন করা। যা ভয়ঙ্কর। এবং এটাই ঘটেই চলেছে -

চলুন মিছিলে 🔴

সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০১৬

মোকসেদুল ইসলাম

sobdermichil | আগস্ট ১৫, ২০১৬ | | মিছিলে স্বাগত
moksedul



কবি (২)

থামতেই যদি হয় তবে তোমরা থেমে যেও কোন এক বটবৃক্ষের নীচে
শ্রান্ত পথিকের ন্যায় কিছুটা সময় জিরিয়ে নিও মেঠো পথে,
জানো তো আশ্রয় নিতে হলে বড় কিছুর নিচে মাথা পেতে দিতে হয়
যাতে আকাশ ভেঙ্গে না পড়ে।

আর আমি তো কবি এতো জঞ্জাল চোখে দেখে ক্যামনে থাকি বসে
আমাকে ঘুম জাগতে হয়
  হাঁটতে হয়

  দৌড়াতে হয়

  সময়ের কথা ভেবে

কবি হওয়া অতোটা সহজ নয়রে মানুষ।



নারীর প্রেমে নিবেদিত কবিতা

ওদিকে যেওনা নারী সেখানে পথভ্রষ্ট নষ্ট পুরুষের বাস
গুহামুখে যে রেখা আঁকা আছে সে তোমার জন্যে অভিশাপ
চোখের জৌলুসে যা দেখেছো সেতো ভরা যৌবনে আত্মাবাহক
অভিশাপ দিওনা নারী তোমার অভিশাপে আমি খুন হয়ে যাবো।

দুঃখিত হয়ো না নারী
আমার অসীম চাওয়ায় রাতের বাহন জ্বালিয়ে দেবো
মৃগনাভি পাত্র হাতে দাঁড়িয়ে আছে যে কামদেবী
তাকেও আজ পুড়িয়ে দেবো আধারের আগুনে
ঐ উষ্ণ বুকে যদি মাথা রেখে কিছু পাপ খন্ডাতে দাও
তবে কথা দিচ্ছি আমিও সুপুরুষ হয়ে উঠতে পারি।



বিজ্ঞাপন 

(১)
শোন মানুষ! এখানে মৃত্যুকে কিনতে পাওয়া যায়না
এটা বন্ধ্যা ঘরও নয়
এখানে শুধুই ভালোবাসা ফেরি করা হয়।

 (২)
তোমাদের এইসব কাজকারবার দেখে
আজকাল নিজেকে বড় হারামজাদা মনে হয়।




মেয়েটি আমার বোন

একটি সুন্দর সকালের প্রত্যাশায় ঘুমাতে যাব এবার
ঘুম থেকে জেগে যদি শুনি আবারো ধর্ষিত হয়েছে আমার বোন
তবে আমি ভেবে নেবো বোন নয় এই রাষ্ট্র ধর্ষিত হয়েছে আজ।

বিব্রত চাঁদের আলোয় বসে নুরুলদীন দিচ্ছে সময়ের ডাক
'জাগো বাহে কোনঠে সবায়'।

এবার তো জেগেছে দেশ, আপামর জনতা
ঐ মেয়েটি আমার বোন, কিংবা কারো মা।

বিবেকের আঙিনায় দাঁড়িয়ে

এতো ভাঙ্গতে পারো.....
ব্যর্থ গর্জনে ভেঙ্গে ফেলছো যাত্রাদলের গান
ও আমার বিবেক মাষ্টার কুমারী জন্মের আগে ভেঙ্গে দিলে যে নরম ঘুম
সেতো খয়রাতি টাকায় কেনা আমার জীবনব্যাপী সুখ
এ পোড়াদেশে যা কিছু ঘটে তার সবদোষ নারীর শরীরের
প্রতিবাদ? সেও চুলকানির গান। মস্তকদেশে যারা থাকে উল্লাসে মহাভোজে মেতে ওঠে তারা।
অলৌকিক শক্তি আমার নেই, বিভাজনরেখা বরাবর মহাজনের নাও ভেসে গেলে

কেউ কেউ যীশুর ঈশ্বরবাদ কিংবা বুদ্ধের মতো চৈতন্যের আশায়
নিজস্ব সীমা পেরিয়ে ভেঙ্গে দিয়ে যায় জ্যোৎস্না অরণ্যের ঘুম
একদা গণিতে যারা কাঁচা ছিল তারাই এখন দেখায় ভানুমতির খেল
নতজানু প্রথাও নেই, দীর্ঘশ্বাসের বেলায় দেয়নি কেউ মাটির প্রলেপ।


Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

�� পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ শব্দের মিছিলের সর্বশেষ আপডেট পেতে, ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.